সংসদে ফজলুর রহমানের বক্তব্য ঘিরে উত্তেজনা
মেলবোর্ন, ২৮ এপ্রিল- জাতীয় সংসদ অধিবেশনে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ সময় ধরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সরকারি ও বিরোধী দলের…
মেলবোর্ন, ১৮ ফেব্রুয়ারি- বলিউড অভিনেতা রাজপাল যাদবের পর এবার আইনি জটিলতায় নাম জড়াল ‘গদর ২’ খ্যাত অভিনেত্রী আমিশা প্যাটেলের। ২০১৭ সালের একটি পুরোনো চেক জালিয়াতি ও চুক্তি ভঙ্গের মামলায় মোরাদাবাদ আদালত আমিশার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। বারবার সমন পাঠানো সত্ত্বেও আদালতে হাজিরা না দেওয়ায় এই কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসের। অভিযোগকারী ইভেন্ট অর্গানাইজার পবন ভার্মার দাবি, একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার জন্য আমিশা প্যাটেলকে ১৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম প্রদান করা হয়েছিল। পাশাপাশি তার থাকা-খাওয়ার সমস্ত ব্যবস্থাও করা হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ, অভিনেত্রী শেষ মুহূর্তে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি।
পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও পবন ভার্মার দাবি অনুযায়ী, আমিশা নগদে ১০ লাখ টাকা ফেরত দেন। তবে বাকি সাড়ে ৪ লাখ টাকার যে চেকটি তিনি দিয়েছিলেন, সেটি ব্যাংকে জমা দিতে গেলে বাউন্স করে। এই অভিযোগেই আদালতের দ্বারস্থ হন পবন।
গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির খবর ছড়িয়ে পড়তেই নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে একটি দীর্ঘ বিবৃতি দিয়েছেন আমিশা। তিনি পুরো বিষয়টিকেই ‘ভিত্তিহীন’ এবং ‘সস্তা প্রচার পাওয়ার চেষ্টা’ বলে অভিহিত করেছেন।
আমিশা তার বিবৃতিতে বলেন, এটি অনেক পুরোনো একটি বিষয়। পবন ভার্মা নামক ওই ব্যক্তি অনেক বছর আগেই একটি সেটেলমেন্ট ডিড সই করেছিলেন এবং চুক্তিমতো সমস্ত টাকা বুঝে পেয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও তিনি মিথ্যা অভিযোগ এনে মামলা চালিয়ে যাচ্ছেন। আমার আইনজীবীরা ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতারণার পাল্টা মামলা শুরু করছেন। আমি এই ধরনের মিথ্যাচারের চেয়ে নিজের কাজেই বেশি মনোযোগ দিতে চাই।
বারবার সমন পাঠানো সত্ত্বেও আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় আদালত তার ওপর ক্ষুব্ধ। আদালতের মতে, আইনি প্রক্রিয়াকে অবজ্ঞা করার কারণেই এই জামিন অযোগ্য পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। বর্তমানে অভিনেত্রী তার আইনজীবীদের মাধ্যমে এই আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au