ভারতে মন্দিরের ছাদ ধসে ৪ জন নিহত, ধ্বংসস্তূপে আটকা প্রায় ২০
মেলবোর্ন, ২১ জুন- ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের পারভানী জেলায় একটি মন্দিরের সভা-মণ্ডপের ছাদ ধসে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। ধ্বংসস্তূপের নিচে…
মেলবোর্ন, ৩১ জানুয়ারি- আফ্রিকার দেশ কঙ্গোর নর্থ কিভু প্রদেশে একটি কোলটান খনিতে ভয়াবহ ধসের ঘটনায় দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। রুবায়া এলাকার ওই খনিতে গত বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ধস নামলেও হতাহতের তথ্য সামনে আসে শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি)। বিদ্রোহীদের নিয়োগ করা প্রাদেশিক গভর্নরের মুখপাত্র লুমুম্বা কাম্বেরে মুইসা এ তথ্য জানিয়েছেন।
রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে খনি শ্রমিকদের পাশাপাশি নারী ও শিশুও রয়েছে। মুইসা জানান, ধসের সময় বহু মানুষ খনির ভেতরে কাজ করছিলেন। হঠাৎ মাটি ধসে পড়লে তারা গর্তের ভেতরেই চাপা পড়েন। কিছু মানুষকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও তারা গুরুতর আহত অবস্থায় রয়েছেন। অন্তত ২০ জন আহত বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন।
রুবায়া কোলটান খনিটি ২০২৪ সাল থেকে এএফসি/এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এখানে প্রতিদিন মাত্র কয়েক ডলারের বিনিময়ে হাতে খননকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাবে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয় তাদের।
নর্থ কিভু প্রদেশে বর্ষা মৌসুমে মাটি নরম ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। ফলে ভূমিধসের ঝুঁকি বেড়ে যায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা। গভর্নরের এক উপদেষ্টা জানান, সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা অন্তত ২২৭ জন। তবে গণমাধ্যমে কথা বলার অনুমতি না থাকায় তিনি নাম প্রকাশ করতে চাননি।
বিশ্বের মোট কোলটান উৎপাদনের প্রায় ১৫ শতাংশ আসে রুবায়া অঞ্চল থেকে। এই খনিজ প্রক্রিয়াজাত করে ট্যান্টালাম তৈরি করা হয়, যা মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, মহাকাশযানের যন্ত্রাংশ এবং গ্যাস টারবাইন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
এদিকে জাতিসংঘের অভিযোগ, এএফসি/এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠী রুবায়ার খনিজ সম্পদ লুট করে তা তাদের বিদ্রোহী কর্মকাণ্ডের অর্থায়নে ব্যবহার করছে, যা প্রতিবেশী রুয়ান্ডা সরকারের সমর্থনে চলছে। যদিও কিগালি সরকার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এই দুর্ঘটনা আবারও কঙ্গোর খনি অঞ্চলে শ্রমিকদের নিরাপত্তা, অবৈধ খনন এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au