পুরনো উইকিতে হাজারো এআই এজেন্টের গোপন যোগাযোগ
জার্মানির প্রায় ২৫ বছরের পুরনো একটি প্রোগ্রামিং উইকি হঠাৎ করেই হাজারো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এজেন্টের যোগাযোগকেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল। ২০২৬ সালের মে থেকে জুনের শেষ…
মেলবোর্ন, ৬ ফেব্রুয়ারি- আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টি এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দরের ১৫ কর্মচারীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির আবেদন করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে অভিযুক্ত কর্মচারীদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব, দুদকের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে এ বিষয়ে পৃথক চিঠি পাঠানো হয়। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
চিঠিতে যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে, তারা হলেন—মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, মোহাম্মদ ইব্রাহিম খোকন, মোহাম্মদ ফরিদুর রহমান, মোহাম্মদ শফি উদ্দিন, রাশিদুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল মামুন, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, খন্দকার মাসুদুজ্জামান, মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির (২), মোহাম্মদ শাকিল রায়হান, মানিক মিঝি, মোহাম্মদ শামসু মিয়া, মোহাম্মদ লিয়াকত আলী, আমিনুর রসুল বুলবুল ও মোহাম্মদ রাব্বানী।
বন্দর কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত ১৫ কর্মচারী বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে বদলি হয়ে মোংলা ও পায়রা বন্দরে সংযুক্ত রয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে অভ্যন্তরীণ তদন্ত চলছে। তদন্ত চলাকালে তারা যাতে দেশত্যাগ করে আইনের আওতার বাইরে যেতে না পারেন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
দুদক চেয়ারম্যানকে পাঠানো চিঠিতে একটি বিশেষ কলাম সংযুক্ত করে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত কর্মচারীদের অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ও উৎস নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন রয়েছে। তাদের নামে বা বেনামে থাকা সব ধরনের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
বন্দর সূত্র জানায়, এই ১৫ কর্মচারী প্রকৌশল, ট্রাফিক, মেরিন ও ইলেকট্রিক্যালসহ বন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল বিভাগে কর্মরত ছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে বন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং স্বাভাবিক প্রশাসনিক কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পরই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয় কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও তদন্তের অগ্রগতি এখন নজরে রেখেছেন বন্দর সংশ্লিষ্টরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au