নতুন সর্বোচ্চ নেতার নির্বাচন তেহরানে উদযাপনে হাজারো মানুষ
মেলবোর্ন, ১০ মার্চ- ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনি-র নিয়োগকে ঘিরে রাজধানী তেহরান-এ সমর্থকদের বড় সমাবেশ দেখা গেছে। নতুন নেতার প্রতি সমর্থন জানাতে হাজারো…
মেলবোর্ন, ৯ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর ১০ দিনের মাথায় ২৭ হাজার টনের বেশি ডিজেল নিয়ে একটি ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার সিঙ্গাপুর থেকে আসা ‘শিউ চি’ নামের ট্যাংকারটি ২৭ হাজার ২০৪ টন ডিজেল নিয়ে বন্দরের জলসীমায় প্রবেশ করেছে। জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ট্যাংকারটি বর্তমানে কুতুবদিয়া উপকূলে অবস্থান করছে।
চট্টগ্রাম বন্দর সূত্র জানিয়েছে, এক সপ্তাহের মধ্যে আরও চারটি ট্যাংকার বন্দরে পৌঁছাবে। এসব ট্যাংকারে মোট ১ লাখ ৪৭ হাজার ২০৫ টন পরিশোধিত ডিজেল রয়েছে। মূলত এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে এসব ডিজেল আমদানি করা হচ্ছে।
যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় দেশে আতঙ্কে কেনাকাটা বেড়েছে। এতে ডিজেলের চাহিদাও কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ পরিস্থিতিতে মজুত ঠিক রাখতে সরকার সরবরাহ কিছুটা কমিয়ে দিয়েছে।
শিপিং এজেন্ট সূত্রে জানা গেছে, আজ রাতেই সিঙ্গাপুর থেকে ‘লিয়ান হুয়ান হু’ নামের আরেকটি ট্যাংকার বন্দরের জলসীমায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এই ট্যাংকারে প্রায় ৩০ হাজার টন ডিজেল রয়েছে। এরপর আগামী বৃহস্পতিবার বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে ‘এসপিটি থেমিস’ নামের ট্যাংকারটির, যাতে রয়েছে ৩০ হাজার ৪৮৪ টন ডিজেল।
এ ছাড়া আগামী শনিবার বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে ‘র্যাফেলস সামুরাই’ নামের একটি ট্যাংকারের। একই সময় বন্দরে আসবে ‘চ্যাং হ্যাং হং টু’ নামের আরেকটি ট্যাংকার। এই দুটি ট্যাংকারে প্রায় ৩০ হাজার টন করে ডিজেল রয়েছে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী এক সপ্তাহের মধ্যে চারটি ট্যাংকার বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এই চারটি ট্যাংকারের স্থানীয় প্রতিনিধি প্রাইড শিপিং লাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ট্যাংকারগুলো বন্দরের জলসীমায় পৌঁছাবে। এরপর পর্যায়ক্রমে সেগুলো থেকে ডিজেল খালাসের কাজ শুরু হবে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন জানিয়েছে, দেশে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১২ হাজার টন ডিজেলের চাহিদা রয়েছে। সেই হিসাবে পাঁচটি ট্যাংকারে আসা ডিজেল দিয়ে প্রায় ১২ দিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। তবে গতকাল রোববার থেকে দৈনিক সরবরাহ কমিয়ে ৯ হাজার ২২ লিটার করে দেওয়া হচ্ছে। এতে এই ডিজেল দিয়ে প্রায় ১৬ দিনের চাহিদা মেটানো যাবে।
বর্তমানে দেশে মজুত থাকা ডিজেল দিয়ে আরও ১৬ থেকে ১৭ দিন সরবরাহ চালানো সম্ভব। অর্থাৎ বর্তমানে যে পরিমাণ ডিজেল মজুত রয়েছে এবং নতুন করে যে ডিজেল আসছে, তা মিলিয়ে প্রায় এক মাসের চাহিদা পূরণ করা যাবে। বিপিসির হিসাব অনুযায়ী, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৭০ শতাংশই ডিজেল। এই ডিজেলের বেশির ভাগই সরাসরি আমদানির মাধ্যমে মেটানো হয়।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে মোট ৯টি দেশ থেকে ২৩ লাখ ২৮ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হয়েছে। এর মধ্যে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ভারত থেকে এসেছে প্রায় ৭৮ শতাংশ ডিজেল। এ সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশ থেকে ডিজেল আমদানি করা হয়নি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au