দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা বাসে আগুন, নাশকতা নাকি দুর্ঘটনা?
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে দৌলতদিয়া বাস টার্মিনালে পার্কিং করে রাখা একটি লোকাল বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।…
নন্দীগ্রাম বিধানসভার উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠিয়েছে আদালত। শনিবার হলদিয়া আদালতে তার জামিনের আবেদন খারিজ করে এই নির্দেশ দেওয়া হয়।
মিলনের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের একটি পুরোনো মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। শুক্রবার পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কংগ্রেসের দাবি, একটি সভায় যোগ দিতে গিয়ে সেখান থেকেই তাকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার মিলনকে হলদিয়া আদালতে হাজির করা হলে তার জামিনের আবেদন করা হয়। তবে আদালত সেই আবেদন খারিজ করে তাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
এদিকে, খেজুরি থানায় দায়ের হওয়া অন্য একটি মামলায় আগামী সোমবার মিলনকে কাঁথি আদালতে হাজির করা হবে বলে জানা গেছে। ওই মামলাটিও পুরোনো বলে দাবি করেছে কংগ্রেস।
মিলনের গ্রেপ্তারের সময়টি নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছিল। কারণ, শনিবারই নন্দীগ্রাম বিধানসভার উপনির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল। ফলে গ্রেপ্তারের পর মিলন ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়াবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।
মিলনের গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস। দলটির অভিযোগ, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পরই প্রায় দুই দশক পুরোনো মামলা সামনে এনে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
হলদিয়া আদালতের বাইরে কংগ্রেসের প্রদেশ মুখপাত্র ও সচিব অজিতেশ পাণ্ডে বলেন, আদালতে পুলিশ জানিয়েছে, প্রায় ১৯ বছর ধরে তারা মিলন প্রধানকে খুঁজে পায়নি। অথচ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পরই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, মিলনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা সামনে আনা হচ্ছে। আগামী সোমবার খেজুরি থানার একটি মামলায় তাকে কাঁথি আদালতে হাজির করা হবে।
তবে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, মিলনের গ্রেপ্তারের পরও তারা নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়াচ্ছে না।
সূত্র:আনন্দবাজার.কম
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au