শেরপুর-৩ আসনেও বড় ব্যবধানে জিতলেন বিএনপি প্রার্থী
মেলবোর্ন, ১০ এপ্রিল- শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে শেরপুর জেলা…
মেলবোর্ন, ৯ এপ্রিল- ঢাকার কিছু নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে তিন দিন সশরীরে এবং তিন দিন অনলাইনে ক্লাস চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে শনিবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস কার্যক্রম চালুর বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর দনিয়া কলেজে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ এবং ইউনিসেফের যৌথ আয়োজনে এক অনুষ্ঠান শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী। একই দিন সেগুনবাগিচার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটেও এ বিষয়ে বিস্তারিত সময়সূচি তুলে ধরেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত নতুন ব্যবস্থায় সপ্তাহের ছয় দিনকে দুই ভাগে ভাগ করা হবে। এর মধ্যে শনিবার, সোমবার ও বুধবার শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সশরীরে বা অফলাইন ক্লাসে অংশ নেবে। অপরদিকে রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনের মাধ্যমে ক্লাস কার্যক্রম পরিচালিত হবে। অর্থাৎ সপ্তাহে সমানভাবে তিন দিন অনলাইন ও তিন দিন অফলাইন ক্লাস চলবে।
তিনি আরও জানান, এই পদ্ধতি আপাতত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে চালু করা হচ্ছে না। মূলত মহানগর ও মেট্রোপলিটন এলাকার যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি এবং শ্রেণিকক্ষে অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হয়, সেসব প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষামূলকভাবে এই ব্যবস্থা চালু করা হবে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরে ধাপে ধাপে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে এটি সম্প্রসারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই নতুন পদ্ধতির মাধ্যমে একদিকে যেমন শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর চাপ কমানো সম্ভব হবে, অন্যদিকে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের আরও বেশি সম্পৃক্ত করা যাবে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না, যাতে সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বা কোনো ধরনের ধস নামে।
অনলাইন ক্লাস পরিচালনার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের ভূমিকাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি জানান, শিক্ষকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থেকেই অনলাইন ক্লাস পরিচালনা করবেন। এ জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুবিধা, বিশেষ করে ইন্টারনেট সংযোগ, ওয়াইফাই সুবিধা এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হবে।
এ সময় শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সময়ের বাস্তবতায় প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ চাহিদা ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার কথা বিবেচনা করেই অনলাইন ও অফলাইন শিক্ষার সমন্বিত এই মডেল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অভিভাবক, শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মতামত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি বাস্তবায়নের সময় যেসব সমস্যা দেখা দেবে, সেগুলো সমাধানে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au