চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ৮ এপ্রিল — গত ৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া তীর্থ বিশ্বাসের মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পর ওটিএন বাংলা আরও কিছু সাম্প্রতিক তথ্য সংগ্রহ করেছে। করোনারের প্রতিবেদনে জানা গেছে, দুর্ঘটনায় তীর্থ বিশ্বাসের মাথা, বক্ষ এবং পেলভিসে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তার গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সাথে ধাক্কা খায়, ফলে গাড়িটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যেই পৌঁছালেও, ততক্ষণে তীর্থকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
মেলবোর্ন প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্য সানি সঞ্জয়, যিনি তীর্থের পরিবারের পাশে থেকে বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজ- পাসপোর্ট বাতিল, বাংলাদেশ হাই-কমিশনে যোগাযোগ, তীর্থ যেখানে চাকরি করতেন সেই মালিকের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা সহ সবকিছু তদারকি করছেন, OTN Bangla কে নিশ্চিত করেছেন যে, কর্মস্থলের ইন্স্যুরেন্স পলিসি অনুযায়ী তীর্থের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর সমস্ত ব্যয়ভার ইন্সুরেন্স বহন করবে। এছাড়াও, ওয়ার্ককভার থেকে তীর্থের স্ত্রী ঋতিকা চৌধুরীর চিকিৎসা ও প্রয়োজনে মানসিক চিকিৎসার খরচও বহন করবে যাতে তিনি এই ট্রমা থেকে তাড়াতাড়ি সেরে উঠতে পারেন।
সানি সঞ্জয় আরও জানিয়েছেন যে, পাসপোর্ট বাতিল, হাইকমিশনের অনুমোদন এবং দাফন সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক কাজগুলো সুষ্ঠুভাবে অনেকদূর এগিয়েছে। খুব শিগগিরই মরদেহ একটি ফিউনারেল সার্ভিসে হস্তান্তর করা হবে এবং এরপর বাংলাদেশে প্রেরণের জন্য সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে আরও কয়েকদিন সময় লেগে যেতে পারে।
পূর্বে প্রকাশিত সংবাদের একটি সংশোধনী:
OTN Bangla পূর্ববর্তী প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছিল যে তীর্থ বিশ্বাস ডিকিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। যদিও তিনি শুরুতে ডিকিন ইউনিভার্সিটির জিলং ক্যাম্পাসে ইনফরমেশন টেকনোলজিতে ভর্তি হয়েছিলেন, পরে তিনি তার কোর্স Victorian Institute of Technology (VIT)-এ স্থানান্তরিত করেন এবং মৃত্যুর সময়ের আগ পর্যন্ত সেখানেই অধ্যয়নরত ছিলেন। পূর্বের ত্রুটিপূর্ণ তথ্যের জন্য OTN Bangla আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে।
তীর্থ মাত্র এক বছর আগে স্টুডেন্ট ভিসায় অস্ট্রেলিয়ায় এসেছিলেন। তাঁর স্ত্রী ঋতিকা চৌধুরী ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্পাউস ভিসায় অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। তীর্থের বাড়ি বাংলাদেশের চট্টগ্রামে এবং তাঁর পিতা চন্দন বিশ্বাস চট্টগ্রামের একজন বিশিষ্ট আইনজীবী।
এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা তীর্থের নববিবাহিত স্ত্রী ও পরিবারে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশি কমিউনিটি এই অকাল মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত।
আরও তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে OTN Bangla আপনাদের সামনে আপডেট দিতে থাকবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au