সব মামলায় আইভীর জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই
মেলবোর্ন,১০ মে- হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে করা ১০ মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। ফলে তার কারামুক্তিতে এখন…
মেলবোর্ন,১০ মে- ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও ন্যাশনাল কাউন্টার টেররিজম সেন্টারের (এনসিসি) সাবেক পরিচালক জো কেন্ট বিস্ফোরক দাবি করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। পদত্যাগের পর তিনি অভিযোগ করেছেন, যুদ্ধ শুরুর আগে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়নে স্পষ্ট বলা হয়েছিল যে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছিল না। তারপরও রাজনৈতিক চাপে যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধে জড়ানো হয়েছে।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ এজেন্সির বরাতে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জো কেন্ট বলেন, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ)সহ মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো একমত ছিল যে তেহরান তখন কোনো পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি চালাচ্ছিল না।
তার দাবি, একটি বিদেশি সরকারের, অর্থাৎ ইসরায়েলের রাজনৈতিক বর্ণনা ও কৌশলগত চাপের কারণেই শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। কেন্ট আরও বলেন, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আগেই সতর্ক করেছিল যে ইরানের ওপর হামলা চালানো হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো পাল্টা হামলার মুখে পড়তে পারে এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হবে।
তিনি বলেন, “ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হামলা চালালে দেশটির কট্টরপন্থি গোষ্ঠীগুলোর অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে,” এমন মূল্যায়নও আগেই দিয়েছিল গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।
তবে জো কেন্টের এসব বক্তব্য সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে হোয়াইট হাউস। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের মুখপাত্র ডেভিস ইংগল ফক্স নিউজকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “জো কেন্টের আত্মপ্রচারমূলক বক্তব্য ও পদত্যাগপত্র অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্যে ভরা।”
তিনি আরও বলেন, “ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি নয় বলে দাবি করা সম্পূর্ণ দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থেই ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করেছিলেন।”
উল্লেখ্য, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই গত মার্চ মাসে নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়ান জো কেন্ট। পদত্যাগপত্রে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের ইরান নীতির তীব্র সমালোচনা করেন এবং দাবি করেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক শক্তিশালী লবির চাপে ওয়াশিংটন যুদ্ধের পথে এগিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, একজন সাবেক শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তার এমন বক্তব্য মার্কিন প্রশাসনের ভেতরের বিভাজন এবং ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিতর্ককে আরও উসকে দিতে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au