ঐকমত্য কমিশনের গণতন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সারা হোসেন
মেলবোর্ন, ২২ এপ্রিল- অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈধতা ও গঠনপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সারা হোসেন। তাঁর দাবি, এই কমিশন…
মেলবোর্ন, ৪ জানুয়ারি- ভারতীয় টেলিভিশনের ইতিহাসে ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ শুধু একটি কুইজ শো নয়, এটি আবেগ, স্মৃতি ও প্রেরণার এক দীর্ঘ যাত্রা। আর সেই যাত্রার অবিচ্ছেদ্য অংশ অমিতাভ বচ্চন। কেবিসি ছাড়া যেমন ভারতীয় টেলিভিশন কল্পনা করা কঠিন, তেমনই অমিতাভ বচ্চন ছাড়া এই শোও যেন অসম্পূর্ণ। নতুন বছরে পা রাখার সঙ্গেই শেষ হলো এই আইকনিক শোয়ের আরো একটি সফল অধ্যায়।
শুক্রবার সম্প্রচারিত হয় কেবিসি সিজন ১৭-এর গ্র্যান্ড ফিনালে। আবেগঘন এই পর্বে শুধু দর্শকরাই নন, শেষ মুহূর্তে আবেগ সামলাতে পারেননি সঞ্চালক অমিতাভ বচ্চনও। চোখে জল নিয়ে তিনি বিদায় জানান এই সিজনকে।
অনুষ্ঠানে কথা বলতে গিয়ে অমিতাভ জানান, কেবিসির সঙ্গে তাঁর জীবনের একটি বিশাল অংশ জড়িয়ে রয়েছে।
এই দীর্ঘ পথচলায় যাঁদের অবদান সবচেয়ে বেশি, সেই দর্শকদের প্রতিই বারবার কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই দর্শকদের উদ্দেশে অমিতাভ বলেন, ‘আপনাদের সঙ্গে আমি আমার জীবনের এক তৃতীয়াংশ সময় কাটিয়েছি। এটা আমার জন্য অত্যন্ত সৌভাগ্যের বিষয়।’
দীর্ঘ অভিনয়জীবন ও কেবিসির স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে আরো আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি।
অভিনেতার কথায়, ‘শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই যাত্রায় আপনারাই আমার সঙ্গী। এই সিজনের শেষপ্রান্তে এসে শুধু এটুকুই বলতে চাই—আপনারা থাকলে এই শো থাকবে, আর এই শো থাকলে আমি থাকব। আপনাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’
গ্র্যান্ড ফিনালে সম্প্রচারের পর সোশ্যাল মিডিয়াতেও আবেগে ভাসেন দর্শকরা। কেউ পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করে লেখেন, কেবিসির সঙ্গে তাঁদের বন্ধুত্ব বহুদিনের।
আবার কেউ কেউ সেই রাত থেকেই সিজন ১৮ শুরু হওয়ার অপেক্ষার কথা জানান।
নতুন বছর, নতুন সিজন—সবাই এখন তাকিয়ে কেবিসির পরবর্তী অধ্যায়ের দিকে। দর্শকদের বিশ্বাস, চেনা মঞ্চে আবারও পুরনো সঞ্চালকের সঙ্গেই দেখা হবে। সেই আশাতেই এই সিজনে শেষবারের মতো বেজে উঠল কেবিসির হুটার।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au