বাংলাদেশ

ড. ইউনূস সরকারের হটকারী ও অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত

২০ মাস বেতন পান না ১৭২ স্বাস্থ্যকর্মী, বিঘ্নিত বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের সেবা

  • 2:41 am - April 12, 2026
  • পঠিত হয়েছে:২৬২ বার
শিশু বিকাশ কেন্দ্রে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের সেবা দিচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। ছবি: ওটিএন বাংলা

মেলবোর্ন, ১২ এপ্রিল- বাংলাদেশে নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার, স্নায়ুবিক দুর্বলতা ও বিকাশজনিত সমস্যায় আক্রান্ত শিশুদের বিশেষায়িত সেবা দিতে বিভিন্ন হাসপাতালে গড়ে ওঠা ‘শিশু বিকাশ কেন্দ্র’- এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গত প্রায় ২০ মাস ধরে বিনা বেতনে কাজ করে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

যেসব মানুষের হাত ধরে প্রতিদিন শত শত বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখে, সেই মানুষগুলোর জীবন আজ যেন চরম এক অনিশ্চয়তা ও অন্ধকারে নিমজ্জিত। তাদের একদিকে পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে তীব্র হতাশা, অন্যদিকে শিশুদের প্রতি মমতা ও পেশাগত দায়বদ্ধতা- এই দুইয়ের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছেন স্বাস্থ্যসেবার এই নিবেদিতপ্রাণ কর্মীরা।

যেভাবে সেবা শুরু
২০০৮ সাল থেকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অধীনে এই সেবার শুরু হয়। এটি মূলত  স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টর (HPNSP) কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত ‘হসপিটাল সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট (HSM)’ শীর্ষক অপারেশন প্ল্যানের আওতায় সেকেন্ডারি ও টারশিয়ারী লেভেল হাসপাতালগুলোতে ‘শিশু বিকাশ কেন্দ্র স্থাপন’ একটি চলমান প্রকল্প।

২০০৯ সালের আগষ্ট মাসে সর্বপ্রথম দেশের ৫টি টারশিয়ারী লেভেল হাসপাতালে এই প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে ২০১০ এবং ২০১৪ সালে বিভাগীয় পর্যায়সহ আরো ১০টি হাসপাতালে ‘শিশু বিকাশ কেন্দ্র’ স্থাপিত হয়। চাহিদা বাড়তে থাকায় ২০২১ সালে নতুন আরো ২০টি কেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু হয়। সব মিলেয়ে এই প্রকল্পের অধীনে ২৪টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ১১টি জেলা সদর হাসপাতালে ‘শিশু বিকাশ কেন্দ্র’ স্থাপন করা হয়।

লোকবল
দেশের বিভিন্ন প্রান্তের গুরুত্বপূর্ণ মেডিকেল কলেজ এবং সদর হাসপাতালগুলোতে অবস্থিত এ সকল কেন্দ্রে বর্তমানে ১৭২ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিরলসভাবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সেবাপ্রদান করে যাচ্ছেন। প্রতিটি কেন্দ্রে শিশু স্বাস্থ্য চিকিৎসক, শিশু মনোবিজ্ঞানী এবং ডেভেলপমেন্টাল থেরাপিস্টের সমন্বয়ে একটি করে বিশেষজ্ঞ দল শূন্য থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের বিকাশগত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা প্রদান করে থাকে।

বিকাশজনিত সমস্যায় আক্রান্ত, পিছিয়ে পড়া, এবং বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুরা সরকার নির্ধারিত নামমাত্র ১০ টাকা টিকিট মূল্যে নিজ জেলায় বসে স্বল্পসময়ে, একই স্থানে, বহুমাত্রিক, এবং সর্বাধুনিক চিকিৎসা সেবা নেওয়ার সুযোগ পায়।

বিশেষ শিশুদের বিরাট সুযোগ
বিকাশজনিত সমস্যায় আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে নিয়মিত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া গেলে তাদের প্রতিবন্ধীতা প্রতিরোধ, সমস্যা হ্রাস, কাজকর্ম ও দৈনন্দিন জীবনযাপনে শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা তৈরি করা সম্ভব হয়। যার সুফল তারা আজীবন পেয়ে থাকে। তাই, পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি একটি মহৎ মানবিক দায়িত্ব হিসেবেও শিশু বিকাশ কেন্দ্রের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নিয়মিত এ সেবাগুলো প্রদান করে যাচ্ছেন।

শিশু বিকাশ সহযোগী হিসেবে এ কেন্দ্রগুলো উল্লেখযোগ্য জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে এবং এসডিজির সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা এবং জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। বিকাশজনিত সমস্যায় আক্রান্ত, বিকাশ বিলম্বিত, ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জীবনমান উন্নয়ন, তাদের স্বাবলম্বী করে তোলা এবং সমাজে তাদের সম্মানজনক স্থান নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এ কেন্দ্রগুলোতে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবদান অপরিসীম।

শিশু বিকাশ কেন্দ্রে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুর সঙ্গে একজন স্বাস্থ্যকর্মী। ছবি: ওটিএন বাংলা

হটকারী ও অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত
শিশু বিকাশ কেন্দ্রগুলোতে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের এমন অভূতপূর্ব মানবিক বিপর্যয়ের মূল কারণ মূলত অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি হটকারী ও অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত। প্রথা অনুযায়ী প্রতিটি সেক্টর কর্মসূচির শেষে কর্মরত দক্ষ জনবলকে পরবর্তী কর্মসূচিতে স্থানান্তর (ক্যারিড ওভার) করা হয়। কিন্তু ৪র্থ সেক্টর কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর অর্থ বিভাগের পদ ও জনবল নির্ধারণ সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির এক সভায় হঠাৎ করেই স্বাস্থ্য খাতের কর্মরত দক্ষ ও বিশেষায়িত সেবার সাথে জড়িত কারিগরি জনবলকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

শুধু তাই নয়, এর পরিবর্তে নতুন করে সেবা সম্পূর্ণ আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে সংগ্রহের মতো অমানবিক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অথচ এই জনবল অত্যন্ত দক্ষ এবং তাদের কাজ সরাসরি বিশেষায়িত সেবার সাথে জড়িত, যা আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে বিঘ্নিত হওয়ার প্রবল ঝুঁকি থাকে।

আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রিতা
পরবর্তীতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ক্রমাগত চাপে এবং স্বাস্থ্য খাতের অত্যাবশ্যকীয় কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি এড়াতে অর্থ বিভাগ এই কর্মীদের ১৬ মাসের বকেয়া বেতন-ভাতার একটি বিস্তারিত হিসাব বিবরণী পাঠানোর নির্দেশ দেয়। দাপ্তরিক নথিপত্রে এই বকেয়া ১৬ মাসের কথা বলা হলেও, আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রিতায় বাস্তবের নিরিখে তা বর্তমানে ২০ মাসে গড়িয়েছে। কিন্তু প্রাপ্য বেতন এখনো শুধু কাগজে কলমে বাস্তবতা ভিন্ন।

১৭২ নিবেদিতপ্রাণ কর্মী
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, বেতন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে এর সঙ্গে জড়িত সকল মন্ত্রণালয়ের ঐকমত্য প্রয়োজন। সারা দেশের ৩৫টি মেডিকেল কলেজ ও সদর হাসপাতালে পরিচালিত শিশু বিকাশ কেন্দ্রগুলোতে বর্তমানে ১৭২ জন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী কাজ করছেন।

শিশু স্বাস্থ্য চিকিৎসক, শিশু মনোবিজ্ঞানী এবং ডেভেলপমেন্টাল থেরাপিস্টদের সমন্বয়ে গঠিত এই বিশেষজ্ঞ দলগুলো সরকার নির্ধারিত মাত্র ১০ টাকা টিকিট মূল্যে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশুদের বহুমাত্রিক ও সর্বাধুনিক চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন। অথচ এই উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ মানুষগুলোর নিজেদের জীবনেই এখন ঘোর অমানিশা। টানা দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে বেতন না পাওয়ায় তাদের অনেকেই আজ ঋণের দায়ে জর্জরিত।

বাসা ভাড়া, সন্তানদের পড়াশোনার খরচ কিংবা বয়স্ক মা-বাবার ন্যূনতম চিকিৎসা করানোর সামর্থ্যও তাদের নেই। আর্থিক দুশ্চিন্তা ও চরম মানসিক চাপে সম্প্রতি একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী স্ট্রোক করে মৃত্যুবরণ করেছেন। যিনি অর্থাভাবে নিজের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাওটুকুও করাতে পারেননি।

বঞ্চনার শিকার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম
এই চরম বঞ্চনা ও অবহেলার প্রভাব শুধু কর্মীদের ব্যক্তিগত জীবনেই পড়ছে না, সুদূরপ্রসারী ও ভয়াবহ নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর। এই কেন্দ্রগুলো দরিদ্র ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য আক্ষরিক অর্থেই শেষ আশ্রয়স্থল। মাসের পর মাস বেতনহীন অবস্থায় থেকে যদি এই দক্ষ কর্মীরা বাধ্য হয়ে কাজ ছেড়ে দেন- তবে এই বিশেষায়িত সেবা কাঠামোটি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়বে। সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় থেরাপি ও ইন্টারভেনশন না পেলে বিকাশ বিলম্বিত এই শিশুদের সাময়িক সমস্যাগুলো একসময় স্থায়ী প্রতিবন্ধিতায় রূপ নেবে।

এর ফলে একটি বিপুল সংখ্যক শিশু আজীবন পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে। যা দেশের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচনের পথে এক বিশাল অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে। এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার রাষ্ট্রের রয়েছে, তা এই একটি সিদ্ধান্তের কারণে চরমভাবে মুখ থুবড়ে পড়বে।

শিশু বিকাশ কেন্দ্রের স্বাস্থ্যকর্মীরা। ছবি: ওটিএন বাংলা

স্থায়ী সমাধান জরুরি
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সমস্যার একটি স্থায়ী, সম্মানজনক ও দ্রুত আইনি সমাধান প্রয়োজন। স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনেও উন্নয়ন খাতের কর্মচারীদের অবিলম্বে রাজস্বখাতে আত্মীকরণ করার এবং ভবিষ্যতে সকল নবসৃষ্ট পদ সূচনা থেকেই রাজস্বখাতে সৃষ্টি করার সুস্পষ্ট প্রস্তাবনা ও সুপারিশ করা হয়েছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পে অর্থ বিভাগ পূর্বের জনবলকে আউটসোর্সিংয়ের পরিবর্তে ক্যারিড ওভার হিসেবে সম্মতি দিলেও, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের সাথে এই দ্বৈত নীতি ও বৈষম্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তারা বলছেন, রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের এখনই অনুধাবন করতে হবে, শিশু বিকাশ কেন্দ্রের কর্মীরা শুধু চাকরি করছেন না- তারা একটি সুস্থ ও সক্ষম ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার কারিগর। তাদের ২০ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ করে রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমেই কেবল এই মানবিক সংকট অবসান হবে। না হলে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার বেড়াজালে একটি সম্ভাবনাময় জনস্বাস্থ্য সেবা চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।

কী বলছেন বেতনহীন কর্মীরা
শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চাইল্ড সাইকোলজিস্ট বিধান সরকার ওটিএন বাংলাকে বলেন, ‘গত প্রায় দুই বছর সরকারের সিদ্ধান্তহীনতায় সেক্টর প্রোগ্রাম বন্ধ থাকায় শিশু বিকাশ কেন্দ্রের চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হয়েছে। এতে অনেক শিশুর মধ্যে প্রতিবন্ধীতার মাত্রা অনেক বেশি হবে। আরও বিভিন্ন কারণে বেশি পরিমাণে শিশুর মধ্যে প্রতিবন্ধী তৈরি হবে।’

তিনি আরও বলেন, “এই যে শিশুদের চিকিৎসা ব্যাহত হওয়া এবং প্রতিবন্ধীতা বেড়ে যাওয়া এটা এসডিজির লক্ষ্যের সাথে সাংঘর্ষিক। এটা সত্যিই দুঃখজনক, সিদ্ধান্তহীনতার জন্য এই ধরনের একটা গুরুত্বপূর্ণ সেবা ব্যাহত হচ্ছে। যা জাতির ভবিষ্যৎকে প্রতিবন্ধীতার দিকে এগিয়ে নিচ্ছে।”

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অফিস ম্যানেজার মোহাম্মদ আবুল হাসান বলেন, ‘গত ১৫ বছর ধরে শিশু বিকাশ কেন্দ্র দেশের লাখ লাখ শিশুকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, সেইসব শিশুর জীবন রক্ষায় সেবা দেওয়া ব্যক্তিরাই আজ বহু মাস ধরে বেতন ছাড়া।’

নার্গিস পারভীন তিনি কাজ করেন শহীদ এম, মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অফিস ক্লিনার হিসেবে। তিনি জানান, ৯ বছর ধরে এই সেন্টারে কাজ করছেন। কিন্তু গত ২০ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না। চাকরি আছে কি নাই- সেটাও কেউ বলতে পারছে না।

“আমার সংসারে রোজগারের আর কেউ নাই। আমার স্বামী মারা গেছে কয়েক বছর আগে। দুইটা ছোট ছোট বাচ্ছা। তাদের লেখাপড়ার খরচ, আমার স্ট্রোক করা অসুস্থ মায়ের ওষুধের খরচ, বাসা ভাড়া- সবই নিয়ম মত দিতে হচ্ছে। কিন্তু যেখানে কাজ করি সেখান থেকে কোনো বেতন পাাই না।”

শিশু বিকাশ কেন্দ্রে সেবা দিচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। ছবি: ওটিএন বাংলা

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডেভলপমেন্টাল থেরাপিস্ট পারুল আক্তার ওটিএন বাংলাকে বলেন, ‘আমাদের জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই। সিলেট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আমাদের একজন সহকর্মী বেতন না পেয়ে শুধুমাত্র টাকার অভাবে বিনাচিকিৎসা মারা গেলেন।’

তার প্রত্যাশা, সরকার দ্রুত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে তাদের অনিশ্চিত জীবনে স্বস্তি ফেরাবে।

এই শাখার আরও খবর

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের সমালোচনা অ্যামনেস্টির, ন্যায়বিচারে স্বচ্ছতার আহ্বান

মেলবোর্ন, ১২ এপ্রিল-  রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডে সাবেক দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি…

হরমুজ প্রণালি শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে- ট্রাম্প

মেলবোর্ন, ১২ এপ্রিল-  মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে হরমুজ প্রণালি শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে…

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলবে বাংলাদেশ, সাকিব-মাশরাফির জন্য দরজা খোলা

মেলবোর্ন, ১২ এপ্রিল- সাবেক ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণে আয়োজিত ‘ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডস’-এর তৃতীয় আসরে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ‘বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স’ নামে এই টুর্নামেন্টে অংশ নেবে দেশের সাবেক…

পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আড়াই ঘণ্টার প্রথম দফার আলোচনা শেষ

মেলবোর্ন, ১২ এপ্রিল- পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ-এ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বহুল আলোচিত শান্তি সংলাপের প্রথম দফা আলোচনা শেষ হয়েছে। আড়াই ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী…

ভারত থেকে এলো ১১৬ টন গম

মেলবোর্ন, ১২ এপ্রিল- দেশের খাদ্য চাহিদা পূরণে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে গম আমদানি অব্যাহত রয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) তিনটি ট্রাকে করে মোট ১১৬…

২৮ দিনে ১৬৯ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত প্রায় ১৯ হাজার

মেলবোর্ন, ১২ এপ্রিল-দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র ২৮ দিনে নিশ্চিত ও উপসর্গ নিয়ে মোট ১৬৯ শিশুর…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au