মহানবীকে কটূক্তির অভিযোগে হিন্দু যুবক গ্রেপ্তার
মেলবোর্ন, ২২ এপ্রিল- খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তির অভিযোগে শ্যামল গাইন (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার…
মেলবোর্ন ২৮ ফেব্রুয়ারি- নিউইয়র্কে কথিত এক দলবদ্ধ হামলার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি ঘিরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী ও প্রবাসী সাংবাদিক মনির হায়দারের নাম আলোচনায় এসেছে। তবে ভিডিওটির সত্যতা এবং এতে থাকা ব্যক্তির পরিচয় স্বতন্ত্রভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
শুক্রবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন লেখক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট অমি রহমান পিয়াল। পোস্টের ক্যাপশনে তিনি মনির হায়দারের নাম উল্লেখ করে মন্তব্য করেন। এরপর থেকেই ভিডিওটি দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি একটি ব্যক্তিগত গাড়ি ঘিরে উচ্চস্বরে কথা বলছেন। গাড়ির ভেতরে থাকা এক ব্যক্তির পোশাক ছেঁড়া অবস্থায় দেখা যায় এবং তাকে শারীরিকভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে বলে ধারণা পাওয়া যায়। তবে ভিডিওর দৃশ্য থেকে ঘটনাটির সময়, স্থান বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
মনির হায়দার বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। ৫ আগস্টের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় তাকে সচিবের পদমর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ঢাকায় সাংবাদিকতা করার সময় ২০০১ সালে বিএনপি সরকারের আমলে সিএনজি স্টেশন স্থাপনের জন্য তদবিরের মাধ্যমে রাজধানীর গাবতলী এলাকায় একটি জমি বরাদ্দ পান মনির হায়দার। পাশাপাশি বিশেষ কোটায় উত্তরায় একটি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার তথ্যও প্রকাশ্যে আসে।
এছাড়া এক-এগারোর সময় তিনি দুটি জুট মিলের শেয়ারহোল্ডার হিসেবে পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন বলে জানা যায়। পরে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে চলে গেলে ওই শেয়ার বিক্রি করে দেন পোশাক ব্যবসায়ী এস এম গ্রুপের আনোয়ারুজ্জামানের কাছে। আনোয়ারুজ্জামান ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপনের শ্বশুর।
শেখ হাসিনা সরকারের সময় শেষ হওয়ার পর প্রফেসর মোহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময়ে প্রশাসনে একটি প্রভাবশালী বলয় গড়ে তোলার অভিযোগও রয়েছে মনির হায়দারের বিরুদ্ধে। বিভিন্ন ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়া, সচিবসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ ও পদায়নে প্রভাব বিস্তার এবং আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত হলেও এসব অভিযোগের বিষয়ে তার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নিউইয়র্কের ভাইরাল ভিডিও এবং সংশ্লিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা চললেও যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au