পাঁচ মাস আগে জামিনে বেরিয়ে এবার নিজের ঘুমন্ত বাবাকে কুপিয়ে হত্যা
নরসিংদীর শিবপুরে পারিবারিক কলহের জেরে ঘুমন্ত বাবাকে ছুরিকাঘাত ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বড় ছেলের বিরুদ্ধে। এ সময় বাবাকে রক্ষা করতে…
মেলবোর্ন, ৮ সেপ্টেম্বর- বাংলাদেশের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচন স্থগিত করতে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অমর্ত্য রায় সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করেন। চলতি সপ্তাহেই হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চে আবেদনটির শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে জাকসু নির্বাচনের জন্য চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। এতে দেখা যায়, বিভিন্ন পদে মোট ১৭৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতার অনুমোদন পেয়েছেন। এর মধ্যে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ১০ জন এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ৯ জন রয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সিনেট হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. এ কে এম রশিদুল আলম এই তথ্য জানান। এ সময় কমিশনের অপর সদস্য অধ্যাপক মাফরুহি সাত্তার এবং অধ্যাপক ড. খ. লুৎফুল এলাহী উপস্থিত ছিলেন।
চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (নারী) পদে ৬ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) পদে ১০ জন, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক পদে ৯ জন, পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণ সম্পাদক পদে ৬ জন, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ৮ জন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে ৮ জন, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে ৮ জন, নাট্য সম্পাদক পদে ৫ জন এবং ক্রীড়া সম্পাদক পদে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এছাড়া সহ-ক্রীড়া সম্পাদক (নারী ও পুরুষ) পদে ৬ জন করে, তথ্য প্রযুক্তি ও গ্রন্থাগার সম্পাদক পদে ৭ জন, সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক পদে ৮ জন, সহ-সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক (নারী ও পুরুষ) পদে ৭ জন, স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা সম্পাদক পদে ৭ জন এবং পরিবহন ও যোগাযোগ সম্পাদক পদে ৭ জন প্রার্থী চূড়ান্ত তালিকায় রয়েছেন।
নারী শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ৩টি নির্বাহী সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১৬ জন। পুরুষ শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ৩টি নির্বাহী সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ২৬ জন। সব মিলিয়ে এ নির্বাচনে মোট ৪৬ জন নারী প্রার্থী বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে জিএস পদে রয়েছেন দুইজন।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ২৯ আগস্ট থেকে ৯ সেপ্টেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত চলবে প্রচারণা। এরপর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au