‘সমাজ সংস্কার’-এর নামে গ্রামে নোটিশ জারি গানবাজনা বন্ধের ঘোষণা
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার একটি গ্রামে ‘সমাজ সংস্কার’-এর কথা বলে গানবাজনা ও বাদ্যযন্ত্র বাজানো নিষিদ্ধ ঘোষণা করে নোটিশ জারি করেছিল স্থানীয় একটি জামে…
মেলবোর্ন, ১৯ ফেব্রুয়ারি- অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালে সম্পাদিত বিদেশি চুক্তি ও আর্থিক দায়–দেনা নতুন সরকারের জন্য কতটা ঝুঁকি তৈরি করেছে, তা গভীরভাবে পর্যালোচনার আহ্বান জানিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-এর সম্মাননীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেছেন, জানা-অজানা সব চুক্তি, বিশেষ করে ক্রয়সংক্রান্ত চুক্তিগুলো খতিয়ে দেখা জরুরি।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টার ইনে ‘নতুন সরকারের সূচনাবিন্দু: অর্থনৈতিক পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার যে ঋণ ও দায়–দেনার পরিস্থিতি উত্তরাধিকার হিসেবে পেয়েছিল, বিদায়ের সময় তা আরও দুর্বল অবস্থায় রেখে গেছে। এর পেছনে রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি, চলতি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা কিংবা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে সমন্বয়ের অভাব থাকতে পারে। তবে বাস্তবতা হলো, নতুন সরকার আগের চেয়ে আরও নাজুক আর্থিক পরিস্থিতির মুখোমুখি হবে।
তিনি বলেন, বিদেশি সব চুক্তি পুনর্বিবেচনা করা উচিত, যাতে নতুন সরকারের ওপর কী ধরনের দায়–দায়িত্ব বর্তাবে, তা স্পষ্ট হয়। নতুন সরকার এলডিসি উত্তরণ পুনর্মূল্যায়নের বিষয়ে আগ্রহী উল্লেখ করে তিনি বলেন, সামগ্রিক আর্থিক চিত্র বিশ্লেষণ করতে পারলে অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হবে।
নতুন সরকারের জন্য সময় নিয়ে পরিকল্পনা করার পরামর্শ দিয়ে দেবপ্রিয় বলেন, অন্তত ১৮০ দিনের একটি সুসংহত কর্মপরিকল্পনা প্রয়োজন। চলতি অর্থবছরে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তনের বদলে পরিস্থিতি পর্যালোচনায় গুরুত্ব দেওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের বড় ব্যর্থতা ছিল অর্থনৈতিক সংস্কার বিষয়ে সুস্পষ্ট কৌশলপত্র উপস্থাপন করতে না পারা।
জনতুষ্টিমূলক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, আর্থিক ব্যবস্থাপনায় সংযম ও কৃচ্ছতা না দেখালে আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতিসহ নানা অর্থনৈতিক চাপ স্পষ্ট হয়ে উঠবে।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির অতিরিক্ত পরিচালক (গবেষণা) তৌফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, নতুন সরকারের প্রথম পরীক্ষা হবে কতটা বাস্তবসম্মতভাবে বাজেট সংশোধন করা যায় এবং আগামী অর্থবছরের বাজেটকে কতটা শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো যায়।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা উচিত। একযোগে সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের চেষ্টা করলে আর্থিক সক্ষমতা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au