বাংলাদেশ

নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা

ড. ইউনূসের কারণে বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা যেভাবে প্রশ্নের মুখে

একদিকে অস্ত্র লুট, অন্যদিকে স্থানীয় সন্ত্রাসী চক্রের উত্থান, পাশাপাশি জঙ্গিবাদ সংশ্লিষ্ট মামলায় আসামিদের জামিন ও নতুন বিস্ফোরণের ঘটনাগুলো পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।

  • 8:57 pm - April 24, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৪৩ বার
জাতীয় নিরাপত্তা হুমকিতে ফেলেছেন ড. ইউনূস। ছবিঃ ওটিএন বাংলা

মেলবোর্ন, ২৪ এপ্রিল- বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন দেড় বছরের শাসনকালকে কেন্দ্র করে জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা ও প্রশ্ন উঠছে। বিভিন্ন নিরাপত্তা বিশ্লেষণ, মাঠপর্যায়ের সহিংস ঘটনা এবং সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী ঐ সময়কালে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা কাঠামোতে নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, যার সুযোগে একাধিক সশস্ত্র জঙ্গিগোষ্ঠি ও অপরাধচক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। অস্ত্র লুট, স্থানীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর পুনর্গঠন এবং বিস্ফোরণ ও জঙ্গি সংশ্লিষ্ট ঘটনার ধারাবাহিকতা এই সমালোচনাকে আরও জোরালো করেছে।

পাশাপাশি, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূসের সময়ে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কাঠামো দুর্বল হয়েছে কি না, এ প্রশ্ন এখন রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা মহলে আলোচনার কেন্দ্রে। একদিকে অস্ত্র লুট, অন্যদিকে স্থানীয় সন্ত্রাসী চক্রের উত্থান, পাশাপাশি জঙ্গিবাদ সংশ্লিষ্ট মামলায় আসামিদের জামিন ও নতুন বিস্ফোরণের ঘটনাগুলো পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ছবিঃ সংগৃহীত

নরসিংদীর রায়পুরার চরাঞ্চলে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাহিনী

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলে প্রায় ২০০ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের দাবি, স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রসহ সজ্জিত এই দলটি আশপাশের নিলক্ষা, মির্জারচরসহ একাধিক চরাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার করে নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এই চক্রের একটি অংশ ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টের গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রের কিছু অংশ সংগ্রহ করে তা ব্যবহার করছে।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, এই অস্ত্রকে কেন্দ্র করে একটি স্বতন্ত্র অপরাধ নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। স্থানীয়ভাবে চিহ্নিত কিছু ব্যক্তি ও বিভিন্ন চরাঞ্চলের অপরাধীরা যুক্ত হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন শুরু করে চক্রটি। এতে নদীর তীরবর্তী এলাকায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দেয় এবং মির্জারচর ইউনিয়নের শতাধিক বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলে প্রায় ২০০ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ছবিঃ সংগৃহীত

ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে ভয়ভীতি দেখানো বা হামলার মুখে পড়তে হয়। ফলে পুরো জনপদে এক ধরনের আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে এবং অনেকেই নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। স্থানীয়দের দাবি, তারা কার্যত এই সশস্ত্র প্রভাবশালী গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

এই অপরাধ চক্রের সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ের একাধিক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয়ভাবে জনৈক মিন্টু কমিশনার, আফজাল মেম্বার, নূরুল ইসলামসহ কয়েকজনকে চক্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। এছাড়া অস্ত্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং বাণিজ্যের সঙ্গে আবিদ হাসান রুবেল, ঘোড়া কামাল, আজান চৌধুরী, আবু নূর চেয়ারম্যান, আশরাফুল হক, রাতুল হাসান, হারুন মিয়া, নজরুল ইসলাম ও মোহাম্মদ হান্নাসহ আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার অভিযোগও স্থানীয়ভাবে আলোচিত হচ্ছে।

জানা যায়, এই চক্র শুধু বালু উত্তোলন নয়, বরং নৌপথ ব্যবহার করে মাদক ও অবৈধ অস্ত্র বাণিজ্যের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, এই অপরাধ কার্যক্রম দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না আনলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

এদিকে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বিষয়টি তারা নজরদারিতে রেখেছেন এবং অভিযোগগুলো যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, চরাঞ্চলে চলমান অবৈধ কর্মকাণ্ড ও সশস্ত্র তৎপরতা বন্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এখনো উদ্ধার হয়নি লুট হওয়া ১৩৬০ অস্ত্র। ছবিঃ সংগৃহীত

অস্ত্র লুট ও নিরাপত্তা দুর্বলতা

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলন ও অস্থিরতার সময় দেশের বিভিন্ন থানা থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট হওয়ার ঘটনা জাতীয় নিরাপত্তার বড় দুর্বলতা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, সেই সময়ে মোট ৩ হাজার ৬১৯টি আগ্নেয়াস্ত্র লুট হয়। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ২৫৯টি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, যা মোটের প্রায় ৬২ দশমিক ৪ শতাংশ। এখনও ১৩৬০টি অস্ত্র উদ্ধার হয়নি।

এছাড়া লুট হওয়া প্রায় ৪ লাখ ৫৬ হাজার রাউন্ড গুলির মধ্যে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৩৭ হাজার রাউন্ড। বাকি বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ এখনো অপরাধীদের হাতে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এই অস্ত্রগুলো স্থানীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ও অপরাধ চক্রের হাতে চলে যাওয়ায় সারাদেশে সহিংসতার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়েছে।

কেরাণীগঞ্জ ও শরীয়তপুর: বিস্ফোরণ ও জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা

ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের একটি মাদ্রাসায় বিস্ফোরণের ঘটনায় জঙ্গিবাদ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সামনে এসেছে। ঘটনাস্থল থেকে হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, নাইট্রিক অ্যাসিড এবং ককটেল তৈরির উপকরণ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের দাবি, অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন পূর্বে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় একাধিক মামলা হয়েছে এবং তদন্ত করছে অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট।

গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় একটি মাদ্রাসায় বিস্ফোরণ ঘটে। ছবিঃ বিবিসি

অন্যদিকে শরীয়তপুরের জাজিরায় ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে, যা স্থানীয় আধিপত্য ও সংঘাতের সঙ্গে যুক্ত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় একটি মাদ্রাসায় বিস্ফোরণ ঘটে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ কেমিক্যাল ও ককটেল তৈরির উপকরণ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে এবং অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট তদন্ত করছে। পুলিশ জানিয়েছে, মাদ্রাসার পরিচালকসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তবে মূল অভিযুক্ত এখনো পলাতক।

অন্যদিকে ৮ জানুয়ারি শরীয়তপুরের জাজিরায় একটি বাড়িতে ককটেল বানানোর সময় বিস্ফোরণে তিনজন নিহত হন। এরপর যৌথ বাহিনীর অভিযানে ওই এলাকা থেকে ৪৫টি তাজা ককটেল ও বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়দের দাবি, জাজিরার বিলাসপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত চলছে এবং ককটেল তৈরি অনেকটা সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, এটি মূলত স্থানীয় গোষ্ঠীগত সংঘাতের অংশ, নির্বাচনী প্রভাব বা সংগঠিত উগ্রবাদের কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।

উম্মুল কুরা মাদ্রাসার পরিচালক শেখ আলামিনের বিরুদ্ধে অতীতে উগ্রপন্থায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। অতীতে জঙ্গিবাদ সংশ্লিষ্ঠতার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে ৫টি মামল রয়েছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের উদ্বেগ

জঙ্গিবাদ তথা ধর্মীয় উগ্রবাদ নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন। তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে হবে ।

“একটা জিনিসতো বোঝা যাচ্ছে তারা সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন জায়গায় দাওয়াতি কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই যে সাম্প্রতিক কালে আমরা বোমার ঘটনাটা দেখলাম দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জে, এটি যে বিধ্বংসী ক্ষমতাসম্পন্ন এতে পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে যে উগ্রবাদের সঙ্গে যারা জড়িত যাদেরকে আমরা কোট আনকোট ‘জঙ্গী’ বলছি এরা ৫ই আগস্টের পর থেকে এখন পর্যন্ত একটা ব্রিদিং টাইম পেল। যে সময়ে তারা নিজেদের সংগঠিত করছে, তারা টার্গেট ফিক্স করছে, হয়তো ভবিষ্যতে আমাদের এর কিছু প্রয়োগ দেখবো।”

বাংলাদেশে পাঁচই আগস্টের পর জঙ্গিবাদ মামলায় অভিযুক্ত অনেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। অনেকে জেল থেকে পালিয়ে গেছেন। নূর খানের ভাষায়, এটা মনে করার কোনো কারণ নেই যে বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রবাদ নেই। এদের অনেকের সঙ্গে বিদেশি সংগঠনের যোগাযোগ থাকতে পারে, এমন আশঙ্কার কথাও জানান নূর খান লিটন।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, দুটি ঘটনাই আলাদা হলেও নির্বাচনের আগে এ ধরনের বিস্ফোরণ ও অস্ত্র উদ্ধার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে। তারা মনে করছেন, মাঠপর্যায়ে নজরদারি আরও জোরদার না করলে পরিস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

সারাদেশে বাড়ছে খুনের মতো গুরুতর অপরাধ। ছবিঃ সংগৃহীত

খুন ও সহিংসতার পরিসংখ্যান: বাড়ছে অপরাধ

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসে দেশে ৮৫৪টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত প্রতিমাসে গড়ে প্রায় ২৮৪টি হত্যাকাণ্ড নথিভুক্ত হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় বেশি।

২০২৪ সালের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ৭১০টি। অর্থাৎ সহিংস অপরাধের হার ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মাদক, পারিবারিক বিরোধ, জমি দখল এবং স্থানীয় আধিপত্য এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান কারণ।

অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার না হওয়ায় পরিস্থিতি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রায় দেড় হাজারের বেশি অস্ত্র এখনো নিখোঁজ থাকায় সেগুলো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হচ্ছে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

সব মিলিয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ দুর্বল থাকায় নিরাপত্তা কাঠামোতে শূন্যতা তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, রাষ্ট্রীয় অস্ত্র ব্যবস্থাপনা, গোয়েন্দা নজরদারি এবং স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে ঘাটতি থাকায় অপরাধ চক্রগুলো সুযোগ পেয়েছে।

তবে সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক ব্যাখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।

দেশজুড়ে চলমান এই পরিস্থিতি এখন শুধু আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন নয়, বরং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা কাঠামোর স্থিতিশীলতা নিয়েও বড় ধরনের বিতর্ক তৈরি করছে। অস্ত্র লুট, স্থানীয় সন্ত্রাস, জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা এবং সহিংস অপরাধের ধারাবাহিক বৃদ্ধি মিলিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

এই শাখার আরও খবর

উজবেকিস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের প্রথম জয়ের ইতিহাস

মেলবোর্ন, ২৪ এপ্রিল- এশিয়ান গেমস বাছাইপর্বে দারুণ এক মাইলফলক স্পর্শ করেছে বাংলাদেশ নারী হকি দল। আন্তর্জাতিক হকি প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো জয় পেয়েছে তারা, যেখানে শুক্রবার…

ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অর্থ চুরির কবলে শ্রীলঙ্কা

মেলবোর্ন, ২৪ এপ্রিল- শ্রীলঙ্কার অর্থ মন্ত্রণালয়ের কম্পিউটার সিস্টেমে ভয়াবহ সাইবার হামলার ঘটনায় ২৫ লাখ ডলার হাতিয়ে নিয়েছে হ্যাকাররা। সরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অর্থ চুরির…

শিক্ষা আনন্দ নাকি ভীতি? মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রীর কাছে এক অভিভাবকের খোলা চিঠি

মেলবোর্ন, ২৪ এপ্রিল:  মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী মহোদয়, বাংলাদেশ সরকার বিষয়: শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়তে থাকা শিক্ষাভীতি এবং শিক্ষক শিক্ষার্থীর সম্পর্ক নিয়ে কিছু প্রশ্ন। মাননীয় মহোদয়, একটা…

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা কাল, প্রতি আসনে লড়বেন প্রায় দুই শিক্ষার্থী

মেলবোর্ন, ২৪ এপ্রিল- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়-এর ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল শনিবার (২৫ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত…

প্রথম দফা ভোটের পর ১৫২ আসনের মধ্যে ১১০ জয়ের দাবি অমিত শাহর

মেলবোর্ন, ২৪ এপ্রিল- পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ১৫২টি আসনের মধ্যে ১১০টির বেশি আসনে জয়ের দাবি করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।…

সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ!

সাব রেজিস্ট্রার বদলি করে শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে যখন মাইকেল চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তোরজোর চলছে দুদকে,তখন সেই চক্রের মূলহোতা অভিযুক্ত খিলগাওয়ের সাব রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর অবৈধ সম্পদের পাহাড়ের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে।

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au