প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কেন হয়েছিল, এত দেশ কীভাবে এতে জড়িয়ে পড়ল
মেলবোর্ন, ২৮ জুলাই: একটি হত্যাকাণ্ড, একের পর এক যুদ্ধ ঘোষণা, আর পরস্পরের সঙ্গে বাঁধা সামরিক জোট—সব মিলিয়ে শুরু হয়েছিল মানব ইতিহাসের অন্যতম এক ভয়াবহ সংঘাত।…
মেলবোর্ন, ২৮ জুলাই: ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা ইতিবাচক অগ্রগতি দেখাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, এ আলোচনা দীর্ঘ সময় ধরে টেনে নেওয়ার পক্ষে নন। একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় কূটনৈতিক তৎপরতাও বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ওয়াশিংটনে পৌঁছেছেন, যেখানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে তার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। খবর আল জাজিরার।
ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা “খুবই ইতিবাচক” পর্যায়ে রয়েছে। তবে তিনি ইঙ্গিত দেন, আলোচনার নামে দীর্ঘসূত্রতা তিনি মেনে নেবেন না। তার মতে, দ্রুত ও কার্যকর ফলাফল নিশ্চিত করাই যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য।
অন্যদিকে, ইরানের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, চলমান সংঘাত থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজতে যুক্তরাষ্ট্রই এখন চাপে রয়েছে। তাদের ভাষ্য, সামরিক ও কূটনৈতিক উভয় দিক থেকেই ওয়াশিংটন জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে।
এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্র সফরে ওয়াশিংটনে পৌঁছেছেন। সফরকালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে তার বৈঠকে ইরানকে ঘিরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি, চলমান যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক সংকট প্রধান আলোচ্য বিষয় হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব। রিয়াদের দাবি, হামলায় দেশটির রাজধানী রিয়াদ এবং পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এ ধরনের হামলাকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্ক জানিয়েছেন, লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের একাধিক ঘটনার তথ্য জাতিসংঘ নথিভুক্ত করেছে। তার ভাষ্য, এসব ঘটনার মধ্যে কয়েকটি যুদ্ধাপরাধের পর্যায়ে পড়তে পারে এবং সেগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত, ইরানকে ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির মধ্যে আন্তর্জাতিক মহলের নজর এখন ওয়াশিংটনের বৈঠক এবং পরবর্তী কূটনৈতিক পদক্ষেপের দিকে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au