যেভাবে উপস্থিতি জানান দিতে চাচ্ছে আ.লীগ
মেলবোর্ন, ২৩ জুন- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ তাদের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে আবারও সংকট কাটিয়ে দেশজুড়ে সাংগঠনিক উপস্থিতি জানান দেওয়ার চেষ্টা করছে। দীর্ঘ…
মেলবোর্ন, ২৩ জুন- মিয়ানমারে গত বছরের আগস্ট থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ছয় মাসে দেশটির সামরিক বাহিনীর হামলায় অন্তত ৭০২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক কার্যালয়। সোমবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়।
এএফপির বরাতে জানা যায়, নিহতদের মধ্যে ২২৪ জন নারী এবং ১৫৩ জন শিশু রয়েছে। জাতিসংঘ বলছে, এই সময়ে বেসামরিক মানুষের মৃত্যু ও ধ্বংসযজ্ঞের প্রধান কারণ ছিল মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিমান হামলা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহতদের মধ্যে অন্তত ৫০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে ফাইটার জেট, ড্রোন, প্যারা-মোটর এবং জাইরোকপ্টার ব্যবহার করে চালানো হামলায়। বাকি হতাহতের ঘটনা স্থল অভিযান ও অন্যান্য সহিংসতার সঙ্গে যুক্ত।
জাতিসংঘের মুখপাত্র রভিনা শামদাসানি বলেন, এই ৭০২ জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর জন্য মূলত মিয়ানমার সেনাবাহিনীই দায়ী। তবে তিনি এটাও উল্লেখ করেন, এর অর্থ এই নয় যে অন্য কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর কারণে বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকেই মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এরপর দীর্ঘ অস্থিরতা ও সংঘাতের মধ্যে দেশটি কার্যত সামরিক নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়ে আসছে।
টানা কয়েক বছরের শাসন ও সংঘাতের পর জান্তা সরকার একটি নির্বাচন আয়োজন করে, যেখানে তাদের সমর্থিত রাজনৈতিক দলগুলো বিজয়ী হয় এবং অভ্যুত্থানের নেতা মিন অং হ্লাইং প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন। তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই নির্বাচনকে স্বচ্ছ নয় বলে সমালোচনা করে একে সামরিক শাসন টিকিয়ে রাখার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নির্বাচনের আগে ও পরে দেশজুড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি এবং সহিংসতার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ অবস্থায় জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মিয়ানমার পরিস্থিতি পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে দেশটিতে অস্ত্র ও জেট ফুয়েল সরবরাহ বন্ধ করতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে, যাতে সহিংসতা কমানো যায় এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au