মেলবোর্ন, ১১ এপ্রিল- বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া দল আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করে বিএনপি সরকারের সাম্প্রতিক পাস করা আইনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পরিসরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
সমালোচকরা বলছেন, এই আইন কেবল একটি রাজনৈতিক দলকে লক্ষ্য করে নয়, বরং দেশের গণতান্ত্রিক চর্চা, রাজনৈতিক বহুমত এবং জনগণের মৌলিক অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত। এই সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রকে একদলীয় এবং স্বৈরতান্ত্রিক ধারায় চালিত করবে।
অবৈধ আইন করে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞার তীব্র প্রতিবাদ ও সমালোচনা করে ১০১ জন সাংবাদিক এক যৌথ বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
তাঁরা বলেছেন, এমন পদক্ষেপ গণতান্ত্রিক চর্চা ও রাজনৈতিক সহনশীলতার জন্য গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করে। তাঁদের মতে, রাজনৈতিক বিরোধ নিষ্পত্তির পথ কখনোই প্রশাসনিক বা আইনগত নিষেধাজ্ঞা হতে পারে না।
বিবৃতিতে বলা হয়, প্রথমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে এবং পরবর্তীতে বর্তমান সরকারের উদ্যোগে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও উদ্বেগজনক ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গণমাধ্যমে এই যৌথ বিবৃতিটি পাঠান নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের সদস্য সচিব শেখ জামাল।
সাংবাদিকরা তাঁদের বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক বহুত্ববাদ এবং জনগণের স্বাধীনভাবে মতামত গঠনের অধিকার। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিভিন্ন মত, পথ ও রাজনৈতিক আদর্শের সহাবস্থানই স্বাভাবিক। সেখানে কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হলে তা কেবল একটি দলকে সীমাবদ্ধ করে না, বরং সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিসরকে সংকুচিত করে ফেলে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।ছবিঃ সংগৃহীত
তাঁদের মতে, রাজনৈতিক মতবিরোধ বা বিরোধপূর্ণ পরিস্থিতির সমাধান কখনোই প্রশাসনিক নির্দেশনা বা আইন প্রয়োগের মাধ্যমে হওয়া উচিত নয়। বরং এসব সমস্যা সমাধান করতে হবে রাজনৈতিক সংলাপ, পারস্পরিক সহনশীলতা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। একটি দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয় না, বরং এতে রাজনৈতিক বিভাজন, অসহিষ্ণুতা এবং অস্থিরতা আরও বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ ধরনের সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতের জন্য একটি নেতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে, যা পরবর্তীতে অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষেত্রেও প্রয়োগের ঝুঁকি সৃষ্টি করবে। এতে দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে আস্থাহীনতা তৈরি হতে পারে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।
১০১ জন সাংবাদিক সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আইনের শাসন এবং মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহনশীল রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের রাজনৈতিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।
একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, মানবাধিকার সংস্থা এবং সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিও আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে তারা বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে এবং গণতান্ত্রিক অধিকার সংরক্ষণে গঠনমূলক ভূমিকা রাখে।
বিবৃতির শেষাংশে সাংবাদিকরা বলেন, গণতন্ত্র কখনো সংকীর্ণ বা সীমাবদ্ধ হতে পারে না। এটি হতে হবে সবার জন্য উন্মুক্ত, সহনশীল এবং ন্যায়ভিত্তিক। একটি সুস্থ গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনের জন্য সকল মত ও পথের সহাবস্থান নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি।
বিবৃতিতে সাক্ষরকারী প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক মনা সাংবাদিকবৃন্দ (জ্যেষ্ঠতার ক্রমানুসারে নয়):
১, মোল্লা জালাল, সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন
২, সৈয়দ বদরুল আহসান, সিনিয়র সাংবাদিক
৩, ফরিদা ইয়াসমিন, সাবেক সভাপতি, জাতীয় প্রেস ক্লাব
৪, মঞ্জরুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক
৫, সৈয়দ বোরহান কবীর, প্রধান সম্পাদক, বাংলা ইনসাইডার
৬, শাবান মাহমুদ, সাবেক মহাসচিব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন
৭, আবু জাফর সূর্য, সাবেক সভাপতি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন
৮, সোহেল হায়দার চৌধুরী, সভাপতি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন
৯, মোহিদুল ইসলাম রাজু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি
১০, সাজ্জাদ হোসেন সবুজ, সাবেক প্রেস মিনিস্টার
১১, আশরাফ আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় প্রেস ক্লাব
১২, অমিয় ঘটক পুলক, সাবেক যুগ্ম মহাসচিব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন
১৩, আকতার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন
১৪, শরীফ শাহাব উদ্দিন, সাবেক সম্পাদক, বাংলাদেশ পোস্ট
১৫, রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, সভাপতি, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন
১৬, ইবতেসাম নাসিম মৌ, সিনিয়র সাংবাদিক
১৭, রাশেদুল ইসলাম বিপ্লব, সভাপতি, সাংবাদিক ইউনিয়ন কুষ্টিয়া
১৮, সাইদুজ্জামান সম্রাট, সভাপতি, খুুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন
১৯, জে এম রউফ, সভাপতি, বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়ন
২০, আতাউর রহমান, সভাপতি, গাজীপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন
২১, দস্তগীর জাহাঙ্গীর, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাংবাদিক
২২, মাসুুদা ভাট্টি, সিনিয়র সাংবাদিক
২৩, মানিক লাল ঘোষ, সাবেক সহ সভাপতি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন
২৪, খায়রুল আলম, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন
২৫, তৈমুর ফারুক তুষার, সম্পাদক, বেঙ্গল নিউজ২৪ ডটকম
২৬, শেখ জামাল, সাবেক সম্পাদক, দৈনিক মুখপাত্র ও সদস্য সচিব, নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্ট
২৭, সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল, কানাডা প্রবাসী সাংবাদিক
২৮, খন্দকার ইসমাইল, কানাডা প্রবাসী সাংবাদিক
২৯, ফাল্গুনী দত্ত, সিনিয়র সাংবাদিক, একুশে টিভি
৩০, সানজিদ আহমেদ, কানাডা প্রবাসী সাংবাদিক
৩১, আপেল মাহমুদ, সিনিয়র সাংবাদিক, টিবিএন২৪
৩২, মোহাম্মদ শামীম, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাংবাদিক
৩৩, রুহুল আমিন তুহিন, সিনিয়র সাংবাদিক
৩৪, গোলাম মুজতবা ধ্রুব, সাংগঠনিক সম্পাদক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন
৩৫, জাকির হোসেন ইমন, সাবেক সভাপতি, ঢাকা সাব-এডিটর কাউন্সিল
৩৬, একেএম ওবায়দুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা সাব-এডিটর কাউন্সিল
৩৭, সিদ্দিকুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম
৩৮, সাজেদা পারভীন, সাবেক সহ সভাপতি, বিএসআরএফ
৩৯, তৌফিক মারুফ, সিনিয়র সাংবাদিক ও বিশ্লেষক
৪০, শামীমা আক্তার দোলা, সিনিয়র সাংবাদিক
৪১, মাহবুব হাসান, সিনিয়র সাংবাদিক
৪২, সিরাজুজ্জামান, কানাডা প্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক
৪৩, মুহাম্মদ মামুন শেখ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন
৪৪, সোহেলী চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন
৪৫, জান্নাতুল ফেরদৌস চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন
৪৬, সুমি খান, সাবেক নারী বিষয়ক সম্পাদক, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি
৪৭, শহিদুল হক জীবন, সাধারণ সম্পাদক, টেলিভিশন ক্যামেরা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন
৪৮, শামীমা আক্তার, সাবেক সভাপতি, ল রিপোর্টার্স ফোরাম
৪৯, সৈয়দ নুর-ই আলম, সিনিয়র সাংবাদিক, নিউ লাইভ ইন আজারবাইজান
৫০, সাবিরা ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক
৫১, রফিকুল ইসলাম পিন্টু, সিনিয়র সাংবাদিক
৫২, হামিদ মোহাম্মদ জসিম, সদস্য সচিব, স্বাধীনতা সাংবাদিক পরিষদ
৫৩, শহিদুল হাসান খোকন, সিনিয়র ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক
৫৪, রেজাউল করিম রেজা, সাবেক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন
৫৫, বাণী ইয়াসমিন হাসি, সম্পাদক, বিবার্তা২৪ ডটনেট
৫৬, এফ এম শাহীন, প্রধন সম্পাদক, জাগরণ টিভি
৫৭, এস এম সাইফ আলী, সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন
৫৮, রাজু হামিদ, সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন
৫৯, হায়দার হোসেন, সম্পাদক, মুকসুদপুর সংবাদ
৬০, হাকিকুল ইসলাম খোকন, সভাপতি, আমেরিকান প্রেস ক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন
৬১, সাজেদা হক, কার্যনির্বাহী সদস্য, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন
৬২, জোবায়ের রহমান চৌধুরী, সাবেক জনকল্যাণ সম্পাদক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন
৬৩, হালিমা আক্তার, সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন
৬৪, মোঃ কামরুল ইসলাম, সম্পাদক, নিউজ ফর জাস্টিস
৬৫, ইকবাল জাফর, জয়েন্ট নিউজ এডিটর, বিজনেস ইনসাইডার বাংলাদেশ
৬৬, ইমরান হাসান টুটুল, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, যশোর সাংবাদিক ইউনিয়ন
৬৭, প্রদীপ কুমার চৌধুরী, সিনিয়র সাংবাদিক
৬৮, জুনায়েদ শাহরিয়ার, সিনিয়র সাংবাদিক
৬৯, মাইনুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক
৭০, মুশফিকুর রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক
৭১, ড. প্রদীপ রায়, সম্পাদক, ওটিএন বাংলা, মেলবোর্ন অস্ট্রেলিয়া
৭২, শতদল তালুকদার, রিপোর্টার, ওটিএন বাংলা, সিডনি অস্ট্রেলিয়া
৭৩, সুরঞ্জিত বিশ্বাস সুমন, রিপোর্টার, ওটিএন বাংলা, ডারউইন অস্ট্রেলিয়া
৭৪, ঝর্না মনি, সাবেক নারী বিষয়ক সম্পাদক, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি
৭৫, আজহার মাহমুদ, সিনিয়র সাংবাদিক
৭৬, শহীদ রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক, ঢাকা সাব-এডিটর কাউন্সিল
৭৭, হাসনাত শাহীন , সিনিয়র সাংবাদিক
৭৮, ইশ্রাফিল হাওলাদার, সম্পাদক, ইবাংলা.প্রেস
৭৯, শেখ কলিমউল্যাহ নয়ন, সিনিয়র সাংবাদিক
৭০, মাজেদুল ইসলাম পাপেল, বিটিভির সাবেক সিনিয়র রিপোর্টার
৭১, আসাদুজ্জামান আজম, নির্বাহী সম্পাদক, দেশপক্ষ
৭২, ওয়ারেসুন্নবী খন্দকার, সিনিয়র সাংবাদিক
৭৩, রুবেল হাসান, সিনিয়র ভিডিও সাংবাদিক, যমুনা টেলিভিশন
৭৪, রমজান আলী, সিনিয়র সাংবাদিক
৭৫, রহিমা খানম, সিনিয়র সাংবাদিক
৭৬, এনামুল হক মনি, সিনিয়র সাংবাদিক
৭৭, নাছির উদ্দিন চৌধুরী, সিনিয়র রিপোর্টার, দৈনিক আজকের বিজনেস বাংলাদেশ
৭৮, মো: রিয়াজ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব, ইতালি
৭৯, ইমরানুল আজিম চৌধুরী, সিনিয়র সাংবাদিক
৮০, গাজী শাহ রিয়াজ, সাবেক সহ সভাপতি, বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি
৮১, ইসরাফিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক, টেলিভিশন প্রোডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন
৮২, উৎপল দাস, সিনিয়র সাংবাদিক
৮৩, আসাদুজ্জামান আসাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ঠাকুরগাঁও রিপোর্টার্স ইউনিটি
৮৪, ওয়াহিদুর রহমান রুবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক, কক্সবাজার রিপোর্টার্স ইউনিটি
৮৫, গাজী তুষার আহমেদ, সিনিয়র সাংবাদিক
৮৬, সফিউর রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক
৮৭, ফারজানা শোভা, সিনিয়র সাংবাদিক, একুশে টিভি
৮৯, এসকে রেজা পারভেজ, সাবেক চিফ রিপোর্টার, রাইজিংবিডি.কম
৯০, অহিদুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক
৯১, নাজমুল হাসান রাজ, সিনিয়র সাংবাদিক, ভয়েস অব সিডনি
৯২, এস এম কামরুজ্জামান সাগর, সিনিয়র সাংবাদিক
৯৩, মিজানুর রহমান অপু, সিনিয়র সাংবাদিক
৯৪, শফিকুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক
৯৫, মুক্তা মনোয়ার, সিনিয়র সাংবাদিক
৯৬, সাজু লস্কর, চিফ রিপোর্টার, দোয়েল টিভি কানাডা
৯৭, কামরুল আই রাসেল, প্রতিবেদক৷ চ্যানেল এস যুক্তরাজ্য
৯৮, হাসনাত কামাল, সম্পাদক, আইনিউজ
৯৯, আজিজুল আম্বিয়া, দৈনিক জয়বাংলা পত্রিকা
১০০, তওহিদ ফিতরার, লেখক ও কলামিস্ট
১০১, মতিয়ার চৌধুরী, যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাংবাদিক
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ‘কোনো ব্যক্তি বা সত্তাকে নিষিদ্ধ ও তাদের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধের’ সুযোগ রেখে অধ্যাদেশ জারি হয়। সেই অধ্যাদেশই বিএনপি সরকার ‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ হিসেবে জাতীয় সংসদে পাস করেছে।
২০২৫ সালের ১১ই মে ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯’ সংশোধন করে ওই অধ্যাদেশ জারির পরদিনই আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনগুলোর সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার সেই অধ্যাদেশটি বিল আকারে সংসদে পাস করেছে। পাস হওয়া বিলটিতে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর করার পর তা গেজেটের মাধ্যমে আইনে পরিণত হবে।