সেকেন্দার হাজির আমবাগানে পড়ে ছিল রুপালি রাণীর মরদেহ
মেলবোর্ন, ১৮ জুন- দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় একটি আমবাগান থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৭ জুন) সকালে উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের পাঁচগাছি উত্তরপাড়া গ্রামে…
মেলবোর্ন, ১৬ সেপ্টেম্বর- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দ্রুতই এক ‘হটস্পটে’ পরিণত হচ্ছে বাংলাদেশ। বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির হারে দেশটি বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। এর প্রভাব এখন শুধু পরিবেশেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং স্বাস্থ্য, উৎপাদনশীলতা ও অর্থনীতির ওপরও ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও অর্থনীতিতে তাপের প্রভাব’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সৈয়দুর রহমান। বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র অপারেশনস অফিসার ইফফাত মাহমুদ ও সিনিয়র স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ওয়ামেক এ রাজা মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৮০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেড়েছে ১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে ‘অনুভূত তাপমাত্রা’ বেড়েছে ৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উষ্ণ আবহাওয়ার ঝুঁকির দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।
রাজধানী ঢাকার অবস্থা সবচেয়ে উদ্বেগজনক। জাতীয় গড়ের তুলনায় ঢাকার হিট ইনডেক্স প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি। শুধু ২০২৪ সালেই তীব্র গরমজনিত স্বাস্থ্যসমস্যার কারণে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ কর্মদিবস নষ্ট হয়েছে, যার ফলে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ১.৭৮ বিলিয়ন ডলার— যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ০.৪ শতাংশ।
বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র অপারেশনস অফিসার ইফফাত মাহমুদ বলেন, “তাপমাত্রা বৃদ্ধি সরাসরি স্বাস্থ্যঝুঁকি ও উৎপাদনশীলতার হ্রাসের সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে প্রমাণভিত্তিক নীতি ও সঠিক বিনিয়োগের মাধ্যমে এই সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব।”
একই অনুষ্ঠানে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানবিষয়ক বিভাগীয় পরিচালক জ্যাঁ পেসমে বলেন, “চরম গরম কেবল মৌসুমি অসুবিধা নয়, বরং এটি স্বাস্থ্য, উৎপাদনশীলতা ও সামগ্রিক সমৃদ্ধির জন্য বড় হুমকি। তবে সিঙ্গাপুরসহ কয়েকটি দেশের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে— সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিলে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব।”
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাপজনিত ঝুঁকি থেকে মানুষ, জীবিকা ও অর্থনীতিকে সুরক্ষায় দ্রুত সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হবে। সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে—
এ ছাড়া আন্তর্জাতিক সহায়তা ও সরকারি-বেসরকারি অর্থায়নের গুরুত্বও প্রতিবেদনে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au