আরব আমিরাতের বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। শনিবার দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)…
মেলবোর্ন, ১৬ জানুয়ারি: অস্ট্রেলিয়ায় প্রস্তাবিত নতুন ঘৃণামূলক বক্তব্য আইন নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ওয়ান নেশন দলের নেত্রী পলিন হ্যানসনের দাবি, এই আইন কার্যকর হলে কেউ যদি বলেন “অস্ট্রেলিয়া পৃথিবীর সেরা দেশ”, তাতেও পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ -এর নেতৃত্বাধীন লেবার সরকারের প্রস্তাবিত আইনকে ‘নিয়ন্ত্রণমূলক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে আখ্যা দিয়ে হ্যানসন বলেন, এতে সাধারণ অস্ট্রেলীয়দের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, মতামত দেওয়ার অধিকার এবং নিজস্ব সংস্কৃতি ও জাতীয় পরিচয় নিয়ে গর্ব প্রকাশের সুযোগ সংকুচিত হবে।
হ্যানসনের ভাষ্য,
“এই আইন অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে। বোরকা নিষিদ্ধের দাবি জানানোও অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। এমনকি অভিবাসন নীতির সমালোচনাও অপরাধে পরিণত হতে পারে, যদি তা কাউকে ভীত বা হুমকির মুখে ফেলার মতো বলে বিবেচিত হয়।”
তিনি অভিযোগ করেন, প্রায় ৫০০ পৃষ্ঠার ব্যাখ্যাসহ এই আইনটি পর্যাপ্ত পরামর্শ ছাড়াই তড়িঘড়ি আনা হয়েছে। জনগণকে মতামত দেওয়ার জন্য দুই দিনেরও কম সময় দেওয়া হয়েছে, যা সরকারের আন্তরিকতার ঘাটতি নির্দেশ করে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ বলেছেন, বিরোধী জোটের অবস্থান পরিবর্তনে তিনি ‘বিস্মিত’। আগে ঘৃণাবিরোধী আইন কঠোর করার দাবি জানালেও এখন জোটের একাংশ আইনটিকে ‘তড়িঘড়ি ও অসম্পূর্ণ’ বলে সমালোচনা করছে। এর ফলে সিনেটে আইন পাসে লেবারকে গ্রিনস দলের ওপর নির্ভর করতে হতে পারে।
বিরোধী নেতা সুসান লেই আইনটিকে ‘অযোগ্য’ বলে মন্তব্য করে বলেন,
“বর্তমান প্রস্তাবটি অর্ধসিদ্ধ। অস্ট্রেলীয়রা এর চেয়ে ভালো কিছু পাওয়ার যোগ্য।”
আইনটির খসড়ার প্রথম পাতায় ‘অ্যান্টি-সেমিটিজম’ শব্দের বানানে ভুল থাকাও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিরোধীদের মতে, এটি আইন প্রণয়নের তাড়াহুড়োরই প্রমাণ।
তবে স্বরাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রী বিরোধীদের অবস্থানকে ‘চরম ভণ্ডামি’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, সংসদ ডাকা মানে খারাপ আইন পাসের ছাড়পত্র নয়, তবে এই আইন জরুরি—কারণ এর ফলে উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলোর সংগঠিত হওয়ার সক্ষমতা কমছে।
প্রধানমন্ত্রী আলবানিজও জোর দিয়ে বলেন, সরকার সংশোধনের জন্য উন্মুক্ত এবং জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন,
“এটি রাজনীতি করার সময় নয়; এটি একসঙ্গে দাঁড়ানোর সময়।”
নতুন আইন ঘিরে এই বিতর্ক অস্ট্রেলিয়ায় মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও ঘৃণাবিরোধী সুরক্ষার সীমারেখা কোথায় হওয়া উচিত—সে প্রশ্নকে আবারও সামনে এনেছে।
Source: News.com.au
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au