চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ১০ ফেব্রুয়ারি- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর পারস্পরিক শুল্ক নিয়ে একটি চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ। এ চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে আরোপিত সম্পূরক শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমে ১৯ শতাংশে নেমেছে। এতে সব মিলিয়ে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানিতে মোট শুল্কহার আগের ৩৫ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৩৪ শতাংশে।
সোমবার রাতে এ চুক্তি সই হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর। দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নয় মাসের টানা আলোচনা ও দর কষাকষির পর অনলাইনে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে পারস্পরিক শুল্কহার নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ শতাংশ। এর সঙ্গে আগে থেকেই কার্যকর ১৫ শতাংশ শুল্ক যোগ হয়ে মোট শুল্কহার দাঁড়াবে ৩৪ শতাংশ।
এ চুক্তি নিয়ে গত কিছুদিন ধরে সরকারের মধ্যে আশাবাদ দেখা যাচ্ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা অতিরিক্ত সম্পূরক শুল্ক কমানোর লক্ষ্যে দেশটির সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে একাধিক উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ সরকার। এর অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানি বাড়ানো হয়েছে এবং তুলাসহ আরও কিছু পণ্যের আমদানি বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে।
এই সব উদ্যোগের পরও শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মাত্র ১ শতাংশ শুল্ক কমাতে রাজি হয়েছে। এতে করে ট্রাম্প প্রশাসনের মন খুব বেশি গলানো যায়নি বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তবুও অন্তর্বর্তী সরকার মনে করছে, শুল্কহার খুব বেশি না কমলেও এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের জন্য শুল্কের বাইরে আরও কিছু বাড়তি সুবিধা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, অনলাইনে হওয়া এই চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে সই করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার।
প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসার পর ২০২৫ সালের ২ এপ্রিল শতাধিক দেশের ওপর উচ্চহারে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। ওই সময় বাংলাদেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা আসে। পরবর্তী দর কষাকষির মাধ্যমে সেই হার কমিয়ে ২০ শতাংশে নামানো হয়, যা গত ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হয়। এর আগে থেকেই বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ১৫ শতাংশ শুল্ক চালু ছিল। ফলে সব মিলিয়ে তখন মোট শুল্কহার দাঁড়ায় ৩৫ শতাংশে।
বাড়তি এই শুল্ক আরোপের পর থেকেই অন্তর্বর্তী সরকার তা কমিয়ে আনতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টানা নয় মাসের বেশি সময় ধরে আলোচনা চালিয়ে আসছিল। সর্বশেষ চুক্তির মাধ্যমে সেই আলোচনার একটি ফল মিললেও শুল্ক কমার হার প্রত্যাশার তুলনায় কম বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au