বিশ্ব

পাকিস্তান-আফগানিস্তান যুদ্ধ

সংঘাতের মাঝে থাকা ডুরান্ড লাইন কী, কেন এ নিয়ে বিতর্ক?

  • 6:16 pm - February 27, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৩৫ বার
ডুরান্ড লাইন। ছবিঃ সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ২৭ ফেব্রুয়ারি- “এই প্রথমবার একটি স্পষ্ট সীমান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে কোনো ভুল বোঝাবুঝি না হয় এবং ব্রিটিশ অস্ত্রসস্ত্রের সাহায্যে আফগানিস্তান আরও শক্তিশালী ও মজবুত হয়ে ওঠে।”

ডুরান্ড লাইন প্রসঙ্গে প্রায় ১৩২ বছর আগে, ১৮৯৩ সালের ১৩ই নভেম্বর ঠিক এই কথাগুলোই বলেছিলেন আফগানিস্তানের তৎকালীন আমির আব্দুর রহমান খান। ব্রিটিশদের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ডুরান্ড লাইন চুক্তির প্রশংসা করে তিনি যখন এই মন্তব্য করছিলেন, ঠিক সেই মুহূর্তেই আফগান প্রভাবের বাইরে থাকা এক বিশাল অঞ্চলের সার্বভৌমত্বের অধিকার চিরতরে ত্যাগ করেছিলেন তিনি। বর্তমানে এই অঞ্চলটি পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া এবং বালুচিস্তান প্রদেশের অন্তর্গত।

সম্প্রতি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে শুরু হওয়া নতুন সংঘাতের আবহে দীর্ঘদিনের পুরনো এই ‘ডুরান্ড লাইন’ বিতর্ক আবারও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের শিরোনামে উঠে এসেছে।

সাম্প্রতিক সংঘাতের সূত্রপাত

চলতি মাসেই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষের সূচনা হয়। আফগানিস্তানের অভিযোগ, পাকিস্তান দীর্ঘ সময় ধরে তাদের সীমান্ত ও আকাশসীমা লঙ্ঘন করে আসছে। পাকিস্তান এর জবাবে কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার কথা স্বীকার করলেও, আকাশসীমা লঙ্ঘনের মূল অভিযোগগুলো পুরোপুরি অস্বীকার করেছে।

অন্যদিকে পাকিস্তানের দাবি, আফগানিস্তানের তালেবান সরকারকে নিষিদ্ধ ঘোষিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। সম্প্রতি কাবুলে পাকিস্তানের চালানো একটি হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে টিটিপি-কে দাবি করা হয়। এর কড়া জবাব দেয় আফগানিস্তানও; ডুরান্ড লাইনের কাছাকাছি অবস্থানরত পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীকে নিশানা করে তারা পাল্টা হামলা চালায়।

এই সংকট নিরসনে কাতারের দোহায় অনুষ্ঠিত পাকিস্তান-আফগানিস্তান বৈঠকে আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোল্লা ইয়াকুব ডুরান্ড লাইনকে একটি ‘কাল্পনিক রেখা’ বলে আখ্যা দেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, আফগানিস্তান কখনোই এই সীমান্ত মেনে নেয়নি এবং এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেবল আফগানদেরই রয়েছে। তার এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মূলত আফগানদের আপত্তির কারণে এই সীমান্ত রেখাটি দুই দেশের মধ্যে প্রধান সংঘাতের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যদিও ইতিহাসে অনেক আফগান শাসকই এই চুক্তিতে অনুমোদন দিয়েছিলেন।

ডুরান্ড লাইন কী

১৮৯৩ সালে ব্রিটিশ সরকার তৎকালীন ভারতের উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ সুসংহত করতে আফগানিস্তানের সঙ্গে প্রায় ২৬০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করে। তৎকালীন ব্রিটিশ-শাসিত ভারতের পররাষ্ট্র সচিব স্যার হেনরি মর্টিমার ডুরান্ডের নামানুসারে এই সীমানার নামকরণ করা হয় ‘ডুরান্ড লাইন’। তিনি আফগানিস্তানের আমির আব্দুর রহমান খানের সঙ্গে এই ঐতিহাসিক চুক্তিটি স্বাক্ষর করেছিলেন।

আজও সেই অমীমাংসিত সীমানা দুই দেশের মধ্যে রক্তপাত ও উত্তেজনার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভৌগোলিকভাবে ডুরান্ড লাইনের পশ্চিম প্রান্ত ইরানের সীমানার সঙ্গে এবং পূর্ব প্রান্ত চীনের সীমানার সঙ্গে মিলিত হয়েছে। এর একদিকে রয়েছে আফগানিস্তানের ১২টি প্রদেশ এবং অন্যদিকে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া, বালুচিস্তান এবং গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চল।

প্রখ্যাত বিশ্বকোষ ‘এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা’র তথ্যমতে, ঊনবিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে মধ্য এশিয়ায় আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যে ব্রিটিশ ও রাশিয়ান সাম্রাজ্যের মধ্যে যে লড়াই শুরু হয় (যা ইতিহাসে ‘গ্রেট গেম’ বা বৃহৎ খেলা নামে পরিচিত), তার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয় আফগানিস্তান। রাশিয়ার দক্ষিণমুখী আগ্রাসন ঠেকাতে ব্রিটেন ১৮৩৯ সালে আফগানিস্তান আক্রমণ করে।

১৮৪৯ সালে ব্রিটিশরা পাঞ্জাব দখল করে সিন্ধু নদীর পশ্চিম তীরের উপজাতি অধ্যুষিত অঞ্চলগুলো নিজেদের সীমানায় অন্তর্ভুক্ত করে। এই এলাকার প্রশাসন চালানো ব্রিটিশদের জন্য বেশ কষ্টসাধ্য ছিল। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ তখন দুটি মতে বিভক্ত ছিল— ‘স্ট্যাটিক স্কুল’ চেয়েছিল সিন্ধু নদীর দিকে ফিরে আসতে, আর ‘ফরোয়ার্ড স্কুল’ চেয়েছিল কাবুল ও কান্দাহারের দিকে অগ্রসর হতে। ১৮৭৮ সালের যুদ্ধে জয়লাভের পর ব্রিটিশরা আব্দুর রহমান খানকে নতুন আমির হিসেবে নিয়োগ দেয় এবং ১৮৭৯ সালের গন্দমাক চুক্তির মাধ্যমে আফগানিস্তানের বৈদেশিক নীতি ব্রিটিশদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। তবে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ব্রিটিশরা সৈন্য প্রত্যাহার করে। এরপর ১৮৯৩ সালে স্যার মর্টিমার ডুরান্ড এবং আব্দুর রহমানের মধ্যে আলোচনার পর মাত্র এক পৃষ্ঠা দীর্ঘ এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। পরবর্তীতে ১৮৯৪ থেকে ১৮৯৬ সাল পর্যন্ত যৌথ জরিপের মাধ্যমে সীমানাটি চূড়ান্ত করা হয়।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ । ছবিঃ সংগৃহীত

পর্দার আড়ালের গোপন ইতিহাস

ব্রিটিশ রাজকর্মচারী ওলাফ কারো তার লেখা ‘দ্য পাঠান’ বইয়ে আমির আব্দুর রহমান খানের একটি বাস্তববাদী কিন্তু দ্বিধাগ্রস্ত মনের চিত্র তুলে ধরেছেন। আমিরের নিজস্ব ভাষ্যমতে:

“স্যার মর্টিমার ডুরান্ড একজন মহান রাষ্ট্রনায়ক এবং ফার্সি ভাষার পণ্ডিত ছিলেন। প্রতিটি আলোচনার সম্পূর্ণ রেকর্ড রাখার জন্য, আমি আমার মীর মুন্সী সুলতান মোহাম্মদ খানকে একটি পর্দার আড়ালে বসানোর ব্যবস্থা করেছিলাম, যাতে আমি ছাড়া কেউ তার উপস্থিতি টের না পায়। তার কাজ ছিল ইংরেজি বা ফার্সিতে হওয়া সমস্ত কথোপকথন সংক্ষিপ্তভাবে নোট করা।”

সেই নথিতে আমিরের মতামতও লিপিবদ্ধ ছিল, যেখানে তিনি ওয়াজিরিস্তান, কুররাম, বাজৌর, সোয়াত, দির এবং চিত্রালের মতো অঞ্চলগুলোর ওপর থেকে নিজের অধিকার ত্যাগের কথা স্বীকার করেছিলেন। ওলাফ কারোর মতে, এই চুক্তিতে উভয় পক্ষই সন্তুষ্ট ছিল। তবে মজার বিষয় হলো, মূল চুক্তিতে ডুরান্ড লাইনকে ব্রিটিশ ভারতের ‘আন্তর্জাতিক সীমানা’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়নি, বরং এটি ছিল আমিরের ‘ক্ষমতার সীমানার পরিধি’, যার বাইরে তিনি কোনো হস্তক্ষেপ করবেন না।

রাওয়ালপিন্ডি চুক্তি এবং সীমানার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি

১৯০১ সালে আমির আব্দুর রহমানের মৃত্যুর পর ব্রিটিশ ও আফগান সম্পর্কের অবনতি ঘটে। ১৯১৯ সালে তৃতীয় অ্যাংলো-আফগান যুদ্ধ শুরু হয়, যার সমাপ্তি ঘটে ‘রাওয়ালপিন্ডি চুক্তি’র মাধ্যমে। এই চুক্তির ফলেই আফগানিস্তান তার বৈদেশিক নীতির নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায় এবং ডুরান্ড লাইনকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সঙ্গে একটি সরকারি সীমান্ত হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

আফগান প্রধানমন্ত্রী সর্দার মোহাম্মদ দাউদ ডুরান্ড লাইনের কট্টর বিরোধী ছিলেন। ছবিঃ সংগৃহীত

পরবর্তীতে ১৯২১ সালের কাবুল চুক্তি এবং ১৯৩০ সালের বিভিন্ন চুক্তিতেও উভয় পক্ষ এই সীমানাকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত হিসেবে মেনে নেয়। গবেষকদের মতে, ১৯২০ সালের পর আফগানিস্তান সম্পূর্ণ স্বাধীন একটি রাষ্ট্র ছিল এবং চাইলে তারা চুক্তিটি প্রত্যাখ্যান করতে পারত, কিন্তু তারা তা করেনি।

বিতর্কের সূত্রপাত ও পাকিস্তানের উত্তরাধিকার

১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের পর নবগঠিত পাকিস্তান উত্তরাধিকার সূত্রে এই ডুরান্ড চুক্তি লাভ করে। কিন্তু সমস্যা শুরু হয় যখন ‘পশতুনিস্তান’ নামে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সীমান্তের দুই দিকেই আন্দোলন মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে।

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান যখন জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে, আফগানিস্তানই ছিল একমাত্র দেশ যারা এর বিপক্ষে ভোট দিয়েছিল। আফগানিস্তান চুক্তিটিকে “ব্রিটিশদের চাপের ফল” এবং “সম্পূর্ণ বাতিল” বলে ঘোষণা করে।

তবে আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা ভিয়েনা কনভেনশনের (অনুচ্ছেদ ৬২) কথা উল্লেখ করে জানান, যখন কোনো নতুন দেশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে স্বাধীন হয়, তখন পূর্ববর্তী সমস্ত চুক্তি নতুন সরকারের কাছে স্থানান্তরিত হয়। ১৯৫০ সালে ব্রিটিশ কমনওয়েলথ সেক্রেটারি হাউস অফ কমন্সে স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন যে, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পাকিস্তানই এই সীমানার বৈধ উত্তরাধিকারী।

‘১০০ বছরের চুক্তি’র গুঞ্জন

আফগান নাগরিকদের মধ্যে একটি বহুল প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে, ডুরান্ড চুক্তিটি মাত্র ১০০ বছরের জন্য স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং ১৯৯৩ সালে এর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। তবে গবেষক ও আইন বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছেন যে, মূল চুক্তি বা পরবর্তী কোনো নথিতেই এ ধরনের কোনো সময়সীমার উল্লেখ নেই। এটি নিছকই একটি জল্পনা-কল্পনা।

তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ।ছবি: সংগৃহীত

সমাধানের সম্ভাবনা এবং ব্যর্থতা

ইতিহাস সাক্ষী দেয় যে, এই বিরোধ সমাধানের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছিল দুই দেশ। সত্তরের দশকে আফগান প্রেসিডেন্ট সর্দার মোহাম্মদ দাউদ এবং পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো ও পরবর্তীতে জেনারেল জিয়া-উল-হকের মধ্যে আলোচনা অনেক দূর গড়িয়েছিল। দাউদ এক পর্যায়ে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে তিনি ডুরান্ড লাইনকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত হিসেবে স্বীকৃতি দিতে পারেন।

কিন্তু ১৯৭৮ সালের ২৭শে এপ্রিল এক সামরিক অভ্যুত্থানে দাউদ ও তার পরিবার নিহত হওয়ার পর সব হিসাব পাল্টে যায়। এরপর ১৯৭৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের আফগানিস্তান আগ্রাসন পুরো অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক দৃশ্যপট চিরতরে বদলে দেয় এবং ডুরান্ড লাইনকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পাকিস্তানের মূল লক্ষ্যটি দাউদের মৃত্যুর সঙ্গেই সমাপ্ত হয়ে যায়। আজও সেই অমীমাংসিত সীমানা দুই দেশের মধ্যে রক্তপাত ও উত্তেজনার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সূত্রঃ বিবিসি বাংলা

এই শাখার আরও খবর

চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা

মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…

‘সমাজ সংস্কার’-এর নামে গ্রামে নোটিশ জারি গানবাজনা বন্ধের ঘোষণা

মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার একটি গ্রামে ‘সমাজ সংস্কার’-এর কথা বলে গানবাজনা ও বাদ্যযন্ত্র বাজানো নিষিদ্ধ ঘোষণা করে নোটিশ জারি করেছিল স্থানীয় একটি জামে…

আরব আমিরাতের বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের

মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। শনিবার দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)…

মুন্সীগঞ্জে হিন্দু নারী কবিরাজ হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, প্রতিবেশী মীর হোসেন গ্রেপ্তার

মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে হিন্দু নারী ও স্থানীয়ভাবে পরিচিত কবিরাজ রেখা রাণী রায় হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। দীর্ঘদিন…

ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফুল দিতে এসে গ্রেপ্তার ৪, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা

মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফুল দিতে এসে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন চারজন। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দিয়ে আদালতে…

এশিয়ান কাপ শেষে ইরানে ফেরা নিয়ে শঙ্কায় নারী ফুটবলাররা, অস্ট্রেলিয়ায় সুরক্ষার দাবি জোরালো

মেলবোর্ন, ৭ মার্চ: ২০২৬ নারী এশিয়ান কাপ খেলতে অস্ট্রেলিয়ায় থাকা ইরানের নারী ফুটবল দলকে ঘিরে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানবাধিকারকর্মী, ইরানি-অস্ট্রেলীয় কমিউনিটি এবং খেলোয়াড়দের অধিকার…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au