চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন ২৩ ফেব্রুয়ারি- শিশুদের শিক্ষামূলক খেলনা সামগ্রী, যার বেশিরভাগই চীনে তৈরি, সেটিই শেষ পর্যন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর আরোপিত পাল্টা শুল্ক নীতিকে আদালতে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বড় আইনি লড়াইয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে। গত শুক্রবার মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনের ওই শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করে বাতিল করেন।
এই রায়ের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে ইলিনয়ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান লার্নিং রিসোর্সেস। শিক্ষামূলক খেলনা আমদানিকারক এই ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি গত এপ্রিলে ট্রাম্পের শুল্কের বিরুদ্ধে মামলা করা প্রথম দিকের কোম্পানিগুলোর একটি। তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হ্যান্ডটুমাইন্ড–সহ তারা এখন কয়েক কোটি ডলার শুল্ক ফেরত দাবি করতে পারে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় তিন দশক আগে রিক ওল্ডেনবার্গ পারিবারিক খেলনা ব্যবসার দায়িত্ব নেন। ১৯৮৪ সালে তার মা প্রতিষ্ঠা করেন লার্নিং রিসোর্সেস, যার শিকড় আরও এক শতাব্দী আগে তার দাদার ব্যবসায়। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে প্রায় ৫০০ কর্মী নিয়ে ১০০টিরও বেশি দেশে পণ্য বিক্রি করে। তাদের পণ্যের মধ্যে রয়েছে বর্ণ শেখার কফি কাপ সেট এবং গণিত শেখার ব্লকসের মতো শিক্ষামূলক সামগ্রী।
ট্রাম্প প্রশাসন ‘ইন্টারন্যাশনাল ইমারজেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট’-এর আওতায় শুল্ক আরোপ করেছিল। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য সরকার, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এবং ব্যবসায়িক সংগঠনের মামলার প্রেক্ষিতে আদালত সেই পদক্ষেপ বাতিল করেন।
২০২৫ সালের ইউএস চেম্বার অব কমার্স–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, লার্নিং রিসোর্সেসের মতো ক্ষুদ্র ব্যবসাগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মোট আমদানির প্রায় ৯৭ শতাংশ পরিচালনা করে। প্রতিবেদনে ট্রাম্পের শুল্ককে এসব প্রতিষ্ঠানের টিকে থাকার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
ওল্ডেনবার্গ জানান, ২০২৫ সালে তার প্রতিষ্ঠান প্রায় এক কোটি ডলার শুল্ক দিয়েছে। এর ফলে ইলিনয়ে ৬ লাখ বর্গফুটের গুদাম ও অফিস নির্মাণের পরিকল্পনা বাতিল করতে হয়েছে। নতুন কর্মী নিয়োগের বদলে সরবরাহব্যবস্থা পুনর্গঠনে মনোযোগ দিতে হয়েছে। বিক্রয়, বিপণন ও পণ্য উন্নয়নের পরিকল্পনাও বদলে যায়।
তিনি বলেন, শুল্ক আরোপের প্রস্তাব অনুযায়ী উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনা বাস্তবসম্মত ছিল না। খেলনা তৈরিতে ব্যবহৃত ভারী যন্ত্রপাতি ও দীর্ঘদিনের দক্ষ শ্রমশক্তি সরিয়ে নেওয়া প্রায় অসম্ভব।
সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর ওল্ডেনবার্গ আশা করছেন, প্রতিষ্ঠানটি আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারবে। শুল্কের অর্থ ফেরত পেলে তা ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তার ভাষায়, “টাকা পাওয়া মাত্র আমরা তা খরচ শুরু করব। আবারও আমাদের কোম্পানিকে স্বাভাবিক গতিতে এগিয়ে নিতে চাই।”
সুত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au