চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ৫ ফেব্রুয়ারি- ঢাকার মিরপুরের পল্লবীর ওয়াপদা ভবন বিহারি ক্যাম্প এলাকার একটি বাসা থেকে দুই শিশুসহ একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
পল্লবী থানার পুলিশ জানায়, নিহতরা হলেন মোহাম্মদ মাসুম (৩০), তার স্ত্রী ফাতেমা আক্তার সুমি (২৫) এবং তাদের দুই সন্তান মিনহাজ, বয়স সাড়ে তিন থেকে চার বছর, ও ছোট ছেলে আসাদ বা আসহাব, বয়স দেড় থেকে দুই বছর। পরিবারটি মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের পল্লবী এলাকার বি ব্লকের ৩ নম্বর ওয়াপদা ভবনের বিহারি ক্যাম্পে একটি টিনশেড ঘরে ভাড়ায় বসবাস করত।
পল্লবী থানার ডিউটি অফিসার এএসআই শাহীন আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক সুরতহাল শেষে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম আলমগীর জাহান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ছাড়াও সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ ও প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ ধারণা করছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে কোনো এক সময় এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রথমে দুই শিশুকে হত্যা করা হয়। এরপর স্বামী ও স্ত্রী আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে এটি এখনো নিশ্চিত নয় এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নিহত পরিবারটি অত্যন্ত দরিদ্র ছিল। মোহাম্মদ মাসুম পেশায় রিকশাচালক ছিলেন এবং তার স্ত্রী বিভিন্ন বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করে সংসার চালাতেন। পরিবারটি বিভিন্ন সমিতি ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছিল। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ঋণের কিস্তির চাপে প্রায়ই পাওনাদাররা তাদের বাসায় আসতেন। অনেকের ধারণা, দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকট ও ঋণের চাপ থেকেই এই মর্মান্তিক ঘটনার সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।
তবে পুলিশ বলছে, এটি হত্যা না আত্মহত্যা, নাকি অন্য কোনো অপরাধমূলক ঘটনা, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি পরিবারের মৃত্যুর পেছনের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au