‘পুশ-ইন’ নিয়ে কি ঘটছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে? সমাধান কি?
মেলবোর্ন, ১৮ জুন- ২০২৬ সালের মধ্যভাগে এসে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে এক নজিরবিহীন ও অত্যন্ত জটিল নিরাপত্তা এবং মানবিক সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক…
মেলবোর্ন, ২৬ সেপ্টেম্বর- ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL) থেকে দেশীয় যুদ্ধবিমান কেনার জন্য ৬২৩.৭০ বিলিয়ন রুপি বা প্রায় ৭.০৩ বিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮৫৬.১৩ বিলিয়ন টাকা) মূল্যের চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের সামরিক শক্তি ও প্রভাব দ্রুত বাড়ছে। এছাড়া চীন পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরদার করছে। এ পরিস্থিতিতে ভারতের লক্ষ্য সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিকীকরণ করা।
চুক্তির বিশদ
প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এক্সে পোস্টে বলেন, “HAL সরবরাহ করা এই যুদ্ধবিমান ভারতীয় বিমানবাহিনীর কার্যক্ষমতা বাড়াবে, নিরবচ্ছিন্ন অপারেশন চালাতে সহায়তা করবে এবং প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিকে আরও শক্তিশালী করবে।”
এই খবর এসেছে ভারতীয় বিমানবাহিনীর রুশ-উৎপত্তি মিগ-২১ যুদ্ধবিমানের শেষ ফ্লাইটের একদিন আগে। এই ফ্লাইটের পর ভারতীয় বিমানবাহিনীতে সাবেক সোভিয়েত যুদ্ধবিমানের সংখ্যা কমে দাঁড়াবে ৪২ থেকে ২৯-এ।
বৃহস্পতিবারের চুক্তি হল উন্নত তেজস এমকে-১এ সংস্করণের ফলো-অন অর্ডার। ২০২১ সালে HAL-এর সঙ্গে ৮৩টি এমকে-১এ যুদ্ধবিমানের জন্য চুক্তি হয়েছিল। তবে ইঞ্জিন সরবরাহে বিলম্বের কারণে ডেলিভারি শুরু হয়নি। জিই বলেছে, কোভিড-১৯ মহামারির পর উৎপাদন লাইন পুনরায় চালু করা ও বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইন পুনর্গঠন চ্যালেঞ্জের কারণে বিলম্ব হয়েছে।
চলতি বছরের মার্চে এমকে-১এ যুদ্ধবিমানের প্রথম ইঞ্জিন সরবরাহ করা হয়েছে এবং ভারতীয় কর্মকর্তারা আশা করছেন, চলতি অর্থবছরেই উৎপাদন ও সরবরাহ স্থিতিশীল হবে। নতুন অর্ডারের ফলে ভারতের মোট তেজস বহর দাঁড়াবে ২২০-এ।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জিই-এর সঙ্গে অতিরিক্ত ইঞ্জিন সরবরাহের জন্য আরও একটি ফলো-অন চুক্তি সই করার আশা করছেন।
সুত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au