জনতার জবানবন্দি: ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের দুঃশাসনে জাতি যা হারিয়েছিল
মেলবোর্ন, ৬ জুন- ৫ আগস্ট ২০২৪ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত—৫৪৭ দিন। ইউনূস সরকার এই ১৮ মাসের বেশি সময় ধরে দুঃশাসন চালিয়েছিল। “সংস্কার” এর নামে…
মেলবোর্ন, ২৭ ডিসেম্বর- সিরিয়ার হোমস শহরে জুমার নামাজ চলাকালে একটি মসজিদে শক্তিশালী বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৮ জন। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানা জানিয়েছে, হোমসের ইমাম আলী ইবনে আবি তালিব মসজিদের ভেতরে আগে থেকেই একটি বিস্ফোরক ডিভাইস পুঁতে রাখা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে নিরাপত্তা বাহিনী। বিস্ফোরণের ফলে মসজিদের ভেতরের দেয়াল পুড়ে কালো হয়ে যায়, জানালার কাচ ভেঙে পড়ে এবং নামাজের কার্পেটে রক্তের দাগ ছড়িয়ে পড়ে। প্রকাশিত ছবিতে ক্ষয়ক্ষতির স্পষ্ট চিহ্ন দেখা গেছে।
এ হামলার দায় স্বীকার করেছে সুন্নি চরমপন্থি গোষ্ঠী ‘সারায়া আনসার আল-সুন্নাহ’। এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি দাবি করেছে, অজ্ঞাতপরিচয় আরেকটি গোষ্ঠীর সঙ্গে যৌথভাবে তারা ঘটনাস্থলে পুঁতে রাখা বিস্ফোরক ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। তবে সিরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী এখনো হামলাকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় বলেছে, এটি একটি সন্ত্রাসী হামলা, যা মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধের ওপর নগ্ন আঘাত। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই ধরনের কাপুরুষোচিত সহিংসতার উদ্দেশ্য দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করা।
হামলার পর মসজিদ ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দায়ীদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au