১৯ বছর পর কলকাতায় ফিরছেন তসলিমা নাসরিন
মেলবোর্ন, ২৭ জুলাই: প্রায় ১৯ বছর পর আগামী ১ আগস্ট কলকাতায় ফিরছেন নির্বাসিত বাংলাদেশি লেখক তসলিমা নাসরিন। তাঁর এই প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গে আবারও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা,…
মেলবোর্ন, ২৬ জুলাই: হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী ট্যাংকার ইরানের পুঁতে রাখা নৌ-মাইনের আঘাতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছে দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি ইরানি কর্তৃপক্ষ।
রোববার (২৬ জুলাই) প্রকাশিত তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্যাংকারটি তেহরানের নির্ধারিত নিরাপদ নৌপথ ছেড়ে বিকল্প পথে চলাচল করার সময় একটি নৌ-মাইনের আঘাতে বিস্ফোরণের শিকার হয়।
ইরানি গণমাধ্যমের দাবি, এর আগেও ইসলামিক রিপাবলিক একাধিকবার সতর্ক করে জানিয়েছিল যে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নির্ধারিত নৌপথের বাইরে চলাচল করলে সংশ্লিষ্ট জাহাজকে তার পরিণতি বহন করতে হবে।
এর আগে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) কয়েকটি জাহাজ থামানো ও লক্ষ্যবস্তু করার পর এক বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালি অতিক্রমকারী সব জাহাজকে ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে নির্ধারিত নৌপথ ব্যবহার করতে হবে।
তবে বিস্ফোরণের শিকার ট্যাংকারটির পরিচয়, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কিংবা কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
পটভূমি
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের পর হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ আরোপ করে ইরান। ওই অবরোধের অংশ হিসেবে প্রণালির বিভিন্ন স্থানে জলমাইন স্থাপন করে আইআরজিসি।
তবে হরমুজ প্রণালির ঠিক কোন কোন স্থানে মাইন পুঁতে রাখা হয়েছিল, তা এখন শনাক্ত করতেই বেগ পেতে হচ্ছে ইরানকে। এর কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, মাইন স্থাপনের যথাযথ নথি সংরক্ষণ করা হয়নি। পাশাপাশি যেসব স্থানের তথ্য রয়েছে, সেখানকার অনেক মাইন স্রোতের কারণে ভেসে গেছে বা অবস্থান পরিবর্তন করেছে। ফলে ইরানের পেতে রাখা মাইন অপসারণের কাজও তাদের জন্য জটিল হয়ে উঠেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au