বাংলাদেশ

মতামত: মহিউদ্দিন আহমদ

আওয়ামী লীগ ও জামায়াত: রাজনৈতিক জোটের ইতিহাসে বিচিত্র বাঁক

  • 4:13 pm - November 02, 2026
  • পঠিত হয়েছে:২৭ বার
আওয়ামী লীগ ও জামায়াত: রাজনৈতিক জোটের ইতিহাসে বিচিত্র বাঁক।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি একটি তাৎপর্যপূর্ণ অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ এবং বর্তমানে বিরোধী দলের নেতৃত্বে থাকা জামায়াতে ইসলামী গোপন সমঝোতায় পৌঁছেছে। অভিন্ন আদর্শ নয়, বরং একটি সাধারণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য তাদের এক করেছে। কয়েক দিন আগে এক জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন যোগসাজশের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

এই অভিযোগকে বিশেষ তাৎপর্য দিয়েছে এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ঐতিহাসিক বৈপরীত্য। কয়েক দশক ধরে আওয়ামী লীগ ও জামায়াত বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয় সম্পর্কে পরস্পরবিরোধী বয়ানের প্রতিনিধিত্ব করে এসেছে। তাদের সবচেয়ে গভীর বিভাজনের কেন্দ্রে রয়েছে বাংলাদেশের জন্মের বছর—১৯৭১ সালের স্মৃতি। তবে তারেক রহমানের বক্তব্য হলো, প্রকাশ্য এই বৈরিতার আড়ালে প্রায়ই পারস্পরিক সমঝোতার একটি কম দৃশ্যমান ইতিহাস ছিল।

এই অভিযোগ রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন, নাকি রাজনৈতিক বক্তব্য—তা বিতর্কের বিষয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো, তাঁর বক্তব্য প্রকাশ করা প্রতিবেদনগুলোতেও বলা হয়েছে যে এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। এমন কোনো গোপন সমঝোতার অস্তিত্ব প্রমাণে এখনো জনসমক্ষে চূড়ান্ত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।

উইলিয়াম শেক্‌সপিয়ার তাঁর দ্য টেম্পেস্ট নাটকে বলেছিলেন, দুর্দশা মানুষকে অপ্রত্যাশিত সঙ্গীর সঙ্গে পরিচিত করায়। আধুনিক রাজনৈতিক আলোচনায় এই ভাবনা রূপ নিয়েছে পরিচিত একটি প্রবচনে—রাজনীতি অপ্রত্যাশিত সঙ্গী তৈরি করে। রাজনৈতিক প্রয়োজন কীভাবে আদর্শিক সীমারেখা অতিক্রম করে, কথাটি সেই প্রবণতাকেই ধারণ করে। আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামীর সম্পর্ক এই বাস্তবতার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

রাজনৈতিক দর্শন ও বিশ্বদৃষ্টিতে গভীর পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও ষাটের দশকে ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনের বিরোধিতায় দল দুটি অভিন্ন অবস্থান খুঁজে পেয়েছিল। গণতান্ত্রিক শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার বৃহত্তর লক্ষ্যে ১৯৬৪ সালে তারা অন্য বিরোধী শক্তির সঙ্গে কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টির (কপ) পতাকাতলে একত্র হয়। ১৯৬৯ সালেও আওয়ামী লীগ ও জামায়াত আরও কয়েকটি দলের সঙ্গে ডেমোক্রেটিক অ্যাকশন কমিটি (ডাক) গঠন করে।

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আমূল বদলে দেয়। আওয়ামী লীগ বিপুল জনসমর্থন নিয়ে বিজয়ী হয়, অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী একটি আসনও পায়নি। তবে নির্বাচনী পরাজয় সঙ্গে সঙ্গেই সম্পর্ক ছিন্ন করেনি। জামায়াত নেতারা শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক বিজয়ে প্রকাশ্যে অভিনন্দন জানান এবং সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

১৯৭১ সালের ৩ মার্চ ঢাকায় অনুষ্ঠেয় জাতীয় পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশন স্থগিত হওয়ার পর জাতীয় সংকট আরও গভীর হয়। এ সময় জামায়াতে ইসলামীর নেতা গোলাম আযম শেখ মুজিবের সঙ্গে দেখা করে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তাঁর অসহযোগ কর্মসূচির প্রতি সমর্থন জানান। অল্প সময়ের জন্য হলেও মনে হয়েছিল, ক্রমবর্ধমান সাংবিধানিক সংগ্রামে দল দুটি একই পক্ষে অবস্থান করছে।

কিন্তু পরবর্তী প্রচণ্ড ঘটনাপ্রবাহে সেই ভঙ্গুর ঐক্য টেকেনি। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সামরিক দমন অভিযান রাজনৈতিক বাস্তবতা বদলে দেয়। মুক্তিসংগ্রামের বিরোধিতায় জামায়াতের অবস্থানের কারণে আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের পথ মৌলিকভাবে আলাদা হয়ে যায়।

স্বাধীনতার পর শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়। ১৯৭২ সালের সংবিধান জামায়াতসহ ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। জামায়াতের অনেক নেতা নির্বাসনে যান অথবা রাজনৈতিকভাবে প্রান্তিক অবস্থানে থেকে যান।

১৯৭৫ সালের আগস্টে শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড একটি মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা হয়ে ওঠে। পরবর্তী বছরগুলোতে ধর্মভিত্তিক দলগুলোর ওপর সাংবিধানিক বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়, যার ফলে জামায়াতের পুনরুত্থানের সুযোগ তৈরি হয়। আওয়ামী লীগ ও জামায়াত পরস্পরকে গভীর সন্দেহের চোখে দেখতে থাকে এবং আদর্শিক প্রতিপক্ষ হিসেবেই অবস্থান করে। তবে পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিবেশ ধীরে ধীরে এমন পরিস্থিতি তৈরি করে, যা তাদের একটি অপ্রত্যাশিত, যদিও সাময়িক, অংশীদারত্বের দিকে নিয়ে যায়।

আওয়ামী লীগ–জামায়াত সম্পর্কের ইতিহাসে অন্যতম উল্লেখযোগ্য অধ্যায় উন্মোচিত হয় আশির দশকের এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময়। ১৯৮৬ সালের সংসদ নির্বাচনে এই কাছাকাছি অবস্থান স্পষ্ট হয়ে ওঠে। পৃথক প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও দল দুটি জাতীয় সংসদে প্রবেশ করে। জামায়াত দশটি আসন পায় এবং এর মাধ্যমে কিছুটা রাজনৈতিক বৈধতা ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি অর্জন করে, যা স্বাধীনতার পর থেকে তাদের অধরা ছিল। পরবর্তী সময়ে এরশাদের বিরুদ্ধে জোরদার হতে থাকা বিরোধী আন্দোলনেও দল দুটি একই পক্ষে অবস্থান নেয়।

নব্বইয়ের দশকে আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের জটিল এবং প্রায়ই পরস্পরবিরোধী সম্পর্ক আরেকটি পর্যায়ে প্রবেশ করে। এ দশকের রাজনৈতিক সংগ্রামের কেন্দ্রে ছিল গুরুত্বপূর্ণ একটি সাংবিধানিক প্রশ্ন—সংসদ নির্বাচন পরিচালনার জন্য নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা।

এই লক্ষ্য অর্জনে জামায়াত আওয়ামী লীগ ও অন্য বিরোধী শক্তির সঙ্গে খালেদা জিয়ার বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক আন্দোলনে যুক্ত হয়। ব্যাপকভিত্তিক এই আন্দোলনের চাপ শেষ পর্যন্ত সরকারকে সাংবিধানিক সংস্কার মেনে নিতে বাধ্য করে এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হয়।

১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ ও জামায়াত আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার পরিচালনার জোটে যুক্ত না হলেও পরবর্তী রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহে সংসদে জামায়াতের গুরুত্ব বেড়ে যায়। বিভক্ত রাজনৈতিক পরিবেশে দলটির উপস্থিতি তার আসনসংখ্যার তুলনায় বেশি গুরুত্ব পায়। ফলে সংসদীয় প্রতিনিধিত্বের অনুপাতে দলটি তুলনামূলক বেশি প্রভাব বিস্তারের সুযোগ অর্জন করে।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফেরার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও ব্যাপকভাবে বদলে যায়। শেখ হাসিনা সরকারের অন্যতম প্রধান উদ্যোগ ছিল ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত অপরাধের তদন্ত ও বিচার। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এসব বিচার কার্যক্রম পরিচালনার প্রধান প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠে। জামায়াতের কয়েকজন শীর্ষ নেতার বিচার হয়, তাঁরা দোষী সাব্যস্ত হন এবং আদালতের রায়ের পর তাঁদের কারও কারও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

২০১৩ সালে শাহবাগ আন্দোলনের উত্থানের সঙ্গে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পায়। যুদ্ধকালীন নৃশংসতায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আরও কঠোর শাস্তির দাবিতে এই আন্দোলন গড়ে ওঠে। আওয়ামী লীগের অনেক সমর্থক আন্দোলনটিকে মুক্তিযুদ্ধের অসমাপ্ত নৈতিক সংগ্রামের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখেছিলেন। কিন্তু জামায়াত বিষয়টিকে সম্পূর্ণ ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখে এবং প্রবল বিরোধিতা করে। এর ফলে রাজপথে বিক্ষোভ, সহিংস সংঘর্ষ ও রাজনৈতিক বৈরিতা বাড়তে থাকে।

ইতিহাস, ন্যায়বিচার ও জাতীয় পরিচয় সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বী ধারণাগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ক্রমেই আরও মেরুকৃত হয়ে পড়ে। আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের মধ্যে অর্থবহ কোনো সমঝোতার সম্ভাবনা তাদের যৌথ রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও দূরে সরে গেছে বলে মনে হচ্ছিল।

তবে ইতিহাস খুব কমই সরলরেখায় এগোয়। রাজনৈতিক সম্পর্কও সচরাচর স্থির থাকে না। এক যুগে যে জোট অকল্পনীয় মনে হয়, অন্য যুগে তা প্রয়োজন হয়ে দেখা দিতে পারে। ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ দেখায়, গভীর আদর্শিক পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগ ও জামায়াত বারবার রাজনৈতিক সংগ্রামের একই পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

এসব ঘটনা একটি শিক্ষা দেয়: রাজনৈতিক বন্ধুত্ব প্রায়ই স্থায়ী হওয়ার বদলে কৌশলগত হয়। অন্যদিকে আদর্শিক বিভাজন ভেতরে থেকে যেতে পারে, অপেক্ষা করতে পারে এমন পরিস্থিতির, যখন তা আবার তাদের সংঘাতের মুখোমুখি দাঁড় করাবে।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিও আবার পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। জামায়াত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিরোধী শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এবং ভবিষ্যৎ নির্বাচনে প্রভাব বাড়ানোর আকাঙ্ক্ষা পোষণ করছে। একই সঙ্গে একসময় স্থায়ী বলে মনে হওয়া সম্পর্কগুলো অপ্রত্যাশিতভাবে বদলেছে। রাজনৈতিক মিত্ররা প্রতিপক্ষ হয়েছে, আবার পুরোনো বিরোধীরাও কখনো কখনো অভিন্ন স্বার্থের ক্ষেত্র খুঁজে পেয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকার হিসাব প্রায়ই আদর্শিক নিশ্চয়তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়।

ভবিষ্যতের ঘটনাপ্রবাহ নতুন কোনো রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করবে কি না, তা অনিশ্চিত। আওয়ামী লীগ যখন রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতা ফিরে পেতে চাইছে এবং তার প্রতিপক্ষরা প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতায় রয়েছে, তখন প্রতিটি পক্ষই অনিবার্যভাবে বিবেচনা করবে—তার স্বার্থ কোথায় এবং কার সমর্থন সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে।

নীতি ও বাস্তববাদের এই চিরন্তন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এখনো অলিখিত—ইতিহাসের চাকার পরবর্তী বাঁকের অপেক্ষায়।

মহিউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসবিষয়ক লেখক ও গবেষক।

এই লেখায় প্রকাশিত মতামত মূল লেখকের নিজস্ব।

সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার

এই শাখার আরও খবর

সকালেই শিল্পাঞ্চলের তিন কারখানায় আচমকা হামলা

রাজধানী ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলে সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে তিনটি পোশাক কারখানায় আকস্মিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার শিকার কারখানাগুলো হলো ফারইস্ট, ডিভাইন ও এপেক্স। তবে কারা…

চাঁদাবাজি ছেড়ে ছিনতাইয়ে ছাত্রদল নেতা, বিকাশ দোকানিকে কুপিয়ে ২২ লাখ টাকা লুট

ওটিএন বাংলা রিপোর্ট :  চাঁদাবাজির অভিযোগের পর এবার ছিনতাইয়ে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে। কক্সবাজারে এক বিকাশ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে তাঁর কাছ…

গণপিটুনি, হত্যাকাণ্ড ও জমি দখলে অবনতির মুখে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি

বাংলাদেশে গণপিটুনি, কথিত ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হত্যাকাণ্ড, ব্যক্তিগত বিরোধকে কেন্দ্র করে সহিংসতা এবং জমি দখলের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন…

ঢাকায় ফিরলেও বাইরে বের হতে ভয় পাচ্ছেন বাঁধন, ভেনিসের হামলার ট্রমা কাটেনি এখনও

ওটিএন বাংলা রিপোর্ট : ইতালির ভেনিসে হামলা ও হেনস্তার ঘটনার এক মাস পেরিয়ে গেলেও সেই অভিজ্ঞতার মানসিক ধকল কাটিয়ে উঠতে পারেননি অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন।…

যুক্তরাষ্ট্রে আবাসিক এলাকায় উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, নিহত ৯

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ফ্লোরিডার পাম বিচ কাউন্টিতে আবাসিক এলাকায় একটি ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আশপাশের কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিধ্বস্ত…

অহিংস থেকে সহিংস আন্দোলনে শ্রমিকরা, কী ঘটতে যাচ্ছে ঢাকায়?

ওটিএন বাংলা রিপোর্ট : ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন রোববার (১ নভেম্বর) হঠাৎ সহিংস রূপ নেয়। রাজধানীর মিরপুর, সাভার-আশুলিয়া ও গাজীপুরের…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au