‘সমাজ সংস্কার’-এর নামে গ্রামে নোটিশ জারি গানবাজনা বন্ধের ঘোষণা
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার একটি গ্রামে ‘সমাজ সংস্কার’-এর কথা বলে গানবাজনা ও বাদ্যযন্ত্র বাজানো নিষিদ্ধ ঘোষণা করে নোটিশ জারি করেছিল স্থানীয় একটি জামে…
মেলবোর্ন, ২১ জানুয়ারি- ভারতের দেয়া উপহারের নাটোর পৌরসভার একটি গুরুত্বপূর্ণ আইসিইউ সুবিধাসম্পন্ন অ্যাম্বুলেন্স গণভোটের প্রচারণায় ব্যবহারের ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারে অ্যাম্বুলেন্সটি ব্যবহারের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। সমালোচনার মুখে মঙ্গলবার থেকে ওই অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে ভোটের প্রচারণা বন্ধ করা হয়।
পৌরসভা ও স্থানীয় সূত্র জানায়, অ্যাম্বুলেন্সটির গায়ে গণভোটসংক্রান্ত স্টিকার লাগানো হয় এবং এর সঙ্গে সাউন্ড সিস্টেম সংযুক্ত করে প্রচারণা চালানো হয়। সোমবার বেলা ১১টার দিকে নাটোর পৌরসভার গেটের সামনে প্রথমে এই প্রচার চালানো হয়। পরে কানাইখালী পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকাতেও একইভাবে গণভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো হয়।
পৌর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে ২০২২ সালের শুরুতে ভারত সরকার নাটোর পৌরসভা, নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল এবং সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইসিইউ সুবিধাসম্পন্ন একটি করে মোট তিনটি আধুনিক অ্যাম্বুলেন্স উপহার দেয়। ওই বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি নাটোর পৌরসভা প্রাঙ্গণে তৎকালীন ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার সঞ্জীব কুমার নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাম্বুলেন্সের চাবি হস্তান্তর করেন।
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পৌর এলাকার বাসিন্দারা। সমাজকর্মী আব্দুল্লাহ আল মুনছুর মিন্টু বলেন, জরুরি রোগী পরিবহনের জন্য নির্ধারিত পৌরসভার অ্যাম্বুলেন্স ভোটের প্রচারণায় ব্যবহার করা অত্যন্ত অনৈতিক। এতে একদিকে জরুরি চিকিৎসাসেবায় ব্যাঘাত ঘটছে, অন্যদিকে প্রশাসনের নজরদারি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তিনি বলেন, যদি অ্যাম্বুলেন্সটি ভোটের কাজে ব্যবহৃত হয়, তাহলে জরুরি রোগীরা কোথায় যাবে। বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে নাটোর পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মাগ্ফুরুল হাসান আব্বাসী বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং এ বিষয়ে পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।
পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুর রহমান বলেন, সমালোচনার পর অ্যাম্বুলেন্সটি থেকে হ্যাঁ ও না ভোটের সব স্টিকার খুলে ফেলা হয়েছে এবং বর্তমানে সেটি পৌরসভার গ্যারেজে রাখা আছে। তিনি জানান, অ্যাম্বুলেন্সটিকে ভোটের প্রচার গাড়িতে রূপান্তরের বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষকে আগে জানানো হয়নি। কার নির্দেশে এবং কীভাবে এটি প্রচারণায় ব্যবহার করা হয়েছে, সে বিষয়েও তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি। তবে পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান তিনি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au