শরীর ম্যাসাজের কথা বলে রুমে ডেকে বলাৎকার, পালিয়ে বেরাচ্ছেন মাদ্রাসা শিক্ষক
রংপুরের কাউনিয়ায় একটি মাদ্রাসার এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের আবাসিক এক শিক্ষার্থীকে শরীর ম্যাসাজ করে দেওয়ার কথা বলে কক্ষে ডেকে নিয়ে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক…
মেলবোর্ন, ১০ এপ্রিল- লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় উপজেলা পরিষদ ভবনের সামনে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালের পরিবর্তন এনে সেখানে উপজেলার মানচিত্র আঁকার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিধান কান্তি হালদার নিজ উদ্যোগে এই পরিবর্তন করেছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও সূত্র জানায়, ম্যুরালের মূল কাঠামো, পিলার ও বাউন্ডারি আগের মতোই রাখা হয়েছে। তবে ম্যুরালের ভেতরের অংশে থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সরিয়ে সেখানে আদিতমারী উপজেলার মানচিত্র অঙ্কন করা হয়েছে।
প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট দুপুরে কিছু ব্যক্তি ওই ম্যুরালের একটি অংশ ভাঙচুর করে। এরপর দীর্ঘদিন এটি আংশিক ভাঙা অবস্থায় পড়ে ছিল। পরে সম্প্রতি ইউএনও উদ্যোগ নিয়ে ম্যুরালটি সংস্কারের অংশ হিসেবে এই পরিবর্তন করেন বলে জানা গেছে।
উপজেলা প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানান, এই কাজের জন্য আলাদা কোনো বিল বা সরকারি বরাদ্দ তৈরি করা হয়নি। মানচিত্র স্থাপনের ব্যয় কোথা থেকে এসেছে, সে বিষয়েও স্পষ্ট তথ্য নেই বলে তারা জানিয়েছেন।
এদিকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) আদিতমারী কার্যালয়ের প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল হক বলেন, ম্যুরালে এ ধরনের পরিবর্তনের বিষয়ে তাদের অফিসকে কিছুই জানানো হয়নি এবং কোনো ধরনের কারিগরি সহায়তাও নেওয়া হয়নি। তিনি আরও জানান, অর্থের উৎস বা ব্যয়ের পরিমাণ সম্পর্কেও তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।
অন্যদিকে ইউএনও বিধান কান্তি হালদার জানিয়েছেন, এই প্রকল্পে সরকারি মূল বাজেট থেকে কোনো অর্থ ব্যয় করা হয়নি। তার দাবি অনুযায়ী, উপজেলা প্রশাসনের নিজস্ব আয়-ব্যয়ের অর্থ ব্যবহার করা হয়েছে এবং পুরো কাজে প্রায় দুই লাখ টাকা খরচ হয়েছে।
তবে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের ভেতরেই ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া গেছে। একদিকে বলা হচ্ছে সরকারি অর্থ ব্যয় হয়নি, অন্যদিকে অর্থের উৎস ও অনুমোদন নিয়ে স্পষ্টতা নেই বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, দেশজুড়ে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ও ভাস্কর্য নির্মাণে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ ব্যয় হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রগুলো উল্লেখ করে। বড় আকারের ম্যুরালের ক্ষেত্রে ব্যয় কয়েক কোটি টাকা পর্যন্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au