ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষ, নিহত ১
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ পড়ানোর ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে…
মেলবোর্ন, ৮ ফেব্রুয়ারি- গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় তিন বছরের এক শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিজের সন্তানের হত্যার অভিযোগে ওই শিশুর মাকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে জানিয়েছে, পরকীয়ার সম্পর্কের জেরে প্রেমিকের সহায়তায় সন্তানকে হত্যা করে মরদেহ ঘরের ভেতর ট্রাংকে লুকিয়ে রেখে পালিয়ে যান মা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত নারীর স্বামী দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে থাকেন। স্বামীর অনুপস্থিতিতে প্রায় ছয় মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফরিদপুরের সদরপুর থানার মিরাজ মোল্লার সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। কথাবার্তার সূত্র ধরে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই সম্পর্ক নিয়ে পারিবারিক টানাপোড়েন ও মানসিক চাপ তৈরি হচ্ছিল বলে পুলিশ ধারণা করছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ওই নারী তাঁর প্রেমিকের সহায়তায় নিজের তিন বছরের শিশুকন্যাকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। হত্যার পর শিশুটির মরদেহ স্বামীর বাড়ির একটি টিনের ট্রাংকের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়। এরপর প্রেমিকের সঙ্গে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান তিনি।
কিছুদিন পর প্রেমিক তাঁকে ফেলে রেখে চলে যান। এতে অসহায় হয়ে আজ শনিবার সকালে ওই নারী বাবার বাড়িতে ফিরে আসেন। পরিবারের সদস্যরা শিশুটির খোঁজ করলে তিনি একপর্যায়ে নিজের সন্তানের হত্যার কথা স্বীকার করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে পরিবারের লোকজন তাঁকে আটক করে গোপালগঞ্জ সদর থানায় নিয়ে যান।
অভিযুক্ত নারীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ স্বামীর বাড়িতে অভিযান চালায়। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একটি টিনের ট্রাংক খুলে শিশুটির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও স্থানীয়দের মধ্যে চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের মুখপাত্র এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মুহাম্মদ সরোয়ার হোসেন জানান, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তির ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
তিনি আরও জানান, তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত নারীর প্রেমিকের অবস্থান শনাক্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ঘটনায় এলাকায় শোক ও ক্ষোভের পরিবেশ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বলছেন, পারিবারিক ও সামাজিক অবক্ষয়ের এমন নির্মম পরিণতি সমাজের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au