ভারতের পর্যটক ভিসা চালু হতেই বাংলাদেশজুড়ে আবেদনকারীদের ঢল কেন
মেলবোর্ন, ২ জুলাই- দীর্ঘ প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারত পর্যটক ভিসা চালু করার পর দেশজুড়ে ভারতীয় ভিসা আবেদনকেন্দ্রগুলোতে আবেদনকারীদের উপচে পড়া ভিড়…
মেলবোর্ন, ১০ সেপ্টেম্বর – যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ গভর্নর লিসা কুককে সরাতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগ আদালতে আটকে গেল। ওয়াশিংটন ডিসির একটি ফেডারেল আদালত গতকাল মঙ্গলবার এক অন্তর্বর্তী রায়ে ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন। এর মধ্য দিয়ে মার্কিন ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো প্রেসিডেন্টের ফেড গভর্নর অপসারণের প্রচেষ্টা আইনি জটিলতায় পড়ল।
বিচারক জিয়া কব রায়ে বলেন, লিসা কুকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ—ফেডে যোগদানের আগে তিনি বন্ধকি ঋণ নিয়ে জালিয়াতি করেছেন—এটি তাঁকে সরানোর মতো যথেষ্ট কারণ নয়। প্রেসিডেন্ট এখন পর্যন্ত কুকের বোর্ড সদস্য হিসেবে কর্মকাণ্ড বা দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে জনগণের ক্ষতি হয়েছে, এমন কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি। ফলে তাঁকে সরানোর উদ্যোগ আইনসম্মত নয়।
ফেড প্রতিষ্ঠার পর থেকে কখনো কোনো প্রেসিডেন্ট ফেড গভর্নরকে অপসারণ করেননি। আইনে বলা আছে, ‘কারণ দেখিয়ে’ গভর্নরকে সরানো যেতে পারে, তবে সেই ‘কারণ’ কী হতে পারে, তা স্পষ্ট নয়। বিচারক কব তাঁর রায়ে বলেন, যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা হলো—শুধুমাত্র দায়িত্ব পালনের সময় অসদাচরণের প্রমাণ পাওয়া গেলে অপসারণ করা যাবে। কিন্তু কুকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো তাঁর নিয়োগের (২০২২ সালে সিনেট অনুমোদন) আগের সময়ের।
লিসা কুক অভিযোগ অস্বীকার করে আদালতে বলেন, “আমি কখনোই মর্টগেজ জালিয়াতি করিনি।” তাঁর আইনজীবী অ্যাবি লোয়েল এক বিবৃতিতে জানান, এই রায় ফেডারেল রিজার্ভের স্বাধীনতাকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে রক্ষা করার গুরুত্ব আবারও প্রমাণ করল। কুকের দাবি, অভিযোগগুলো তাঁর অর্থনৈতিক নীতির অবস্থানের কারণে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আনা হয়েছে।
অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, প্রেসিডেন্টের হাতে ব্যাপক ক্ষমতা রয়েছে। তিনি চাইলে ফেড গভর্নরকে সরাতে পারেন। আদালতের এ ধরনের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার এখতিয়ার নেই বলেও তাদের দাবি। ট্রাম্প নিজেও প্রকাশ্যে ফেডের আর্থিক নীতির কড়া সমালোচনা করেছেন এবং অবিলম্বে সুদের হার কমানোর দাবি তুলেছেন।
এ মামলার ফলাফল যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা ও সুদের হার নির্ধারণের ক্ষমতা সরাসরি রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়তে পারে।
বর্তমানে ফেড ১৬–১৭ সেপ্টেম্বরের বৈঠকে সুদের হার কমাতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে এ ঘটনার পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও হোয়াইট হাউসের সম্পর্ক আরও জটিল হয়ে উঠল।
সূত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au