সেকেন্দার হাজির আমবাগানে পড়ে ছিল রুপালি রাণীর মরদেহ
মেলবোর্ন, ১৮ জুন- দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় একটি আমবাগান থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৭ জুন) সকালে উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের পাঁচগাছি উত্তরপাড়া গ্রামে…
মেলবোর্ন, ১৫ সেপ্টেম্বর- ইতালির দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ লাম্পেদুসায় মাত্র তিন দিনে বাংলাদেশিসহ অন্তত ৫০০ অভিবাসনপ্রত্যাশী পৌঁছেছেন। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, সোমবার থেকে বুধবারের মধ্যে দশটি নৌকায় করে এসব অভিবাসী ইতালিতে আসেন। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে দুই অভিবাসনপ্রত্যাশীর মরদেহ।
সোমবার রাতে আট মিটার দীর্ঘ একটি নৌকা থেকে ৪৪ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করে ইতালির ফিন্যান্সিয়াল গার্ড। একই নৌকা থেকে উদ্ধার করা হয় দুই অভিবাসনপ্রত্যাশীর মরদেহ। নৌকাটিতে মিসর, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, গাম্বিয়া ও আলজেরিয়ার নাগরিক ছিলেন। তাদের মধ্যে তিনজন হাইড্রোকার্বন বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, মৃত দুইজনও বিষক্রিয়ায় মারা গেছেন। মরদেহগুলো কালা পিসানা সিমেট্রির মর্গে পাঠানো হয়েছে, সেখানেই ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা রয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে আরও অন্তত পাঁচটি নৌকায় ৩০০ জনের বেশি অভিবাসী লাম্পেদুসায় পৌঁছান। তারা আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, মিসর, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া ও সুদানের নাগরিক। এদের মধ্যে একজন শিশু ও একজন গর্ভবতী নারীও ছিলেন। অভিবাসীরা জানিয়েছেন, তারা লিবিয়ার আবু কামাশ থেকে যাত্রা করেছেন। একই রাতে পাঁচ মিটার দীর্ঘ আরেকটি নৌকা থেকে ১৫ জনকে উদ্ধার করে ফিন্যান্সিয়াল গার্ড। তারা ইরিত্রিয়া, সুদান ও আইভোরি কোস্টের নাগরিক। নৌকার যাত্রা শুরু হয়েছিল তিউনিসিয়ার এল ওলগা থেকে। প্রতিজনকে দিতে হয়েছিল এক হাজার ২০০ ইউরো। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে দুজনকে হাইড্রোকার্বন বিষক্রিয়ার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ছাড়া, আরও দুটি নৌকায় ১০৬ জন অভিবাসী দ্বীপটিতে পৌঁছান। এর মধ্যে এক নৌকায় ছিলেন ৬৯ জন বাংলাদেশ, মিসর ও সোমালিয়ার নাগরিক, যারা লিবিয়ার হোমস থেকে যাত্রা করেন। অন্য নৌকায় ৩৭ জন আফগান, বাংলাদেশি, মিসরীয়, ইরিত্রিয়ান ও পাকিস্তানি ছিলেন।
বুধবার প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও সমুদ্র থেকে উদ্ধার করা হয় আরও ৭৪ জন অভিবাসীকে। এর মধ্যে একটি রাবারের নৌকায় ছিলেন ২২ জন ইরিত্রিয়ান, আরেক নৌকায় ছিলেন ৫২ জন মিসরীয়, সুদানিজ, বাংলাদেশি ও সিরিয়ান নাগরিক।
এর আগে শনিবার ও রোববার ১৫টি নৌকায় ৮৪৭ জন অভিবাসী পৌঁছেছিল লাম্পেদুসায়। সব মিলিয়ে দ্বীপটির একমাত্র অভ্যর্থনা কেন্দ্রে এখন এক হাজার ৪০০ জনেরও বেশি অভিবাসী অবস্থান করছে, যা গত কয়েক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।
এদিকে, প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে অভিবাসীদের সিসিলিতে স্থানান্তরের কাজ ধীরগতিতে চলছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ৩০০ অভিবাসীকে পোর্তো এমপেডোকলে স্থানান্তরের পরও হটস্পটে এক হাজার ৪২০ জন অভিবাসী অবস্থান করছে।
সূত্র: ইনফোমাইগ্রেন্টস
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au