ম্যানচেস্টার সিটির ড্রয়ে নিশ্চিত হলো আর্সেনালের শিরোপা
মেলবোর্ন, ২০ মে- ম্যানচেস্টার সিটির ড্রয়ের পর নিশ্চিত হয়ে গেছে ২২ বছর পর ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জিতেছে আর্সেনাল। বোর্নমাউথের মাঠে ১-১ গোলে ড্র করে…
মেলবোর্ন, ২০ মে- মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান। তবে বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই প্রস্তাবে তেহরান মূলত আগের দাবিগুলোই নতুনভাবে উপস্থাপন করেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে, বিশেষ করে লেবাননসহ সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে যুদ্ধবিরতি এবং বৈরিতা বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ইরান তার সীমান্তসংলগ্ন অঞ্চল থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং বিদেশে আটকে থাকা ইরানের তহবিল অবমুক্ত করার দাবিও রয়েছে প্রস্তাবে।
এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান আরও চেয়েছে যে, সংঘাত চলাকালে মার্কিন বাহিনীর আরোপ করা নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা আইএইএর তত্ত্বাবধানে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার নিশ্চয়তা চেয়েছে তেহরান।
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব শর্তের কথা নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, তেহরানের পক্ষ থেকে নতুন প্রস্তাব পাওয়ার পর ইরানে সম্ভাব্য বিমান হামলার পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছানো গেলে সামরিক সংঘাত এড়ানো সম্ভব হবে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, হরমুজ প্রণালি ঘিরে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর চাপের কারণেই যুক্তরাষ্ট্র এখন আলোচনার পথ খোলা রেখেছে। সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতও সংকটের সামরিক সমাধানের বদলে কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পাকিস্তান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। ইসলামাবাদের একটি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তানের মাধ্যমেই ইরানের নতুন প্রস্তাব ওয়াশিংটনে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
তবে এখনো দুই পক্ষের অবস্থানে বড় ধরনের পার্থক্য রয়ে গেছে। মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ইরানের ওপর থেকে তেল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কোনো পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের নেই। অন্যদিকে তেহরান বলছে, স্থায়ী সমঝোতার জন্য পারস্পরিক আস্থা ও অর্থনৈতিক চাপ কমানো জরুরি।
সুত্রঃ গালফ নিউজ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au