বাংলাদেশ

নিষিদ্ধ রাজনীতি থেকে প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষা

ক্ষমতা হারানোর দুই বছর পর কোথায় দাঁড়িয়ে আওয়ামী লীগ?

  • 11:01 pm - May 30, 2026
  • পঠিত হয়েছে:১৪৫ বার
আওয়ামী লীগের কার্যালয়। ছবিঃ সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ৩০ মে- একসময় বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে প্রভাবশালী শক্তি হিসেবে বিবেচিত আওয়ামী লীগ আজ কার্যত জনপরিসর থেকে প্রায় অদৃশ্য। দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়, ঐতিহাসিক রাজনৈতিক স্থাপনা, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং রাজপথে উপস্থিতি সবই এখন অতীতের স্মৃতি। তবে দলটির শীর্ষ নেতারা এখনও দাবি করছেন, আওয়ামী লীগ ভেঙে পড়েনি; বরং রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, মামলা, গ্রেপ্তার ও নির্বাসনের মধ্যেও সংগঠনটি টিকে আছে।

ঢাকার শহীদ আবরার ফাহাদ অ্যাভিনিউয়ে অবস্থিত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের প্রধান ফটক এখন ভাঙাচোরা ও বন্ধ অবস্থায় পড়ে আছে। একসময় যেখানে নেতাকর্মীদের ভিড়, বৈঠক, রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং দলীয় তৎপরতা ছিল নিয়মিত দৃশ্য, সেখানে এখন নীরবতা। কার্যালয়ের দেয়ালে ধোঁয়া ও আগুনের দাগ, চারপাশে ধ্বংসস্তূপ এবং অবহেলার চিহ্ন স্পষ্ট। দলীয় নেতাদের যাতায়াত নেই, আলো জ্বলে না, নেই কোনো সাংগঠনিক ব্যস্ততা।

একই চিত্র ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কার্যালয় এবং ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বাড়িতেও। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক বাসভবনের অনেকাংশ এখন ধ্বংসপ্রাপ্ত। দেয়ালে বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান লেখা রয়েছে। বাড়িটির সেই সিঁড়িও ক্ষতিগ্রস্ত, যেখানে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্য নিহত হন।

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বাড়ি। ছবিঃ সংগৃহীত

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন নিহত হয়েছিলেন। সেই আন্দোলনের পর শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটে এবং আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে জনরোষ তীব্র হয়ে ওঠে। এরপর দলটির বিভিন্ন কার্যালয়, নেতাদের বাড়ি এবং প্রতীকী স্থাপনাগুলো হামলা ও ভাঙচুরের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়।

প্রায় দুই বছর ধরে আওয়ামী লীগের কোনো বড় জনসভা, দৃশ্যমান রাজনৈতিক কর্মসূচি বা উল্লেখযোগ্য রাজপথের উপস্থিতি দেখা যায়নি। কয়েকবার হরতাল ও কর্মসূচির ঘোষণা এলেও সেগুলোর বাস্তব প্রভাব খুবই সীমিত ছিল। মাঝেমধ্যে ক্ষণস্থায়ী ঝটিকা মিছিল ছাড়া দলটির কার্যক্রম জনসমক্ষে প্রায় অনুপস্থিত।

২০২৫ সালের মে মাসে নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করে এবং তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। সভা-সমাবেশ, প্রচারণা, প্রকাশনা এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় এলেও সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেনি। পরবর্তীতে সংসদে পাস হওয়া নতুন আইন এই নিষেধাজ্ঞাকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়।

১৯৭৫ ও ২০২৪: দুই পতনের তুলনা

আওয়ামী লীগের বর্তমান পরিস্থিতি অনেকের কাছে ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পালাবদলের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর আওয়ামী লীগ বড় ধাক্কা খেলেও পুরোপুরি রাজনীতি থেকে হারিয়ে যায়নি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৭৫ সালের পর দলটি সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হয়েছিল, অনেক নেতা আত্মগোপনে বা ভারতে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু দলটি নিষিদ্ধ হয়নি। ফলে ধীরে ধীরে পুনর্গঠনের সুযোগ পেয়েছিল। ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৪০টি আসন জিতে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল।

কিন্তু ২০২৪ সালের পরের বাস্তবতা ভিন্ন। আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি, রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হয়েছে এবং দলের প্রতীকী স্থাপনাগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলটি এখন ১৯৭৫ সালের তুলনায় অনেক বেশি চাপে রয়েছে।

মামলা, গ্রেপ্তার ও নির্বাসনের বাস্তবতা

বর্তমানে আওয়ামী লীগের শত শত নেতা ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি। দলের অনেক শীর্ষ নেতা বিদেশে অবস্থান করছেন বা আত্মগোপনে রয়েছেন। ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা হয়েছে, যার মধ্যে হত্যা মামলাও রয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাসিত জীবনে রাজনৈতিক কাজ চালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনও দাবি করেন, দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা, আইনি সহায়তা প্রদান এবং মনোবল ধরে রাখাই এখন প্রধান কাজ।

শেখ হাসিনা। ছবিঃ সংগৃহীত

‘ষড়যন্ত্রের শিকার’ দাবি আওয়ামী লীগের

দলটির নেতারা আন্দোলন-পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহকে স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিবর্তন হিসেবে নয়, বরং একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন।

সাদ্দাম হোসেনের ভাষায়, ২০২৪ সালের ঘটনাবলি ছিল “প্রতারণা ও রাজনৈতিক কৌশলের ফল”। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা রাকিবুল হাসান রাকিব আন্দোলনকে “রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র” বলে উল্লেখ করেছেন।

মোহাম্মদ আলী আরাফাতও দাবি করেন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন শক্তির সমন্বিত চাপ শেখ হাসিনার সরকারের পতনে ভূমিকা রেখেছে। তাঁর মতে, আন্দোলনের সময়কার মৃত্যুর ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হয়নি।

শেখ হাসিনার নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন নেই

দলের অভ্যন্তরে শেখ হাসিনার নেতৃত্ব নিয়ে কোনো দ্বিধা নেই বলেই দাবি করেছেন আওয়ামী লীগ নেতারা। তাঁদের মতে, শেখ হাসিনা এখনও দলের ঐক্য, সংগ্রাম ও প্রতিরোধের প্রতীক।

সাদ্দাম হোসেন বলেন, “শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের ঐক্যের প্রতীক।” রাকিবুল হাসান রাকিবও বলেন, “তাঁর বিকল্প আমরা চিন্তাও করি না।”

আওয়ামী লীগের সামনে সবচেয়ে বড় সংকট

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগের বর্তমান সংকট শুধু নিষেধাজ্ঞা বা মামলার কারণে নয়। বড় সমস্যা হলো দলটি এখনও জনরোষের কারণগুলো নিয়ে আত্মসমালোচনা করেনি।

বিশ্লেষক আলতাফ পারভেজের মতে, আওয়ামী লীগ এখনও সবকিছুকে ষড়যন্ত্র হিসেবে ব্যাখ্যা করছে, কিন্তু প্রশাসনিক ব্যর্থতা, রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, দুর্নীতির অভিযোগ এবং ২০২৪ সালের সহিংসতার দায় নিয়ে কোনো স্পষ্ট অবস্থান নেয়নি।

তাঁর মতে, রাজনৈতিক পুনর্বাসনের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি এবং ভুল স্বীকার করা জরুরি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ এম শাহানের মতে, আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী এখনও বাস্তবতার চেয়ে নিজেদের সমর্থকদের কথাই বেশি শুনছেন। ফলে জনরোষের প্রকৃত মাত্রা তারা উপলব্ধি করতে পারছেন না।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।ছবিঃ সংগৃহীত

নিষিদ্ধ করলেই কি আওয়ামী লীগ শেষ?

অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, কোনো বড় রাজনৈতিক দলকে প্রশাসনিকভাবে নিষিদ্ধ করলেই তার সামাজিক ভিত্তি মুছে যায় না।

আলতাফ পারভেজের ভাষায়, “রাজনীতিকে রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করতে হয়। নিষিদ্ধ করে স্থায়ীভাবে কোনো দলকে দমন করা যায় না।”

তাঁর মতে, নিষেধাজ্ঞা অনেক সময় উল্টো ভুক্তভোগিতার বয়ান তৈরি করে, যা পরবর্তীতে দলটির প্রতি সহানুভূতি বাড়াতে পারে।

আসিফ এম শাহানও মনে করেন, আওয়ামী লীগের এখনও উল্লেখযোগ্য আদর্শিক ও সামাজিক সমর্থন রয়েছে। ফলে দলটি পুরোপুরি বিলীন হয়ে যাবে, এমনটা মনে করার কারণ নেই।

ভবিষ্যৎ কী?

বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগ এখন এক জটিল বাস্তবতার মধ্যে আটকে আছে। একদিকে দলটি বাংলাদেশের বহু মানুষের কাছে বিতর্কিত ও দায়ী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। অন্যদিকে দেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী রাজনীতি এবং সামাজিক ভিত্তির কারণে দলটিকে সহজে মুছে ফেলাও সম্ভব নয়।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়ে গবেষক মহিউদ্দিন আহমদের মতে, আওয়ামী লীগের বর্তমান সংকট শুধু রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞার ফল নয়; গত দেড় দশকে দলটির অভ্যন্তরীণ চরিত্র ও কাঠামোর পরিবর্তনও এর পেছনে বড় কারণ।

তাঁর মতে, ১৯৭৫ সালের পরের সময়ের তুলনায় বর্তমান শাসকগোষ্ঠী আওয়ামী লীগের প্রতি অনেক কম সহনশীল। ফলে দলটির মূলধারার রাজনীতিতে ফিরে আসার পথ এখন আরও অনিশ্চিত।

তবে তিনি একই সঙ্গে সতর্ক করে বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাসে দেখা গেছে, কোনো আদর্শভিত্তিক রাজনৈতিক দলকে দীর্ঘমেয়াদে পুরোপুরি নির্মূল করা খুবই কঠিন। তাই আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির ওপর নয়, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং বিশেষ করে ভারতের অবস্থানের ওপরও।

বর্তমানে আওয়ামী লীগ এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে দলটির সামনে দুটি পথ খোলা রয়েছে। একটি হলো আত্মসমালোচনা, পুনর্গঠন ও নতুন রাজনৈতিক বয়ান তৈরি করা। অন্যটি হলো নিষেধাজ্ঞা, বিচ্ছিন্নতা ও অতীতের রাজনীতির মধ্যেই আটকে থাকা। কোন পথটি দলটি বেছে নেবে, সেটিই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও প্রভাবশালী এই রাজনৈতিক দলের ভবিষ্যৎ।

সূত্রঃ দ্য ডিপ্লোম্যাট

এই শাখার আরও খবর

ড্রেসিংরুমে কী ঘটেছিল? ফাইনালের আগে মেসির ‘সব ভুলে যাও’ মন্তব্যে নতুন প্রশ্ন

মেলবোর্ন, ২১ জুলাই: ভাইরাল ভিডিও ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে জল্পনা; ম্যাচের আগে সতীর্থদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা আর্জেন্টিনা…

মোদির বাসভবনের সামনে রাহুল-প্রিয়াঙ্কার বিক্ষোভ

মেলবোর্ন, ২১ জুলাই- ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করেছেন দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র। শিক্ষার্থীদের…

চিরন্তন ডাক

মেলবোর্ন, ২১ জুলাই:  বাএই ডাক সত্যের, এই ডাক জাগরণের, এই ডাক ভালোবাসা আর দেশপ্রেমের। রক্তে কেনা মাটি ডাকছে আয় কাছে, ঘরে বসে থাকার সময় আজ…

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আত্মবিশ্বাস পলিন হ্যানসনের, মুসলিম অভিবাসন নিয়ে ফের বিতর্কিত মন্তব্য

মেলবোর্ন, ২১ জুলাই: অস্ট্রেলিয়ার ডানপন্থী রাজনৈতিক দল ওয়ান নেশন-এর নেতা সিনেটর পলিন হ্যানসন বলেছেন, সুযোগ পেলে তিনি অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। একই…

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যর্পণ চেয়ে ভারতের কাছে বাংলাদেশের চিঠি

মেলবোর্ন, ২১ জুলাই: বাংলাদেশের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ভারত থেকে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য আনুষ্ঠানিক ভাবে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। ২০২৪ সালের আন্দোলন সংক্রান্ত…

ভারতে খ্রিস্টান নির্যাতনের অভিযোগে ঢাকায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

মেলবোর্ন, ২১ জুলাই- ঢাকা: ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গির্জা ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ওপর সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় উদ্বেগ ও সংহতি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএ)। এ ঘটনার…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au