‘সমাজ সংস্কার’-এর নামে গ্রামে নোটিশ জারি গানবাজনা বন্ধের ঘোষণা
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার একটি গ্রামে ‘সমাজ সংস্কার’-এর কথা বলে গানবাজনা ও বাদ্যযন্ত্র বাজানো নিষিদ্ধ ঘোষণা করে নোটিশ জারি করেছিল স্থানীয় একটি জামে…
মেলবোর্ন, ৩১ ডিসেম্বর- দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। একই অভিযোগে দলটির আরও আট নেতাকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ৩০ ডিসেম্বর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার কারণে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, মোহাম্মদ শাহ আলম, হাসান মামুন ও আব্দুল খালেক। এছাড়া কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি এবং বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহাসচিব তরুণ দে, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব, সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ ওরফে চাকসু মামুন এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশও বহিষ্কারের আওতায় পড়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বহিষ্কৃত সবাইকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব পর্যায়ের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনটি বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ওই আসনে জোটের মনোনয়ন পেয়েছেন জমিয়তের সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব।
এই আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তবে মনোনয়ন না পাওয়ার পর তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে তিনি দল থেকে পদত্যাগের কথাও প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন।
এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, দল যদি তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে চায়, সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার দলের আছে। তিনি তখন আরও বলেছিলেন, মনোনয়ন কেনার আগেই তিনি সম্মানের সঙ্গে দল থেকে পদত্যাগ করবেন।
বিএনপির এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে দলীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে নির্বাচনের প্রাক্কালে একাধিক শীর্ষ ও পরিচিত নেতার বহিষ্কার ঘটনাটি রাজনৈতিক অঙ্গনে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au