চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ২৮ জানুয়ারি- রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ‘ভুল চিকিৎসার’ অভিযোগে হাবিবা নামে সাত বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের অভিযোগ, এক নার্সের ভুল ইনজেকশনের কারণেই প্রাণ হারায় শিশুটি। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সিনিয়র স্টাফ নার্স ইয়াসিন পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি সকালে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে এই হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত ১৭ জানুয়ারি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বাঁকা হয়ে যাওয়া আঙুল সোজা করার জন্য হাবিবাকে সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার সকাল ৯টায় তার অপারেশন নির্ধারিত ছিল।
নিয়ম অনুযায়ী অপারেশনের আগে অ্যানেসথেশিয়ার ইনজেকশন অপারেশন থিয়েটারেই দেওয়ার কথা। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, সিনিয়র স্টাফ নার্স ইয়াসিন কোনো চিকিৎসকের উপস্থিতি বা অনুমতি ছাড়াই ওয়ার্ডেই শিশুটিকে একটি ইনজেকশন দেন। ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই হাবিবা নিথর হয়ে পড়ে। দ্রুত চিকিৎসকরা এগিয়ে এলেও তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
নিহত শিশুটির মা জরিনা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ডাক্তার সকালে এসে জানিয়েছিলেন তার মেয়ের আজ অপারেশন হবে। তিনি সেই প্রস্তুতিতেই ছিলেন। কিন্তু ইনজেকশন দেওয়ার পরই মেয়ের অবস্থার অবনতি হয়। তখন আশপাশের ডাক্তাররা দ্রুত অক্সিজেন দেওয়ার কথা বলেন। তিনি জানান, হাবিবা তখন ঘুমিয়ে ছিল এবং ইনজেকশন দেওয়ার সময় হাত নড়াচড়া করেছিল। এরপরই তার মেয়ের আর সাড়া মেলেনি।
হাবিবার বাবা কামরুজ্জামান বলেন, তার মেয়ে সম্পূর্ণ সুস্থ ছিল। শুধু একটি আঙুলের সমস্যার জন্যই হাসপাতালে আনা হয়েছিল। ভুল চিকিৎসার কারণে তার আদরের সন্তান লাশ হয়ে পড়ে আছে বলে তিনি অভিযোগ করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
এ বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ শেহাব উদ্দীন বলেন, অভিযুক্ত নার্স কোনো চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা না করেই শিশুটিকে অ্যানেসথেশিয়ার ইনজেকশন দিয়েছেন। তিনি বিষয়টিকে অনাকাঙ্ক্ষিত ও চরম অবহেলা হিসেবে উল্লেখ করেন। ইতোমধ্যে অভিযুক্ত নার্সকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ও প্রশাসনিক সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম জানান, শিশুটির বাবা থানায় এসে বিষয়টি জানিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে হাবিবার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au