চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন ১৫ এপ্রিল ২০২৫- সারাংশ (Synopsis):
লেবার পার্টির এমপি টিউলিপ সিদ্দিক বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানাকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ‘smear campaign’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তার মুখপাত্র বলেন, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং তার আইনজীবীরা এসব অভিযোগের লিখিত জবাব দিয়েছেন। টিউলিপ সিদ্দিক কখনো বাংলাদেশে অবৈধভাবে কোনো জমি গ্রহণ করেননি। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিনি যুক্তরাজ্যের ট্রেজারি মিনিস্টারের পদ থেকে পদত্যাগ করেন, যাতে পারিবারিক সম্পর্ক সরকারের কাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করে।
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নি ও যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির এমপি টিউলিপ সিদ্দিক সোমবার তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার খবর প্রকাশের পর দৃঢ়ভাবে নিজের নির্দোষিতা দাবি করেছেন।
“এই রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত smear campaign-কে আমি কোনো সম্মান দিতে চাই না। এর পেছনে কোনো সত্যতা নেই।”
“আমার আইনজীবীরা প্রোএকটিভলি বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষকে চিঠি লিখেছেন, কিন্তু তারা কোনো উত্তর দেয়নি,” টিউলিপ লন্ডনে সাংবাদিকদের বলেন।
“এই রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত smear campaign-কে আমি কোনো সম্মান দিতে চাই না। এর পেছনে কোনো সত্যতা নেই।”
“দুদক গত কয়েক মাসে যেসব অভিযোগ তুলেছে, সেগুলোর কোনো ভিত্তি নেই এবং এগুলোর আইনগত জবাব দেওয়া হয়েছে। দুদক সরাসরি টিউলিপকে বা তার আইনজীবীদের কিছুই জানায়নি। কোনো শুনানির তথ্যও তিনি জানেন না।”
টিউলিপ জানান, বাংলাদেশে কখনোই তার কোনো জমি ছিল না এবং তিনি বা তার পরিবারের জন্য জমি বরাদ্দে কোনো প্রভাব বিস্তার করেননি। তার মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন:
“দুদক গত কয়েক মাসে যেসব অভিযোগ তুলেছে, সেগুলোর কোনো ভিত্তি নেই এবং এগুলোর আইনগত জবাব দেওয়া হয়েছে। দুদক সরাসরি টিউলিপকে বা তার আইনজীবীদের কিছুই জানায়নি। কোনো শুনানির তথ্যও তিনি জানেন না।”
টিউলিপ সিদ্দিক, যিনি লন্ডনের হ্যাম্পস্টেড ও হাইগেট আসনের এমপি, চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাজ্যের অর্থ মন্ত্রণালয়ের ইকোনমিক সেক্রেটারি পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তিনি বলেন, তার পারিবারিক সম্পর্ক যেন সরকারি কাজে প্রতিবন্ধকতা না হয়, সেই কারণে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

১০ ডাউনিং স্ট্রিট থেকে প্রকাশিত তার পদত্যাগপত্রে টিউলিপ উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার-এর স্বতন্ত্র উপদেষ্টা তার বিরুদ্ধে কোনো ministerial code লঙ্ঘনের প্রমাণ পাননি।
স্টারমার তার অবদানের প্রশংসা করে বলেন, তিনি ব্যাংকিং হাব চালু ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বিষয়ে সরকারের নীতি নির্ধারণে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ “Category 2 Type B” তালিকাভুক্ত দেশ হওয়ায়, যেকোনো সম্ভাব্য extradition request-এর ক্ষেত্রে, প্রাথমিকভাবে দোষের প্রমাণ হাজির করতে হয়।
টিউলিপসিদ্দিক বলেছেন:
“আমার কোনো অপরাধ নেই। এটি একটি রাজনৈতিক হয়রানি। আমি নির্দোষ।”
(সূত্র: The Economic Times)
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au