বাংলাদেশ

জুলাই চেতনাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ এনে ঢাবি শিক্ষকদের তালিকা করলো কারা?

  • 1:23 pm - August 12, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৩৫ বার
জুলাই চেতনাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ এনে ঢাবি শিক্ষকদের তালিকা ।ছবিঃ সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ১২ আগষ্ট: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের বিরোধিতা এবং জুলাইয়ের চেতনার পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগের পর দুটি পৃথক তালিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ চার সদস্যের একটি যাচাই-বাছাই কমিটি গঠন করলেও ২৩১ ও ১২৫ শিক্ষকের নাম থাকা এসব তালিকা কারা তৈরি করেছে, কী প্রক্রিয়ায় করেছে এবং কোন তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

সম্প্রতি ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষক ফোরাম’-এর ব্যানারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষক প্রায় ২০০ পৃষ্ঠার একটি নথি উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের কাছে জমা দেন। ওই নথিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এবং বিভিন্নভাবে আন্দোলনের বিরোধিতা করার অভিযোগে বেশ কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

গত ২৭ জুলাই এই অভিযোগ উপাচার্যের কাছে জমা দেওয়ার পর ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি উত্থাপন করা হয়। পরে অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট নথি যাচাইয়ের জন্য চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে রয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, প্রো-ভিসি প্রশাসন অধ্যাপক মো. আল মুজাদ্দেদি আলফেছানি, প্রো-ভিসি শিক্ষা অধ্যাপক আবদুস সালাম এবং সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান।

তবে কমিটির সদস্য দুই প্রো-ভিসিই জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিজস্বভাবে কোনো তালিকা তৈরি করেনি। উপাচার্যের কাছে শিক্ষকরা যে নথি জমা দিয়েছিলেন, সেটিই সিন্ডিকেটে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে তারা জানান।

প্রো-ভিসি প্রশাসন অধ্যাপক মো. আল মুজাদ্দেদি আলফেছানি বলেন, নথিতে ঠিক কতজন শিক্ষকের নাম রয়েছে তা তিনি নিশ্চিতভাবে বলতে পারছেন না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, উপাচার্যের কাছে জমা দেওয়া নথিতে বিভিন্ন শিক্ষক সম্পর্কে তথ্য ও ছবি সংযুক্ত ছিল। সেগুলোর সত্যতা যাচাই করতেই কমিটি গঠন করা হয়েছে।

প্রো-ভিসি শিক্ষা অধ্যাপক আবদুস সালামও জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তৈরি কোনো নিজস্ব তালিকা নেই। কারা তালিকা তৈরি করে উপাচার্যের কাছে জমা দিয়েছেন, সেটিও তিনি জানেন না। তার মতে, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের পরই কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রশ্ন আসতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জুলাইয়ের চেতনা বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে কার বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য এবং কার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি, তা যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।

২৩১ শিক্ষকের তালিকা নিয়ে বিতর্ক

সিন্ডিকেট সভায় ‘লিস্ট অব টপ ব্লু টিচার্স’ নামে ২৩১ শিক্ষকের একটি তালিকা উপস্থাপনের কথা জানা গেছে। তালিকায় শিক্ষকদের নামের পাশাপাশি তাদের বিভাগ বা ইনস্টিটিউটের নামও রয়েছে।

তালিকায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত নীল দলের সঙ্গে যুক্ত বলে পরিচিত অনেক শিক্ষকের নাম রয়েছে। তাদের মধ্যে অতীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, ডিন, সিন্ডিকেট সদস্যসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করা শিক্ষকও রয়েছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, যারা শিক্ষক রাজনীতিতে নীল দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের নামও রয়েছে।

তবে তালিকাটি নিয়েই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে এর ভিত্তি ও প্রণয়ন প্রক্রিয়া নিয়ে। কারণ তালিকায় এমন কিছু শিক্ষকের নামও রয়েছে, যারা নিজেদের কোনো রাজনৈতিক শিক্ষক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন বলে দাবি করেছেন।

এদিকে ২৮ জুলাইয়ের সিন্ডিকেট সভার পর আরেকটি ১২৫ শিক্ষকের তালিকার কথাও সামনে আসে। দুটি তালিকা তুলনা করলে দেখা যায়, প্রথম তালিকার ২৩১ জনের মধ্যে ১০৬ জনের নাম দ্বিতীয় তালিকায় নেই। ফলে একই অভিযোগের ক্ষেত্রে এত অল্প সময়ের ব্যবধানে তালিকার সংখ্যা ও নাম পরিবর্তনের কারণ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

প্রো-ভিসি প্রশাসন অধ্যাপক আল মুজাদ্দেদি আলফেছানি বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ থাকলে সেটির ভিত্তি ও সংখ্যা স্পষ্ট হওয়া উচিত। ২৩১ ও ১২৫ জনের দুটি ভিন্ন তালিকার বিষয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের কথা উল্লেখ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে যে অভিযোগ এসেছে, সেটিই এখন যাচাই করা হবে।

তবে যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, সিন্ডিকেট সভার পর এখনো কমিটির কোনো বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে কোন তালিকা ধরে তদন্ত করা হবে এবং কীভাবে অভিযোগগুলো যাচাই করা হবে, সে সিদ্ধান্তও এখনো নেওয়া হয়নি।

শিক্ষক সংগঠনগুলোর অবস্থান

তালিকাটি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনের মধ্যেও ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংকের যুগ্ম আহ্বায়ক ও আরবি বিভাগের অধ্যাপক যুবাইর মুহাম্মদ এহসানুল হক জানিয়েছেন, তাদের সংগঠন এই তালিকা তৈরির সঙ্গে যুক্ত নয়। তার দাবি, উপাচার্যের কাছে যারা তালিকা জমা দিয়েছেন, তাদের মধ্যে ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংকের কেউ ছিলেন না।

তিনি বলেন, কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন হলে তা অবশ্যই ন্যায়সংগত তদন্ত ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নিয়ম মেনে হওয়া উচিত।

অন্যদিকে বিএনপি সমর্থিত সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খানও তালিকা তৈরির সঙ্গে তাদের সংগঠনের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছেন। ১ আগস্ট দেওয়া এক বিবৃতিতে সাদা দলের পক্ষ থেকে শিক্ষকদের পৃথক তালিকা তৈরির সঙ্গে তাদের নাম জড়ানোর বিষয়টি অস্বীকার করা হয়।

তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনকারীদের পক্ষে সক্রিয় থাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে তালিকা তৈরির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ২ আগস্ট দেওয়া এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের আগেই শিক্ষকদের নাম প্রকাশ করা হলে তা ব্যক্তিগত ও পেশাগতভাবে হয়রানির পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সময়ের ছবি।ছবিঃ বিবিসি

একই সঙ্গে সংগঠনটি মনে করে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩ অনুযায়ী শিক্ষকদের মত প্রকাশের অধিকার রয়েছে। কেবল রাজনৈতিক মত, পরিচয় বা কোনো দলের প্রতি সমর্থনকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা না করে নির্দিষ্ট কর্মকাণ্ড, প্রমাণ ও দায়িত্বের ভিত্তিতে অভিযোগ যাচাই করা প্রয়োজন।

সংগঠনটির দাবি, শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনে কেউ ব্যর্থ হলে বা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে অবশ্যই জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। তবে কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা পূর্বনির্ধারিত অবস্থানের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত নয়।

তালিকায় থাকা শিক্ষকদের বক্তব্য

২৩১ ও ১২৫ শিক্ষকের তালিকায় নাম রয়েছে এমন কয়েকজন শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলেছে বিবিসি বাংলা। তাদের একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. মশিউর রহমান।

অধ্যাপক মশিউর রহমান আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদত্যাগ করেন। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধান চলছে।

তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট গণভবনের একটি বৈঠক এবং একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে অধ্যাপক মশিউর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

তার বক্তব্য, কোনো শিক্ষক অন্যায় বা শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ প্রশাসনের রয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিক মত প্রকাশের কারণে ঢালাওভাবে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তচিন্তা ও জ্ঞানচর্চার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠনগুলোর নামের সঙ্গে নীল, সাদা বা গোলাপি রঙের ব্যবহার থাকলেও এর অর্থ এই নয় যে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক শিক্ষক নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

এদিকে দুই তালিকাতেই নাম থাকা এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তিনি শিক্ষক রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। গণমাধ্যমের খবরের মাধ্যমে ২৩১ ও ১২৫ শিক্ষকের তালিকার কথা জানতে পেরেছেন।

তার প্রশ্ন, কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে কীভাবে ২৩১ জনের তালিকা থেকে ১০৬ জনের নাম বাদ দিয়ে ১২৫ জনের নতুন তালিকা তৈরি হলো।

ওই শিক্ষক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্ঞানচর্চার জন্য ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ থাকা জরুরি। মতের পার্থক্যকে যদি শাস্তির কারণ হিসেবে দেখা হয়, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্ত ও স্বাধীন জ্ঞানচর্চা বাধাগ্রস্ত হবে।

নীল দলের শিক্ষকদের বক্তব্য

তালিকায় থাকা নীল দলের আহ্বায়ক জিনাত হুদার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। নীল দলের সহ-আহ্বায়ক ও গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগের অধ্যাপক সিদ্ধার্থ দের নামও দুই তালিকায় রয়েছে।

অধ্যাপক সিদ্ধার্থ দে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের অধিকার রাখেন। তার দাবি, তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বা বিধির পরিপন্থী কোনো কর্মকাণ্ডে যুক্ত হননি।

তার মতে, কোনো শিক্ষককে হয়রানি বা চাকরি থেকে সরানোর উদ্দেশ্যে তালিকা তৈরি করা হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত অত্যন্ত সতর্কতা, নিরপেক্ষতা ও প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মের ভিত্তিতে বিষয়টি বিবেচনা করা।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণায় অবদান রাখা শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার আগে অভিযোগের সত্যতা, প্রমাণ এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বক্তব্য বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

তদন্তই এখন মূল প্রশ্ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি এখন চার সদস্যের যাচাই-বাছাই কমিটির সামনে যাওয়ার কথা। তবে কমিটির বৈঠক এখনো হয়নি। ফলে কোন তালিকা বা কোন নথিকে ভিত্তি করে তদন্ত হবে, অভিযোগের সত্যতা কীভাবে যাচাই করা হবে এবং অভিযুক্ত শিক্ষকদের বক্তব্য কীভাবে নেওয়া হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

জুলাই আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া শিক্ষক বা অন্য কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ থাকলে তার জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি রয়েছে জুলাইপন্থি বিভিন্ন মহলের। একই সঙ্গে অভিযোগের নামে যেন নির্দোষ শিক্ষক হয়রানির শিকার না হন, সেই নিশ্চয়তার দাবিও উঠেছে।

ফলে ২৩১ ও ১২৫ শিক্ষকের তালিকা ঘিরে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে, তালিকাগুলো কারা তৈরি করেছে, কোন তথ্যের ভিত্তিতে নাম অন্তর্ভুক্ত বা বাদ দেওয়া হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শেষ পর্যন্ত কোন প্রক্রিয়ায় অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করবে। এর উত্তর নির্ভর করবে যাচাই-বাছাই কমিটির পরবর্তী কার্যক্রম এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্তের ওপর।

সুত্রঃ বিবিসি বাংলা

এই শাখার আরও খবর

‘মেন ইন প্রপার্টি অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পেলেন ফাস্ট সেটেলের মোহাম্মদ শেখ

মেলবোর্ন: অস্ট্রেলিয়ার সম্পত্তি ও কনভেয়ান্সিং খাতে উল্লেখযোগ্য পেশাগত স্বীকৃতি অর্জন করেছেন ফাস্ট সেটেল কনভেয়ান্সিং অ্যান্ড প্রপার্টি ল-এর প্রিন্সিপাল মোহাম্মদ শেখ। অস্ট্রেলিয়ান ইনস্টিটিউট অব কনভেয়ান্সার্স ভিক্টোরিয়ার…

লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে রেললাইনে ঘুম, ট্রেনে কাটা পড়ে দুই যুবকের মৃত্যু

মেলবোর্ন, ১২ আগষ্ট: গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় ট্রেনে কাটা পড়ে দুই যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে তারা বাড়ি থেকে বের হয়ে রেললাইনের ওপর…

বিশিষ্ট মানবাধিকার নেতা রঞ্জন কর্মকার আর নেই

মেলবোর্ন, ১২আগষ্ট- বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বিশিষ্ট মানবাধিকার নেতা রঞ্জন কর্মকার মারা গেছেন।…

সিলেটে নিজ বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

মেলবোর্ন, ১২ আগষ্ট:  সিলেট মহানগরের রায়নগর আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রী ও তাদের গৃহকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে নগরের মিতালী…

সাভারে ফের প্রেশার কুকার ঘিরে আতঙ্ক, ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে

মেলবোর্ন, ১২ আগষ্ট: সাভারে ফের বোমাসদৃশ বস্তুসহ একটি প্রেশার কুকার উদ্ধারের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন সাধাপুর গোপের বাড়ি…

অ্যালবানিজের ‘মেলন’ অঙ্গভঙ্গি, বিতর্কে গুরুত্ব দিচ্ছে না জাপান

মেলবোর্ন, ১২ আগষ্ট: অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজের বিতর্কিত হাতের অঙ্গভঙ্গি নিয়ে অবশেষে প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে জাপান। তবে বিষয়টিকে বড় করে দেখছে না দেশটির সরকার। অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au