মিয়ানমারে ভোট ঘিরে ছয় মাসে ৭০০ নাগরিক নিহত: জাতিসংঘ
মেলবোর্ন, ২৩ জুন- মিয়ানমারে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত ছয় মাসে অন্তত ৭০২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে…
মেলবোর্ন, ২৩ জুন- রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছড়ানো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে।
সোমবার (২২ জুন) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী ও ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এস এম জুলফিকুর আলী (জুনু) এ রিট আবেদন দায়ের করেন। রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার সচিব, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, সিআইডির প্রধান এবং সিআইডি সাইবার পুলিশ সেন্টারের প্রধানকে বিবাদী করা হয়েছে।
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে কিছু অনলাইন পোর্টাল, ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেল এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর, অসত্য ও মানহানিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ন হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করছে।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ ও আবেদন জানানো হলেও দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে জনস্বার্থে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের আওতায় আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।
রিটে সংশ্লিষ্ট অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর নিবন্ধন ও মালিকানা যাচাই, কার্যক্রম তদন্ত, আইনবিরোধী ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট অপসারণ, প্রয়োজন হলে অনিবন্ধিত বা অবৈধ প্ল্যাটফর্ম বন্ধ কিংবা ব্লক করা এবং অপপ্রচারে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
আবেদনকারী আইনজীবী এস এম জুলফিকুর আলী (জুনু) বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম মৌলিক ভিত্তি হলেও মিথ্যা তথ্য, গুজব, সাইবার হয়রানি এবং মানহানিকর প্রচারণা কোনোভাবেই সেই স্বাধীনতার অংশ হতে পারে না। রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি, আইনের শাসন ও জনস্বার্থ রক্ষায় দায়িত্বশীল পদক্ষেপ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।
রিট আবেদনের সঙ্গে বিভিন্ন অনলাইন কনটেন্ট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত পোস্ট এবং পূর্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া প্রতিনিধিত্বপত্রও সংযুক্ত করা হয়েছে। এখন আদালতের আদেশের ওপর নির্ভর করছে এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের গতি-প্রকৃতি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au