মুম্বাইয়ে সালমানের সঙ্গে নয়নতারার মিশন শুরু
মেলবোর্ন, ২২ এপ্রিল- বলিউডে নতুন চমক নিয়ে হাজির হচ্ছেন দুই ভিন্ন ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় তারকা-সালমান খান ও দক্ষিণ ভারতের ‘লেডি সুপারস্টার’ নয়নতারা। মুম্বাইয়ে শুরু হয়েছে তাদের…
মেলবোর্ন, ১০ জানুয়ারি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে মেলবোর্নে আজ মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী আয়োজকরা এক বিশেষ ঘরোয়া আলোচনা সভা ও স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করে। ভিক্টোরিয়া রাজ্যের হোপার্স ক্রসিংয়ে আয়োজিত এই কর্মসূচি দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে।
অনুষ্ঠান শুরু হয় বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ, মহান মুক্তিযুদ্ধের অমর স্লোগান “জয় বাংলা” এবং দেশাত্মবোধক গানের মাধ্যমে। এরপর একে একে বক্তব্য দেন আয়োজক ও আমন্ত্রিত অতিথিরা। বক্তারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন, আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শনের ওপর গভীর আলোচনা করেন। তাঁরা বলেন, বঙ্গবন্ধুর অসামান্য নেতৃত্ব ও ত্যাগ ছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন কখনোই সম্ভব হতো না। আলোচনায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, অসাম্প্রদায়িকতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
আলোচনা পর্বে অতিথিরা বলেন, ১৬ই ডিসেম্বর আমরা বিজয় অর্জন করলেও প্রকৃত অর্থে সেই বিজয়ের পূর্ণতা আসে ১০ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে। আয়োজক বৃন্দ অভিযোগ করেন, বর্তমান অবৈধ দখলদার অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি মৌলবাদী চরিত্রের সরকার, যারা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে আজ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করছে। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির ঐতিহাসিক বাড়ি ৩২ নম্বর ভেঙে দেওয়া শুধু একটি স্থাপনা ধ্বংস নয়; এটি জাতির ইতিহাস ও আত্মপরিচয়ের প্রতীককেই মুছে ফেলার অপচেষ্টা।
বক্তারা দখলদার ইউনুস সরকারকে স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্য ভয়াবহ হুমকি হিসেবে আখ্যায়িত করে বিশ্ববাসী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের এ বিষয়ে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা গভীর শ্রদ্ধায় বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করেন এবং তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশকে আবারও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফিরিয়ে আনার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও প্রবাসে বসে বাংলাদেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ রক্ষায় তারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাবেন। এ লক্ষ্যেই মেলবোর্নে একটি বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে কবিতা আবৃত্তি করেন রাফসান কামাল। এরপর বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বিশেষভাবে কেক কাটা হয়, যেখানে উপস্থিত সবাই সম্মিলিতভাবে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং দিনটির তাৎপর্য উদযাপন করেন।
OTN Bangla reporter
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au