বিশ্ব

‘আমি সৈনিক ছিলাম না, শিশুদের চিকিৎসা করতেই সিরিয়ায় গিয়েছিলাম’: তারেক কামলেহ

সাক্ষাৎকারে আইএসে যোগদানের অভিযোগ অস্বীকার

  • 7:24 pm - July 29, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৩৫ বার
তারেক কামলেহ

মেলবোর্ন, ২৯ জুলাই: অস্ট্রেলিয়ার ‘ডক্টর জিহাদ’ নামে পরিচিত অস্ট্রেলীয় চিকিৎসক তারেক কামলেহ পুনরায় প্রকাশিত একটি সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, তিনি কখনোই ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এ যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে সিরিয়ায় যাননি এবং সংগঠনটির প্রতি আনুগত্যের শপথও নেননি। ইরাকের একটি কারাগারে তিনি জীবিত রয়েছেন বলে গত সপ্তাহে প্রকাশ হওয়ার পর এই সাক্ষাৎকার নতুন করে অস্ট্রেলিয়াজুড়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

পার্থে জন্ম নেওয়া এবং অ্যাডিলেডে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিশু বিশেষজ্ঞ তারেক কামলেহ ২০১৫ সালে সিরিয়ায় যান। বর্তমানে তিনি আইএসের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ইরাকের একটি কারাগারে আটক থাকা এক ডজনের বেশি অস্ট্রেলীয় নাগরিকের একজন। চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সিরিয়ার কুখ্যাত কারাগারগুলো থেকে আইএস-সংশ্লিষ্ট কয়েকজন বন্দিকে ইরাকে স্থানান্তর করা হলে সেই চুক্তির আওতায় কামলেহকেও সেখানে নেওয়া হয়।

অস্ট্রেলিয়া সরকার ইতোমধ্যে আইএস-সংশ্লিষ্ট কয়েকজন অস্ট্রেলীয় নারী ও শিশুকে দেশে ফিরিয়ে আনলেও আইএসে যোগদানের অভিযোগে আটক পুরুষদের ফিরিয়ে আনার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে স্পষ্ট করেছে।

সম্প্রতি জানা গেছে, জার্মানির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যমগুলোর অর্থায়নে পরিচালিত ‘ফাঙ্ক’ (funk) নামের একটি গণমাধ্যম সিরিয়ার একটি কারাগারে থাকাকালে তারেক কামলেহর সাক্ষাৎকার নিয়েছিল। ২০২৫ সালের জুলাই মাসের শুরুতে প্রথম প্রকাশিত সেই সাক্ষাৎকারটি সম্প্রতি আবার আলোচনায় আসে।

সাক্ষাৎকারে কামলেহ দাবি করেন, কেন তাকে গ্রেপ্তার করে আটক রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানতেন না।

তিনি বলেন, “কেউ আপনার সঙ্গে কথা বলে না। আপনি কারও সঙ্গে বসতে পারেন না। কেন এখানে আছেন, কতদিন থাকতে হবে, কিছুই জানেন না।”

তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তার এসব বক্তব্য মূলত তার বিরুদ্ধে থাকা অপরাধমূলক অভিযোগ থেকে নিজেকে দূরে রাখার প্রচেষ্টা বলেই মনে হয়। কারণ তিনি যে সময়ে সিরিয়ায় গিয়েছিলেন, সে সময় ওই এলাকায় যাওয়া নিজেই অস্ট্রেলিয়ার আইনে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।

অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ (এএফপি) তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের একাধিক অভিযোগ এনেছে। এর মধ্যে রয়েছে আইএসে যোগদান এবং সংগঠনটির জন্য সদস্য সংগ্রহের অভিযোগ।

সাক্ষাৎকারে কামলেহর মুখ ঝাপসা করে দেখানো হয়েছে এবং তার নামও উল্লেখ করা হয়নি। সাংবাদিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, সাক্ষাৎকার দিতে রাজি হওয়ার শর্তই ছিল এটি। তবে প্রামাণ্যচিত্রে ব্যবহৃত ঝাপসা ছবি ও ভিডিও অস্ট্রেলিয়ায় আগে প্রকাশিত তার পরিচিত ছবি ও ভিডিওর সঙ্গে মিল রয়েছে।

সাক্ষাৎকারে তাকে একটি প্রচারমূলক ভিডিও সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়, যেখানে তাকে একটি সুড়ঙ্গে রাইফেল হাতে আইএসের প্রশংসা করতে দেখা যায়। কামলেহ দাবি করেন, ২০১৭ সালে তাকে জোর করে ওই ভিডিও ধারণ করানো হয়েছিল।

তিনি বলেন, “তারা আমাকে মুসলিম বিশ্ব এবং পশ্চিমা বিশ্বের উদ্দেশে একটি বার্তা দিতে বলেছিল যে তারা রাক্কায় অবস্থান ধরে রাখবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাকে একটি কাগজ দেওয়া হয়েছিল, সেটি মুখস্থ করতে হয়েছিল। তবে আমি কিছু শব্দ নিজের মতো করে বদলে দিয়েছিলাম, কারণ তারা আমাকে যে কথাগুলো বলতে বলেছিল, সেগুলোর কিছু ছিল খুবই বিপজ্জনক।”

আইএসের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের বিষয়ে কামলেহ বলেন, তিনি কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনটিতে যোগ দেননি।

তার ভাষায়, “এটি বড় একটি ভুল ধারণা যে সিরিয়ায় যাওয়া সবাই আইএসে যোগ দিয়েছিল।”

তিনি বলেন, “আমি কোনো প্রশিক্ষণ নিইনি। আমি কখনো ‘বাইআহ’ দিইনি, যার অর্থ আনুগত্যের শপথ।”

তবে সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী সাংবাদিকরা লক্ষ্য করেন, তিনি আরবি শব্দ ‘দাওলা’ ব্যবহার করেছেন, যার অর্থ ‘রাষ্ট্র’। আইএস সমর্থকেরা সংগঠনটিকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে এই শব্দ ব্যবহার করতেন।

কামলেহ বলেন, সিরিয়ায় ভয়াবহ মানবিক সংকট দেখে তিনি চিকিৎসক হিসেবে সেখানে যেতে চেয়েছিলেন। সে উদ্দেশ্যে তিনি আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থা মেদসাঁ সঁ ফ্রঁতিয়ের (এমএসএফ) বা ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স-এ আবেদন করেছিলেন।

তিনি বলেন, “আমি তাদের বলেছিলাম, আমি একজন সুন্নি মুসলিম চিকিৎসক এবং সিরিয়ায় যেতে চাই।”

তার ভাষ্য অনুযায়ী, এমএসএফ তাকে আফ্রিকায় পাঠাতে চেয়েছিল।

তিনি বলেন, “আমি বলেছিলাম, আমি তো সিরিয়ায় যেতে চাই। তারা জানায়, পরবর্তী ১২ মাস সিরিয়ায় আর কাউকে পাঠানো হবে না। আফ্রিকা যেতে হবে, না হলে নয়।”

“তখন আমি বললাম, বিষয়টি এখানেই শেষ।”

এরপর তিনি তুরস্ক হয়ে সিরিয়ায় প্রবেশ করেন। সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্ন করেন, তিনি যে পথ ব্যবহার করেছিলেন, সেটি সরাসরি আইএস নিয়ন্ত্রিত এলাকায় নিয়ে যেত এবং তিনি নিশ্চয়ই তা জানতেন।

জবাবে কামলেহ বলেন, “আমি সত্যি বলতে জানতাম না কীভাবে সিরিয়ায় যেতে হয়। কোনো পরিকল্পনাও ছিল না। আমি কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হতে চাইনি।”

তিনি বলেন, “কাকতালীয়ভাবে আমি যে এলাকা দিয়ে ঢুকেছিলাম, সেটি তখন আইএসের নিয়ন্ত্রণে ছিল। অন্যদের কাছ থেকে শুনেছিলাম, সিরিয়ায় ঢোকার মাত্র দুটি পথ ছিল।”

“সেই সময়ে সিরিয়ায় ঢুকতে হলে আইএস নিয়ন্ত্রিত এলাকাতেই যেতে হতো। আমার কাছে তখন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ছিল না যে সেটি আইএস নাকি অন্য কোনো গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে।”

সিরিয়ায় নিজের ভূমিকা সম্পর্কে কামলেহ বলেন, তিনি একজন চিকিৎসক হিসেবেই কাজ করেছেন।

তিনি বলেন, “আমি জরুরি বিভাগ, ওয়ার্ড এবং নবজাতক বিভাগ পরিচালনা করতাম।”

তার ভাষ্য অনুযায়ী, অধিকাংশ শিশু সাধারণ অসুস্থতা, অকাল জন্ম কিংবা অন্যান্য চিকিৎসাজনিত কারণে হাসপাতালে আসত। পাশাপাশি যুদ্ধাহত শিশুরাও চিকিৎসার জন্য সেখানে আসত।

তিনি বলেন, “অঙ্গহানি, দগ্ধ হওয়া, প্রায় সব ধরনের আঘাতই আমি দেখেছি।”

তিনি জানান, আইএস তার পরিবারকে থাকার জন্য একটি বাড়ি দিয়েছিল।

তিনি বলেন, “আমি প্রতিদিন হাসপাতালে যেতাম। প্রয়োজন হলে রাতে ফোন করে ডাকা হতো। এটা ছিল স্বাভাবিক জীবন, শুধু যুদ্ধক্ষেত্রের মধ্যে।”

কামলেহ দাবি করেন, শিশু বিশেষজ্ঞ হওয়ায় তিনি আইএস যোদ্ধাদের থেকে আলাদা ছিলেন।

তিনি বলেন, “আমি যদি বড়দের চিকিৎসক বা সার্জন হতাম, তাহলে সৈন্য বা কর্মকর্তাদের চিকিৎসা করতে হতো। সেটি ভিন্ন বিষয়। আমি শুধু শিশুদের চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলাম, সৈনিক ছিলাম না।”

তবে তিনি স্বীকার করেন, আইএসের নির্দেশ অমান্য করলে তাকে হত্যা করা হতে পারত। তার প্রচারণামূলক ভিডিওতে অংশ নেওয়ার বিষয়টির সঙ্গে এ প্রসঙ্গও জড়িত ছিল।

২০১৯ সালে আইএসের শেষ ঘাঁটি বাঘুজে জোট বাহিনীর অভিযানের সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সাক্ষাৎকারে আইএসের কঠোর শরিয়াহ আইন নিয়েও তাকে প্রশ্ন করা হয়।

তিনি বলেন, “যদি কেউ ব্যভিচারের দায়ে অভিযুক্ত হতো, তাকে পাথর ছুড়ে হত্যা করা হতো। চুরির অভিযোগ প্রমাণিত হলে হাত কেটে দেওয়া হতো, যা ধর্মীয় বিধানের অংশ।”

তিনি বলেন, “আমি জানতাম এসব ঘটত। সত্যি বলতে, আমি নিজে তা দেখিনি।”

“আমি কয়েকজনকে দেখেছি, যাদের হাত কেটে দেওয়ার আগে সার্জনরা প্রস্তুত করছিলেন।”

যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি এটিকে সঠিক মনে করেন কি না, তখন তিনি বলেন, “সঠিক না ভুল, সেটি আমি বলব না। যদি আল্লাহ বলে থাকেন, নির্দিষ্ট পরিমাণ চুরি করলে হাত কেটে দিতে হবে, তাহলে আমি বা আপনি কে যে এর বিরোধিতা করব?”

তিনি আরও বলেন, “আমি মুসলমান। নিজের ধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারি না। সেটি আল্লাহর বিরোধিতা করার মতো হবে।”

তারেক কামলেহ দাবি করেন, এটি কোরআনের নির্দেশ।

তিনি বলেন, “যেকোনো দোকান থেকে কোরআন কিনে দেখুন। অন্য কোনো সংস্করণ নেই। সেখানে যা লেখা আছে, সেটাই বলছি।”

তিনি আরও বলেন, “আপনি যদি মানবাধিকারের বই খুলে বসেন, তাহলে দুই পক্ষ নিয়েই বিতর্ক করা যায়। পশ্চিমা বাহিনী রাক্কায় যে বোমা হামলা চালিয়েছে, সেটিও তো মানবাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না।”

The status of Islamic State-linked Australians stuck in Syria has become a major issue for the federal government. (ABC News: Baderkhan Ahmad)

“একজনের হাত কেটে দেওয়া হয়তো ছোট বিষয়, কিন্তু পশ্চিমা যুদ্ধবিমানের বোমায় আহত শত শত নিরীহ শিশুকে আমি নিজের চোখে দেখেছি।”

পরিবারের বিষয়ে তিনি বলেন, স্ত্রী ও সন্তানদের আবার দেখতে চান, কিন্তু তারা কোথায় আছেন, তা তিনি জানেন না। অস্ট্রেলিয়ায় থাকা পরিবারের সঙ্গেও তার কোনো যোগাযোগ নেই।

তিনি বলেন, “আমি একবার মায়ের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। বলেছিলাম, তুরস্ক সীমান্তে গিয়ে সিরিয়ার সাধারণ মানুষকে সাহায্য করতে চাই।”

“তিনি বলেছিলেন, এটা অসম্ভব। ওটা যুদ্ধক্ষেত্রের কাছাকাছি। তিনি হুমকি দিয়েছিলেন, আমি গেলে কর্তৃপক্ষকে জানাবেন এবং আমার পাসপোর্ট বাতিল করাবেন।”

তিনি বলেন, “পরিবার সব সময় চায় না আপনি বিপজ্জনক জায়গায় যান, যদিও আপনার উদ্দেশ্য ভালোই হোক।”

এদিকে, ইরাকের সুপ্রিম কোর্ট জুন মাসে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারেক কামলেহর বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, “তার কার্যক্রম শুধু চিকিৎসাসেবা দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না।”

এতে আরও বলা হয়, “তিনি উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর প্রচারণা গ্রহণ করেছিলেন এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে শুধু যুদ্ধক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ না রেখে অন্যত্রও ছড়িয়ে দেওয়ার পক্ষে বক্তব্য দিয়েছিলেন, যা সে সময় উগ্রপন্থী সংগঠনগুলোর প্রচারিত মতাদর্শের প্রতিফলন।”

গত সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়া সরকারও পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, যেসব অস্ট্রেলীয় স্বেচ্ছায় একটি বিপজ্জনক সন্ত্রাসী সংগঠনে যোগ দিয়েছিল, তাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার কোনো সহায়তা করবে না।

সরকারের এক মুখপাত্র বলেন, “আমরা স্পষ্ট করে বলেছি, এই গোষ্ঠীর কিছু ব্যক্তি যদি অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে আসে, তাহলে তাদের দেশের প্রচলিত আইনের সর্বোচ্চ কঠোরতার মুখোমুখি হতে হবে।”

সুত্রঃ এবিসি নিউজ

এই শাখার আরও খবর

গুলশান থেকে গ্রেপ্তার সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী

মেলবোর্ন, ৩০ জুলাই: শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি)…

পুলিশের বাধায় হবিগঞ্জ যেতে পারেননি এনসিপি নেতারা

মেলবোর্ন, ৩০ জুলাই:হবিগঞ্জে পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহর। পরে হবিগঞ্জ সীমান্তেও…

ইরানকে ফের কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের

মেলবোর্ন, ৩০ জুলাই: মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর তেহরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের…

২০৩৬ সালে টাকার মূল্য থাকবে না? এআই নিয়ে ইলন মাস্কের বিস্ময়কর ভবিষ্যদ্বাণী

মেলবোর্ন, ২৯ জুলাই: বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক দাবি করেছেন, আগামী এক দশকের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও রোবটের অগ্রগতির ফলে প্রচলিত অর্থব্যবস্থার…

‘দ্য ওডিসি’তে কে কত পারিশ্রমিক নিয়েছেন

মেলবোর্ন, ৩০ জুলাই: পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলানের নতুন চলচ্চিত্র ‘দ্য ওডিসি’ বিশ্বজুড়ে বক্স অফিসে সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। গ্রিক মহাকাব্য অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমাটি মুক্তির পর…

আত্মহত্যার আগের দিন থানায় গিয়েছিলেন মা, সমুদ্রে মিলল মা-মেয়ের মরদেহ

মেলবোর্ন, ৩০ জুলাই: অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ায় এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে আত্মহত্যার সন্দেহে থাকা এক মা ঘটনার আগের দিনই স্থানীয় থানায় গিয়েছিলেন…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au