কাতারের এলএনজি স্থাপনায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১৩; বাংলাদেশিসহ আহত ৬৬
মেলবোর্ন, ২৩ জুন- কাতারের অন্যতম বৃহৎ শিল্পাঞ্চল রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে একটি এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৩ জন…
মেলবোর্ন, ২৪ জানুয়ারি- দীর্ঘদিনের যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো সরাসরি আলোচনায় বসলেও ভূখণ্ড প্রশ্নে অনড় অবস্থানের কারণে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি রাশিয়া ও ইউক্রেন। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দোনবাস ও দখলকৃত অন্যান্য অঞ্চলের ভবিষ্যৎ নিয়ে তীব্র মতভেদ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, আলোচনায় অংশ নেয় রাশিয়া, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল। তবে বৈঠক শেষে কোনো যৌথ বিবৃতি বা অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন, দোনবাস অঞ্চল পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়া রাশিয়ার জন্য একটি ‘অপরিহার্য শর্ত’। রয়টার্সকে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, মস্কো তথাকথিত ‘অ্যাঙ্কোরেজ ফর্মুলা’ বিবেচনা করছে, যার আওতায় দোনবাস রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং ইউক্রেনের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে বর্তমান যুদ্ধরেখাকেই স্থায়ী সীমারেখা হিসেবে ধরে নেওয়া হবে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, আবুধাবির আলোচনায় ভূখণ্ড বিরোধই ছিল মূল ও সবচেয়ে কঠিন ইস্যু। টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, এই যুদ্ধ শেষ করতে হলে রাশিয়াকেই আগে প্রস্তুত হতে হবে, কারণ যুদ্ধটি তারাই শুরু করেছে। জেলেনস্কি জানান, আলোচক দলের সঙ্গে তিনি নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন, তবে শুক্রবারের বৈঠক থেকে তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।
ইউক্রেনের জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা পরিষদের সচিব এবং আলোচক দলের প্রধান রুস্তেম উমেরভ বলেন, বৈঠকে যুদ্ধ অবসানের শর্ত এবং ভবিষ্যৎ আলোচনার কাঠামো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, ভূখণ্ড প্রশ্নে অবস্থানের ফারাক এখনো রয়ে গেছে।
এদিকে রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রে জব্দ থাকা প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলারের রুশ সম্পদের একটি বড় অংশ দখলকৃত ইউক্রেনীয় এলাকায় পুনর্গঠনে ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছে। ইউক্রেন ও তাদের ইউরোপীয় মিত্ররা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ হিসেবে এই অর্থ রাশিয়াকেই দিতে হবে। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি এ প্রস্তাবকে ‘অর্থহীন’ বলে অভিহিত করেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, আবুধাবির এই বৈঠক দেখিয়েছে যে কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু হলেও ভূখণ্ড ইস্যুতে কোনো পক্ষই আপসের পথে হাঁটতে প্রস্তুত নয়। ফলে নিকট ভবিষ্যতে যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাবনা এখনো অনিশ্চিতই রয়ে গেল।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au