আরব আমিরাতের বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। শনিবার দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)…
মেলবোর্ন, ১৯ ফেব্রুয়ারি- দুই মাস পেরিয়ে গেলেও সাংবাদিক আনিস আলমগীর জামিন পাননি। জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে ‘রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্টের ষড়যন্ত্র’ ও নিষিদ্ধ সংগঠনকে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়। এরপর একাধিকবার জামিনের চেষ্টা করেও মুক্তি মেলেনি তাঁর। এরই মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পৃথক মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
গত ১৪ ডিসেম্বর রাত আটটার পর ডিবির একটি দল আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে নিয়ে যায়। ওই রাতেই ‘জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স’ নামের একটি সংগঠনের সদস্য আরিয়ান আহমেদ তাঁরসহ চারজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। মামলায় অন্য আসামিরা হলেন অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, ফ্যাশন মডেল মারিয়া কিসপট্টা ও উপস্থাপক ইমতু রাতিশ ইমতিয়াজ।
মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হওয়ার পর ২০ ডিসেম্বর আনিস আলমগীরকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাবন্দী। তাঁর স্ত্রী শাহনাজ চৌধুরীর দাবি, স্বাধীন মত প্রকাশের কারণেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, একই মামলার অন্য আসামিরা মুক্ত থাকলেও কেন শুধু তাঁর স্বামী কারাগারে।
শাহনাজ চৌধুরী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান দাবি করেছিলেন, স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তাহলে আনিস আলমগীরের ক্ষেত্রে ভিন্নতা কেন? এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, আনিস আলমগীর কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত নন এবং উসকানিমূলক বক্তব্যও দেননি।
এদিকে গত ১৫ জানুয়ারি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। ২৫ জানুয়ারি তদন্ত কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান তাঁকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত ২৮ জানুয়ারি শুনানির দিন নির্ধারণ করে এবং সেদিন তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
দুদকের মামলার বিষয়ে শাহনাজ চৌধুরী বলেন, সাংবাদিক কোটায় পাওয়া একটি প্লট বিক্রি করে যে অর্থ পাওয়া গেছে, সেটিকে কেন্দ্র করেই মামলা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এটিও ভিত্তিহীন।
আনিস আলমগীরের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি বলেন, সাধারণত রাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে থাকে, কিন্তু এখানে একজন ব্যক্তি মামলা করেছেন। যে ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে, তা তাঁর মক্কেলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় বলেও দাবি করেন তিনি। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ায় তাঁরা উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সেখানে জামিন শুনানির কথা রয়েছে।
দৈনিক আজকের কাগজসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করা আনিসুর রহমান আলমগীর, আনিস আলমগীর নামেই পরিচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবেও যুক্ত ছিলেন তিনি। সমসাময়িক রাজনীতি ও বিভিন্ন ইস্যুতে টেলিভিশন টকশো এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর বক্তব্য নিয়ে আগে থেকেই আলোচনা ও সমালোচনা ছিল।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au