বাংলাদেশ

মিরপুরে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ভাঙচুর-লুটপাট, গ্রেপ্তার ৪

  • 9:16 pm - September 26, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৪৭ বার
গুঁড়িয়ে যাওয়া রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের ভেতর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র খুঁজছেন কর্মকর্তারা। মিরপুর-১, ঢাকা, ২৬ সেপ্টেম্বর। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে শাহ আলী থানা-পুলিশ।

শনিবার দুপুরে শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. সোহেল (২২), মো. জুয়েল (২৩), জিহাদ হাসান (২১) ও মো. রাব্বি (২০)।

ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার চারজনের মধ্যে তিনজন শাহ আলী মাজার এলাকায় ভাসমানভাবে বসবাস করেন। টাকার বিনিময়ে তাঁদের ভাঙচুরে অংশ নেওয়ার জন্য নেওয়া হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে প্রবেশ করেন।

এ সময় তাঁরা সেখানে থাকা দুই নিরাপত্তাকর্মীকে জিম্মি করেন। পরে কেন্দ্রের মূল্যবান যন্ত্রপাতি, ওষুধ, টিকা, নগদ টাকা ও অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়।

রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে লুটপাট করে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর সাইনবোর্ড টাঙানো হয়েছে। মিরপুর, ঢাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬। ছবি: সংগৃহীত

হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুর

লুটপাটের পর ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে প্রতিষ্ঠানের স্থাপনায় ভাঙচুর চালানো হয়। এতে একটি পাকা ও তিনটি আধা পাকা ভবনসহ পুরো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার পর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের পক্ষ থেকে শাহ আলী থানায় মামলা করা হয়েছে। তবে এখনো মামলার এজাহারের কপি তাঁদের হাতে পৌঁছায়নি বলে জানিয়েছেন সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক নাসরিন আখতার।

পুলিশ জানিয়েছে, হামলার সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে লুটপাটের পর গুঁড়িয়ে দেয়। মিরপুর, ঢাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬। ছবি: সংগৃহীত

রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ১৯৭৪ সালে মিরপুরের সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য মাতৃ ও শিশুসেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে কার্যক্রম শুরু করে।

দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি শিশুদের টিকাদান, শিশু স্বাস্থ্যসেবা, প্রজনন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছিল।

হামলার পর প্রতিষ্ঠানটির ভবন ও অবকাঠামো গুঁড়িয়ে যাওয়ায় এসব সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এই শাখার আরও খবর

এশিয়াডে চতুর্থ সোনা ভারতের, ইরানকে হারিয়ে কবাডিতে চ্যাম্পিয়ন ছেলেরাও

এশিয়ান গেমসে কবাডিতে জোড়া সোনা জিতেছে ভারত। মেয়েদের পর এবার পুরুষদের ফাইনালেও ইরানকে হারিয়ে স্বর্ণপদক জিতেছে ভারতীয় দল। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত…

ইউনূসের বক্তব্য মূল অধিবেশনে নয়, সাইড ইভেন্টে: মাসুদ কামাল

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে নিউইয়র্কে একটি হলরুম ভাড়া নিয়ে সাইড ইভেন্টে বক্তব্য দিয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এটি সাধারণ পরিষদের…

আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক স্থানে ভাস্কর্য নয়, বসছে ফোয়ারা

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ এবং পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক স্থানে ভাস্কর্য নির্মাণের পরিবর্তে পানির ফোয়ারা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ…

এফবিআই কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের শঙ্কা, বাড়ছে আতঙ্ক

হ্যাকিংয়ের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো (এফবিআই) কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত ও গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় আতঙ্ক ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে সংস্থাটির বর্তমান ও সাবেক…

ফ্রিম্যান্টলকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার এএফএল শিরোপা ব্রিসবেনের

অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে এএফএল গ্র্যান্ড ফাইনালে ফ্রিম্যান্টল ডকার্সকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ব্রিসবেন লায়ন্স। ম্যাচের শেষ পাঁচ মিনিটে চারটি গোল করে ১৭ পয়েন্টে…

অপ্রতিমের মা-বাবাকে ফোনে হুমকি, নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা

কুমিল্লায় আলোচিত ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর তার মা-বাবা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে অপ্রতিমের বাবা ব্যবসায়ী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারকে গালিগালাজ ও…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au