নির্বাচন কমিশনের ‘ঘূর্ণিঝড়ে’ লন্ডভন্ড মমতার সাজানো প্রশাসন
মেলবোর্ন, ১৬ মার্চ- ভারতের নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রীতিমত যুদ্ধে শামিল ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।…
মেলবোর্ন, ১ ফেব্রুয়ারি- ২০২৬ সালে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় পরিবর্তন এসেছে। সুইজারল্যান্ডের জুরিখ আবারও শীর্ষে উঠে এসেছে, আর নিউইয়র্ক পিছিয়ে পড়েছে।
নিউমবিওর কস্ট অব লিভিং ইনডেক্স বাই সিটি ২০২৬ অনুযায়ী, জুরিখের জীবনযাত্রার ব্যয় সূচক ১১৮.৫। এই সূচক চার সদস্যের একটি পরিবারের খাদ্য, পরিবহন, ইউটিলিটি ও অন্যান্য দৈনন্দিন ব্যয়ের গড় হিসাবের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়েছে; এতে বাসাভাড়া অন্তর্ভুক্ত নয়।
জেনেভা তালিকায় দ্বিতীয়, বাসেল তৃতীয়। লসান, লুগানো ও বার্ন- এই তিন শহরও শীর্ষ ছয়ের মধ্যে রয়েছে। ফলে শীর্ষ দশের ছয়টি স্থানই দখল করেছে সুইজারল্যান্ডের শহরগুলো।
দীর্ঘদিন বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল শহর হিসেবে পরিচিত নিউইয়র্ক ২০২৬ সালে সপ্তম স্থানে নেমে গেছে। ২০২৫ সালে শহরটি চতুর্থ অবস্থানে ছিল। সান ফ্রান্সিসকোও তালিকায় নেমে দশম স্থানে রয়েছে।
আইসল্যান্ডের রাজধানী রেইকজাভিক অষ্টম স্থানে রয়েছে। দেশটিতে উচ্চ আমদানি ব্যয় ও সীমিত স্থানীয় উৎপাদন জীবনযাত্রার খরচ বাড়িয়ে তুলেছে। হাওয়াইয়ের হোনোলুলু নবম স্থানে, যেখানে দ্বীপভিত্তিক ভৌগোলিক অবস্থান ও আমদানিনির্ভরতা দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণ।
ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বাইরে বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি। এশিয়ার একমাত্র শহর হিসেবে সিঙ্গাপুর শীর্ষ ২০-এ ১৪তম স্থানে রয়েছে। তেল আবিব-ইয়াফো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখালেও শীর্ষ দশে জায়গা পায়নি।
তালিকার নিচের দিকে রয়েছে ভারতীয় শহরগুলো। ইন্দোর, ভোপাল ও পাটনা বিশ্বের সবচেয়ে কম ব্যয়বহুল শহরের মধ্যে স্থান পেয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি, শক্তিশালী মুদ্রা এবং জীবনযাত্রার মান-সংক্রান্ত চাহিদার পার্থক্যের কারণে শহরভেদে ব্যয়ের ব্যবধান আরো বাড়ছে।
সূত্র: এনডিটিভি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au