বাংলাদেশ

সম্পাদকীয়: 

আওয়ামী লীগকে নিষ্ক্রিয় করে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কোথায়?

  • 1:44 pm - April 12, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৪০ বার
ছবি: সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ১২ এপ্রিল- বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বহু সংকট এসেছে, বহু দ্বন্দ্ব-সংঘাত হয়েছে। কিন্তু একটি ঐতিহ্যবাহী, বৃহৎ ও ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দলকে কার্যত নিষ্ক্রিয় করে দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত যে নামেই তাকে ডাকা হোক, একটি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য আরেকটি অশনিসংকেত।

এই বাস্তবতাকে বোঝার জন্য ইতিহাসের দিকে তাকানো জরুরি।

আওয়ামী মুসলিম লীগ একটি রাজনৈতিক দল যা ব্রিটিশ ভারত বিভক্তিক্রমে পাকিস্তান জন্মের দুই বৎসর পর প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৪৯ সালের ২৩শে জুন বিকালে ঢাকার কেএম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে গঠিত হয় নতুন একটি রাজনৈতিক দল। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর প্রস্তাব অনুযায়ী সেই দলের নামকরণ করা হয় ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’। সেই সঙ্গে পুরো পাকিস্তানের ক্ষেত্রে সংগঠনের নাম রাখা হয় ‘নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’, যার সভাপতি হন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

মুসলিম লীগেরই একটি অংশ নিয়ে হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী, আবদুল হামিদ খান ভাসানী, শামসুল হক, শেখ মুজিবুর রহমান, শওকত আলী প্রমুখ এই রাজনৈতিক দলটি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বিজয়ের পর ১৯৫৫ আওয়ামী মুসলিম লীগে যে কাউন্সিল হয়, সেখানে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেয়া হয়। ফলে অমুসলিমরাও এই দলে যোগ দেয়ার সুযোগ পান।

পূর্ব পাকিস্তান শব্দ দুইটি বাদ পড়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় থেকে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে স্বাধীনতা ঘোষণা করার পর থেকে প্রবাসী সরকারের সব কাগজপত্রে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নাম ব্যবহার হতে শুরু করে।

সাম্প্রতিক সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনের মাধ্যমে কোনো রাজনৈতিক দলের ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ’ করার যে বিধান যুক্ত করা হয়েছে, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গভীর উদ্বেগজনক ও প্রশ্নবিদ্ধ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। অথচ বর্তমান তারেক রহমান এর নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দলটি বহুদলীয় গণতন্ত্রের কথা বারবার উচ্চারণ করে যা এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে স্পষ্টতই সাংঘর্ষিক।

প্রথমত, গণতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে প্রতিযোগিতামূলক রাজনীতি যেখানে বিভিন্ন মত, পথ ও আদর্শের রাজনৈতিক দল জনগণের সামনে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে এবং জনগণ ভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত দেয়। সেখানে কোনো একটি দলকে আইন বা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে মাঠের বাইরে সরিয়ে দেওয়া মানে জনগণের সেই মৌলিক অধিকারকে খর্ব করা।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টারা বলেছিলেন, জনগণ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে চেয়েছে তাই তারা অধ্যাদেশের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। একই সুরে বর্তমান সরকারের প্রতিনিধিরাও দাবি করছেন, জনগণ নাকি তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন থেকেই যায়-জনগণ সত্যিই কাকে গ্রহণ করবে বা প্রত্যাখ্যান করবে, সেটি কি ভোটের মাধ্যমেই নির্ধারিত হওয়ার কথা নয়?

গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই তো জনগণের রায়; সেটি পাশ কাটিয়ে কোনো সিদ্ধান্তই কি টেকসই হতে পারে? আওয়ামী লীগকে ১২ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি!
সাধারণ জনগণের প্রশ্ন…যদি কোনো দল বা তার সদস্যরা অপরাধে জড়িত থাকে, তবে আইনের শাসন অনুযায়ী ব্যক্তির বিচার হওয়া উচিত। কিন্তু ব্যক্তির অপরাধের দায় পুরো দল বা তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতির পরিপন্থী।

দ্বিতীয়ত, সংবিধান প্রদত্ত ‘সমিতি গঠন’, ‘রাজনৈতিক দল গঠন’ এবং ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’ এই মৌলিক অধিকারগুলোর সঙ্গে এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা সরাসরি সাংঘর্ষিক। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক মতপ্রকাশ বা সংগঠিত হওয়ার অধিকার সীমিত করা হলে তা রাষ্ট্রকে ধীরে ধীরে একদলীয় বা কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থার দিকে ঠেলে দেয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই সতর্ক করে দিচ্ছেন এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে তা একটি সংকুচিত, নিয়ন্ত্রিত রাজনৈতিক ব্যবস্থার দিকে দেশকে ঠেলে দিতে পারে, যা কোনোভাবেই সুস্থ বহুদলীয় গণতন্ত্রের লক্ষণ নয়। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে এই ক্রমবর্ধমান অনিশ্চয়তা ও সংকটকে বর্তমান আফগানিস্তানে তালেবান সরকারের পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করেছেন যেখানে রাজনৈতিক বহুমত, অংশগ্রহণ ও গণতান্ত্রিক চর্চা কার্যত সীমিত হয়ে পড়েছে।

তৃতীয়ত, আইনের রেট্রোস্পেকটিভ প্রয়োগ, অর্থাৎ অতীতের ঘটনার জন্য পরবর্তীতে আইন পরিবর্তন করে শাস্তি আরোপ- আইনের শাসনের আরেকটি মৌলিক নীতির পরিপন্থী। একটি ঘটনার সময় যে আইন কার্যকর ছিল না, সেই আইনের ভিত্তিতে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেওয়া হলে তা ন্যায়বিচারের মানদণ্ড পূরণ করে না। এতে বিচার প্রক্রিয়ার প্রতি জনআস্থা কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক ডয়চে ভেলেকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘‘কোনো একটি পলিটিক্যাল পার্টি তার কার্যক্রম করবে, কি করবে না সেটা কোনো এক্সিকিউটিভ অর্ডার বা আইন দিয়ে নির্ধারণ করা ঠিক না৷ জনগণ যদি ভোটের মাধ্যমে কোনো দলতে প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে প্রত্যাখ্যান হয়ে যাবে৷ আর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বাদ দেয়া বা বিরত রাখা কোনো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নয়৷ এটা কোনো গণতান্ত্রিক ভাবাপন্ন মানুষের কাজ নয়৷ আমাদের সংবিধানে যে ধারা আছে ‘রাইট টু আ্যাসেসিয়েশন’, ‘ফর্ম পলিটিক্যাল পার্টি’, ‘এক্সপ্রেস পলিটিক্যাল ভিউজ’-এসবের সাথে একদমই সাংঘর্ষিক৷”

‘‘আমাদের আইসিটি আইনে কিন্তু কোনো রাজনৈতিক দলের বিচারের বিধান ছিল না” – এ কথা স্মরণ করিয়ে তিনি বলেন, ‘‘এখন যদি সংশোধনী এনে সেটা করা হয় তা-ও ঠিক হবে না৷ কারণ, যখন ঘটনাটি ঘটেছে, তখন তো ওই আইনটি ছিল না৷ একটি নির্দিষ্ট বিষয়কে চিন্তা করে অতীতের ঘটনায় ভবিষ্যতে আইন করে রেট্রোস্পেটিভ এফেক্ট দেয়া ঠিক নয়৷ কোনো ব্যক্তির অপরাধের বিচারের তো বিধান আছে, কিন্তু ব্যক্তির অপরাধের জন্য তো দলকে নিষিদ্ধ করা যায় না৷ নাৎসি বাহিনীর ক্ষেত্রে যেটা ঘটেছিল সেই অবস্থা তো এখানে হয় নাই৷ ভবিষ্যতেও হবে না৷”

চতুর্থত, কোনো আদর্শ বা রাজনৈতিক শক্তিকে আইন করে নিষিদ্ধ করা যায় না। অতীতে বিভিন্ন দেশে এমন চেষ্টা হয়েছে, কিন্তু সেগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হয়েছে। বরং নিষিদ্ধ হওয়া দলগুলো আন্ডারগ্রাউন্ডে গিয়ে আরও সংগঠিত হয়ে ফিরে এসেছে। ফলে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা কমার বদলে বেড়েছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও একই ঝুঁকি উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

যে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের কথা বলা হয়, সেখানে একটি বৃহৎ ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলকে কার্যক্রম থেকে বিরত রেখে সেই গণতন্ত্র কীভাবে কার্যকর থাকবে? গণতন্ত্র কেবল একটি শব্দ নয়; এটি একটি চর্চা, একটি প্রক্রিয়া, যেখানে বিরোধী মতের সহাবস্থানই তার প্রাণ। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত তার অন্যতম বড় উদাহরণ।

অবশ্যই, কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে তার বিচার হতে হবে-এ বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই। কিন্তু সেই বিচার হতে হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং ব্যক্তি পর্যায়ে।

বর্তমান বিএনপি সরকারের মনোভাব পর্যবেক্ষণ করলে বুঝা যায়, দলগত ও রাজনৈতিকভাবে তাদের অভিপ্রায় হচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে সামগ্রিকভাবে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশকে একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে তারা হয়তো স্বল্পমেয়াদি সুবিধা নিতে পারবেন। কিন্তু এই ধরনের পদক্ষেপ সাময়িক লাভ বয়ে আনতে পারে, তবে রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ এবং গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য তা গভীর ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে বলা হয়, বিএনপি যদি স্বল্পমেয়াদি রাজনৈতিক সুবিধার জন্য মুহাম্মদ ইউনূসের এই অগণতান্ত্রিক নিষেধাজ্ঞাকে বহাল রাখে, তবে তারেক রহমান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোকেই ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারেন এবং এর ফলে জামায়াতে ইসলামী রাজনৈতিকভাবে আরও শক্ত অবস্থানে চলে আসতে পারে।

আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একটি রাজনৈতিক দল কিংবা কেবল একটি সংগঠন নয়; এটি একটি ধারাবাহিকতা, একটি আদর্শ, একটি জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক অভিব্যক্তি।

অথচ এই দলটিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখা কিংবা তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য এক গভীর অন্ধকারের ইঙ্গিত বহন করে। মাইকেল রুবিন, সিনিয়র ফেলো ও কূটনৈতিক বিশ্লেষক তাই তার সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে বারবার সতর্ক করে বলেছেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন ‘টাইম বোমার’ মতো।

২০২৪ সালের আন্দোলনের পর শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করা গোষ্ঠীর সমর্থনে মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতায় আসেন এবং তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে ইসলামপন্থী এজেন্ডা এগিয়ে নেন। বিএনপি যদি মুহাম্মদ ইউনূসের নেওয়া নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখে, তবে তা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে এবং রাজনৈতিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে চরমপন্থার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

ড. প্রদীপ রায়

সম্পাদক, ওটিএন বাংলা

এই শাখার আরও খবর

কুষ্টিয়ায় পীর হত্যার প্রতিবাদে ঢাবিতে বিক্ষোভ, মব সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের দাবি

মেলবোর্ন, ১২ এপ্রিল- কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর শামীম রেজা হত্যাকাণ্ড, মাজারে হামলা-অগ্নিসংযোগ এবং শাহবাগে সমকামীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট।…

আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে আমেরিকার অতিরিক্ত আবদারে: ইরান

মেলবোর্ন, ১২ এপ্রিল- পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ইরান। দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা…

নারী কোচ নিয়োগ দিয়ে জার্মান পুরুষ ক্লাবের ইতিহাস

মেলবোর্ন, ১২ এপ্রিল- জার্মানির শীর্ষ ফুটবল লিগ বুন্দেসলিগার পুরুষ দলের প্রধান কোচ হিসেবে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব পেয়ে ইতিহাস গড়েছেন ম্যারি-লুইস এতা। দুর্বল পারফরম্যান্সের কারণে কোচ…

এবার চীনকে সাবধান করে দিলেন ট্রাম্প

মেলবোর্ন, ১২ এপ্রিল- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের প্রতি কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, দেশটি যদি ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করে, তাহলে তাদের ‘গুরুতর সমস্যায়’ পড়তে হবে।…

ইরানের সঙ্গে সমঝোতা ছাড়াই শেষ যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা, দেশে ফিরছে মার্কিন প্রতিনিধিদল

মেলবোর্ন, ১২ এপ্রিল- ইসলামাবাদে দীর্ঘ আলোচনার পরও ইরানের সঙ্গে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে না পেরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল দেশে ফিরছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। প্রায়…

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের সমালোচনা অ্যামনেস্টির, ন্যায়বিচারে স্বচ্ছতার আহ্বান

মেলবোর্ন, ১২ এপ্রিল-  রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডে সাবেক দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au