কনডেম সেলে মিন্নি: ওজন কমে ভেঙে পড়েছে শরীর, বলছেন না কথা
বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর প্রায় ছয় বছর পেরিয়ে গেছে। তবে উচ্চ আদালতে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়ায় বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের…
অস্ট্রেলিয়ার পার্থে শহরের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপশহর ওরেলিয়ায় বাড়ির পেছনের উঠান থেকে ২৯ বছর বয়সী এক যুবকের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তাঁর যমজ ভাইকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটিকে সম্ভাব্য পারিবারিক সহিংসতাজনিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে তদন্ত করছেন গোয়েন্দারা।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পরিবারের তৃতীয় এক সদস্য প্রথম ওই যুবকের মরদেহ দেখতে পান বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে পরিবারের সদস্যরা তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পুলিশকে খবর দিয়েছিলেন। পরে তাঁর খোঁজে বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি চালানোর সময় মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়।
শুক্রবার আকাশ থেকে ধারণ করা ভিডিওতে বাড়ির পেছনের উঠান খোঁড়াখুঁড়ি করতে দেখা যায়। সেখানে মাটির নিচে ওই যুবকের মরদেহ পাওয়া যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর শরীরে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক দিন ধরে তিনি সেখানে পড়ে ছিলেন।
পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া পুলিশের ভারপ্রাপ্ত গোয়েন্দা সুপারিনটেনডেন্ট জেসিকা সিকুরো বলেন, “আমি নিশ্চিত করতে পারি, ওই ব্যক্তির শরীরে দৃশ্যমান কিছু আঘাতের চিহ্ন ছিল। তবে এ পর্যায়ে আঘাতের সুনির্দিষ্ট ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত বলতে পারছি না।”
নিহত যুবকের যমজ ভাইও ওই বাড়িতে থাকতেন। তাঁকে আটক করে মৃত্যুর ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

ঘটনাটিকে সম্ভাব্য পারিবারিক সহিংসতাজনিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে তদন্ত করছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। ছবি: ৯নিউজ
সিকুরো বলেন, “এটি একটি মর্মান্তিক ঘটনা। পরিবারের সদস্যরা গভীরভাবে ভেঙে পড়েছেন। আমরা তাঁদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছি।”
ঘটনার পর বাড়িটিকে অপরাধস্থল ঘোষণা করে ঘিরে রেখেছে পুলিশ। এক দিনের বেশি সময় ধরে সেখানে তদন্ত কার্যক্রম চলে। ফরেনসিক কর্মকর্তারা বাড়ির পেছনের উঠানসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে সম্ভাব্য আলামত সংগ্রহ করেন। বাড়ির ভেতরেও তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ময়লার পাত্রগুলো খালি করা হয় এবং বিভিন্ন বস্তু আলামত হিসেবে ব্যাগে ভরে নিয়ে যান কর্মকর্তারা।
সিকুরো বলেন, “বেশ কিছু জিনিস জব্দ করা হয়েছে। পুলিশের অভিযোগ, এগুলো অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে।”
প্রতিবেশীরা স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ৯নিউজকে জানান, বাড়িটি সম্প্রতি বিক্রি হয়েছিল। সেখানে বসবাসকারীরা সাধারণত নিজেদের আড়ালে রাখতেন।
প্রতিবেশী ইয়ান উরকুহার্ট বলেন, “ওই বাড়িতে কেউ মারা গেছেন শুনে আমি সত্যিই হতবাক হয়েছি।”
ঘটনার সময় দুই ভাইয়ের মধ্যে কী ঘটেছিল, তা জানতে আরও কয়েক দিন বাড়িটিতে অবস্থান করে তদন্ত চালাতে পারেন হত্যাকাণ্ড তদন্ত শাখার গোয়েন্দারা।
শুক্রবার রাত পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত করা হয়নি।
সূত্র: নিউজ.কম.এইউ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au