দায়িত্ব নেওয়ার এক মাসের মধ্যেই পদত্যাগ নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
মেলবোর্ন, ২২ এপ্রিল- মাত্র ২৭ দিনের ব্যবধানে পদত্যাগ করেছেন নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং। মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত একটি তদন্তে থাকা ব্যবসায়ী দীপক ভট্টর সঙ্গে তার ব্যবসায়িক…
ঢাকা, ১৩ জুলাই-
দেশজুড়ে সাম্প্রতিক সময়ের হত্যা ও নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় সরকারকে কঠোরভাবে সমালোচনা করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, যারা মব তৈরি করে সহিংসতা ঘটাচ্ছে, তাদের কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না—এ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
শনিবার রাজধানীর গুলশানের লেক শোর গ্র্যান্ড হোটেলে বিএনপির অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের এক অনুষ্ঠানে লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
পুরান ঢাকায় ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ‘ফুটেজে আমরা স্পষ্টভাবে যে মানুষটিকে হত্যা করতে দেখেছি, তাকে কেন এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি? আমরা কি ধরে নেব যে সরকার পরিকল্পিতভাবে মব সৃষ্টি করে একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছে?’
তিনি আরও বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কি অন্যায়কারীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে? প্রশাসনের কোনো কোনো অংশের মধ্যে কি এ ধরনের সহিংসতাকে পৃষ্ঠপোষকতা করার প্রবণতা আছে?’
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেন, ‘সরকারের দায়িত্ব জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া। অন্যায়কারীদের দমন করা। আমরা পরিষ্কারভাবে বলেছি—যে অন্যায় করবে, সে যে দলেরই হোক, তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। অপরাধী কখনো দলের লোক হতে পারে না।’
তারেক রহমান অভিযোগ করেন, বিএনপি ও জাতীয়তাবাদী শক্তির বিরুদ্ধে এখনো ষড়যন্ত্র চলছে। অদৃশ্য শত্রু ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গায় অস্বাভাবিক কিছু ঘটছে, সুস্থ স্বাভাবিক পরিবেশকে ব্যাহত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
নিহতদের পরিবারের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘আপনাদের স্বজনদের হত্যার বিচার কেন বিলম্বিত হচ্ছে—এ প্রশ্ন জোর গলায় তুলুন। কারা মব তৈরি করে এই বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করতে চাইছে, সেটাও খুঁজে বের করুন।’
খুলনায় যুবদলের এক কর্মীকে হত্যার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘তাঁর রগ কেটে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু এ নিয়ে কথা হচ্ছে না। বরং বলা হচ্ছে বিএনপি লাশ নিয়ে রাজনীতি করছে। অথচ এই প্রশ্নগুলোর উত্তর বাংলাদেশের অস্তিত্বের সঙ্গেই জড়িত।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au