যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবিঃ সংগৃহীত
মেলবোর্ন, ২৫ ফেব্রুয়ারি- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে নিজের দ্বিতীয় মেয়াদে প্রথম এক বছরের কার্যক্রম তুলে ধরতে গিয়ে ভারত ও পাকিস্তান সংঘাতের প্রসঙ্গ তুলে ধরলেন। ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি না থাকলে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পারমাণবিক যুদ্ধ হতে পারত এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফসহ ৩৫ মিলিয়ন মানুষের প্রাণহানি ঘটত।
ভাষণে ট্রাম্প বলেন, “দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার ১০ মাসের মধ্যে আমি আটটি যুদ্ধ থামিয়েছি। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছেন, আমি না থাকলে ৩৫ মিলিয়ন মানুষের প্রাণ যেত। এমনকি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নিজেও মারা যেত।”
এই বক্তব্যের আগে ট্রাম্প নিজের অর্থনৈতিক নীতিমালা ও সাফল্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তার শাসনকালে যুক্তরাষ্ট্র স্বমহিমায় ফিরে এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন, গত বছর তিনি বিভিন্ন দেশের ওপর বাণিজ্য শুল্ক আরোপ করেছিলেন। তবে সম্প্রতি মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট এই শুল্কনীতির অনেক অংশ খারিজ করেছেন, যা তিনি ভাষণে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “মাত্র চারদিন আগে আদালত যে রায় দিয়েছেন তা দুর্ভাগ্যজনক। তবে সুখবর হলো, বেশিরভাগ দেশ আমেরিকার সঙ্গে করা নতুন চুক্তি মেনে বাণিজ্য করতে চায়।”
ট্রাম্প আরও বলেন, দ্বিতীয় মেয়াদে তার প্রথম বছর আসলে তাঁর তৃতীয় মেয়াদ হওয়ার কথা ছিল। তিনি উল্লেখ করেন, পৃথিবীতে আশ্চর্য ঘটনাও ঘটে, যার কারণে তার পরিকল্পনা সম্পূর্ণ হয়নি।
চলতি বছরের শেষে যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই ভাষণকে রাজনৈতিক মহলে ট্রাম্পের ভূ-রাজনৈতিক নীতি এবং নিজেকে ‘শান্তিকর্তা’ হিসেবে উপস্থাপনের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।