জরুরি মজুত থেকে ৪০ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়বে আইইএ
মেলবোর্ন, ১৬ মার্চ- বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জরুরি মজুত থেকে ৪০ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)। সংস্থাটি জানিয়েছে, এই তেল বাজারে…
মেলবোর্ন, ১৬ মার্চ- সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ের পর পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়ে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভারের ম্যাচে ২৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত ২৭৯ রানে থেমে যায়। ফলে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নেয় মেহেদি হাসান মিরাজ-এর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল।
এই জয়ের মাধ্যমে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের ধারাও ধরে রাখল বাংলাদেশ। এর আগে ২০১৫ সালে দুই দলের সর্বশেষ দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজে পাকিস্তানকে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করেছিল টাইগাররা।
২৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি পাকিস্তানের। বাংলাদেশের পেসার তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানা শুরুতেই দারুণ বোলিং করে সফরকারীদের চাপে ফেলে দেন।
ইনিংসের প্রথম ওভারেই তাসকিন আহমেদের বলে ৬ রান করে আউট হন সাহিবজাদা ফারহান। পরের ওভারে মাজ সাদাকাত-কে (৬) ফেরান নাহিদ রানা। এরপর নিজের দ্বিতীয় ওভারে এসে তাসকিন আউট করেন পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান-কে (৪)। মাত্র ১৭ রানের মধ্যেই তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান।
এরপর দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন গাজি ঘুরি ও আব্দুল সামাদ। তবে তাদের জুটি বড় হয়নি। ৩৯ বলে ২৯ রান করে আউট হন গাজি ঘুরি এবং ৪৫ বলে ৩৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন আব্দুল সামাদ। একশ রানের আগেই পাঁচ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে পাকিস্তান।
দলের কঠিন সময়ে একাই লড়াই চালিয়ে যান সালমান আলি আগা। তাকে কিছুক্ষণ সঙ্গ দেন অভিষিক্ত ব্যাটার সাদ মাসুদ। দুজনে মিলে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। তবে ৩৮ রান করে সাদ মাসুদকে বোল্ড করেন বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। তাদের জুটি ভাঙে ৭৯ রানে।
এরপর ক্রিজে এসে কিছুটা সময় টিকে থাকার চেষ্টা করেন ফাহিম আশরাফ। কিন্তু ৯ রান করে তাকে বোল্ড করে ফেরান তাসকিন আহমেদ।
অন্য প্রান্তে লড়াই চালিয়ে যান সালমান আলি আগা। তিনি অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি-কে সঙ্গে নিয়ে পাকিস্তানকে জয়ের দিকে টেনে নিতে থাকেন। অর্ধশতকের পর দুর্দান্ত ব্যাটিং করে শতকও পূর্ণ করেন তিনি।
তবে শেষ পর্যন্ত তার ইনিংস থামিয়ে দেন তাসকিন আহমেদ। ১০৬ রান করে আউট হন সালমান আলি আগা। শেষদিকে শাহিন শাহ আফ্রিদি ৪৯তম ওভারে দুটি ছক্কা মেরে ম্যাচে উত্তেজনা ফিরিয়ে আনেন। শেষ পর্যন্ত ৩৭ রান করে আউট হন তিনি।
শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের ইনিংস থামে ২৭৯ রানে এবং বাংলাদেশ ১১ রানের জয় নিয়ে সিরিজ নিজেদের করে নেয়।
ম্যাচজুড়ে বাংলাদেশের পেসারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ছিল জয়ের মূল চাবিকাঠি। তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানা শুরুতেই পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান। পরে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখেন তারা।
এই জয়ের মধ্য দিয়ে দারুণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে সিরিজ শেষ করল বাংলাদেশ দল। রোমাঞ্চকর এই ম্যাচে দুই দলের লড়াই ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au